📄 যযনব বিনতে জাহাশ ইবনে রিয়াব (রা.)
তিনি ছিলেন বনু আছাদ ইবনে খোযায়মা গোত্রের মহিলা এবং রসূলে খোদার ফুফাতো বোন। তাঁর বিয়ে প্রথমে হযরত যায়েদ ইবনে হারেসা (রা.)-এর সাথে হয়েছিলো। হযরত যায়েদকে মনে করা হতো রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ছেলে। কিন্তু হযরত যায়েদের সাথে যয়নবের বনিবনা হয়নি, ফলে হযরত যায়েদ তাঁকে তালাক দেন। যয়নবের ইদ্দত শেষ হওয়ার পর আল্লাহ তায়ালা রব্বুল আলামীন এই আয়াত নাযিল করেন। 'অতপর যায়েদ যখন যয়নবের সাথে বিয়ের সম্পর্ক ছিন্ন করলো, তখন আমি তাকে আপনার সাথে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ করলাম। (সূরা আহযাব, আয়াত, ৭) এ সম্পর্কে সূরা আহযাবে আরো কয়েকটি আয়াত নাযিল হয়েছে। এসব আয়াতে পালক পুত্র সম্পর্কিত বিতর্কের সুষ্ঠু ফয়সালা করে দেয়া হয়েছে। বিস্তারিত আলোচনা পরে করা হবে। হযরত যয়নবের সাথে পঞ্চম হিজরীর জিলকদ মাসে বা এর কিছু আগে রসূলের বিয়ে হয়।
📄 যুয়াইরিয়া বিনতে হারেস (রা.)
(৮) যুয়াইরিয়া বিনতে হারেস (রা.) তার পিতা ছিলেন খোযাআ গোত্রের শাখা বনু মুস্তালিকের সর্দার। বনু মুস্তালিকের যুদ্ধবন্দীদের সাথে হযরত জুয়াইরিয়াকেও হাযির করা হয়। তিনি হযরত ছাবেত ইবনে কয়েস ইবনে শাম্মাস (রা.)-এর ভাগে পড়েছিলেন। হযরত ছাবেত (রা.) শর্ত সাপেক্ষে তাঁকে মুক্তি দেয়ার কথা জানান। শর্ত হিসাবে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদানের কথা বলা হয়। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ খবর জানার পর হযরত জুয়াইরিয়ার পক্ষ থেকে নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করে তার মুক্তির ব্যবস্থা করে তাকে বিয়ে করেন। এটা পঞ্চম হিজরীর শাবান মাসের ঘটনা।
📄 উম্মে হাবিবা বিনতে আবু সুফিয়ান (রা.)
(৯) উম্মে হাবিবা বিনতে আবু সুফিয়ান (রা.) তিনি ছিলেন উবায়দুল্লাহ ইবনে জাহাশের স্ত্রী। স্বামীর সাথে হিজরত করে তিনি হাবশা অর্থাৎ আবিসিনিয়া গমন করেন। সেখানে যাওয়ার পর উবায়দুল্লাহ ধর্মান্তরিত হয়ে খৃষ্টান ধর্ম গ্রহণ করেন। পরে সেখানে তার মৃত্যু হয়। কিন্তু উম্মে হাবিবা নিজের ধর্ম বিশ্বাস এবং হিজরতের ওপর অটল থাকেন। সপ্তম হিজরীর মহররম মাসে রসূলে খোদা আমর ইবনে উমাইয়া জামিরিকে একখানি চিঠিসহ আবিসিনিয়ার বাদশাহ নাজ্জাশির কাছে প্রেরণ করেন। সে চিঠিতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মে হাবিবাকে বিয়ে করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন। নাজ্জাশী উম্মে
📄 হযরত সাফিয়া বিনতে হুয়াই (রা.)
তিনি ছিলেন বনু ইসরাইল সম্প্রদায়ের এবং তিনি খয়বরে বন্দী হন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে নিজের জন্যে পছন্দ করায় মুক্ত করে বিয়ে করেন। সপ্তম হিজরীতে খয়বর বিজয়ের পর এ ঘটনা ঘটে।