📄 ছারিয়্যা তোরবা ও ফেদেক অঞ্চলে ছারিয়্যা
৩. ছারিয়্যা তোরবা সপ্তম হিজরীর শাবান মাস
এ ছারিয়্যা হযরত ওমর ইবনে খাত্তাব (রা.)-এর নেতৃত্বে পরিচালনা করা হয়। তাঁর সাথে ছিলেন তিরিশ জন সাহাবা। তারা রাতের বেলা সফর এবং দিনের বেলায় লুকিয়ে থাকতেন। বনু হাওয়াযেন গোত্রের লোকেরা এ খবর পাওয়ার পর পালিয়ে যায়। হযরত ওমর (রা.) এবং তাঁর সঙ্গীরা তখন মদীনায় ফিরে আসেন।
৪. ফেদেক অঞ্চলে ছারিয়্যা সপ্তম হিজরীর শাবান মাস
হযরত বশীর ইবনে সা'দ আনসারী (রা.)-এর নেতৃত্বে তিরিশজন সাহাবার একটি দল অভিযানে বের হন। বনু মাররা গোত্রের লোকদের শিক্ষা দিতেই এটি প্রেরণ করা হয়।
হযরত বশীর তাঁর এলাকায় পৌঁছে ভেড়া, বকরি এবং অন্য পশুপাল তাড়িয়ে নিয়ে আসেন। রাতে শত্রুরা এসে তাদের ঘিরে ধরে। মুসলমানরা তীর নিক্ষেপ করেন। একপর্যায়ে বশীর এবং তার সঙ্গীদের তীর শেষ হয়ে যায়। ফলে নিরস্ত্র মুসলমানদের শত্রুরা একে একে হত্যা করে। একমাত্র বশীর বেঁচেছিলেন। তাঁকে আহত অবস্থায় উঠিয়ে ফেদেকে নিয়ে আসা হয় এবং তিনি ইহুদীদের কাছেই অবস্থান করেন। দুই মাস পর ক্ষত শুকালে তিনি মদীনায় ফিরে আসেন।
📄 ছারিয়্যা মাইফাআ
সপ্তম হিজরীর রমযান মাস
গালিব ইবনে আবদুল্লাহর নেতৃত্বে এই ছারিয়্যা বনু আউয়াল এবং বনু আবদ ইবনে ছালাবা গোত্রকে শিক্ষা দেয়ার জন্যে পাঠানো হয়। অপর এক বর্ণনায় জুহাইনা গোত্রের হারকাত শাখার লোকদের শিক্ষা দেয়ার জন্যে পাঠানো হয় বলে উল্লেখ রয়েছে। এতে মুসলমানদের সংখ্যা ছিলো একশত ত্রিশ। এরা শত্রুদের ওপর একযোগে হামলা করেন। যারা মাথা তুলছিলো তাদেরই হত্যা করা হচ্ছিলো। এরপর ভেড়া ও বকরিসহ পশুপাল হাঁকিয়ে নিয়ে আসেন। এই অভিযানেই হযরত উছামা ইবনে যায়েদ (রা.) নুহায়েক ইবনে মারদাস নামক এক ব্যক্তিকে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু বলা সত্ত্বেও হত্যা করেছিলেন। এ খবর শুনে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছিলেন, তুমি কেন তার বুক চিরে জেনে নাওনি, সে সত্য ছিলো, নাকি মিথ্যা ছিলো?
📄 ছারিয়্যা খয়বর ও ছারিয়্যা ইয়ামান অজাবান
৬. ছারিয়্যা খয়বর সপ্তম হিজরীর শওয়াল মাস ৩৯৫
ত্রিশ সাহাবার সমন্বয়ে এই ছারিয়্যা প্রেরণ পরিচালনা করা হয়েছিলো। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে রওয়াহা (রা.) এ অভিযানের নেতৃত্বে দেন। কারণ ছিলো এই যে, আসীর, মতান্তরে বশীর ইবনে যারাম বনু গাতফান গোত্রের লোকদেরকে মুসলমানদের ওপর হামলা করতে সমবেত করেছিলো। মুসলমানরা আসীরকে আশ্বাস দেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে খয়বরের গবর্নর নিযুক্ত করবেন। এ আশ্বাস দেয়ায় আসীর এবং তার তিরিশ জন সঙ্গী মুসলমানদের সাথে মদীনায় যেতে রাজি হয়। কারকারানিয়ার নামক জায়গায় পৌছে উভয় পক্ষে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। এর ফলে আছির এবং তার সঙ্গীদের প্রাণ হারাতে হয়েছিলো।
৭. ছারিয়্যা ইয়ামান অজাবার সপ্তম হিজরীর শওয়াল মাস
জাবার বnu গাতফান, মতান্তরে বনু ফাজায়া এবং বনু আজারার এলাকার নাম। হযরত বশীর ইবনে কা'ব আনসারীকে তিনশত মুসলমানসহ সেখানে প্রেরণ করা হয়। মদীনায় হামলা করতে সমবেত এক বিরাট শত্রু সৈন্যের মোকাবেলার জন্যে এদের প্রেরণ করা হয়। মুসলমানরা রাতে সফর করতেন এবং দিনে আত্মগোপন করে থাকতেন। শত্রুরা হযরত বশীরের (রা.) আগমনের খবর পেয়ে পালিয়ে যায়। হযরত বশীর (রা.) বহু পশু মদীনায় নিয়ে আসেন। এছাড়া দু'জন লোককে বন্দী করে মদীনায় এনেছিলেন। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে নেয়ার পর তারা ইসলাম গ্রহণ করেন।
📄 ছারিয়্যা গাবা ও কাজা ওমরাহ পালন
ইমাম ইবনে কাইয়েম ওমরায়ে কাজার আগে সপ্তম হিজরীতে সংঘটিত ছারিয়্যা অর্থাৎ শুধু মাত্র সাহাবায়ে কেরামের সমন্বয়ে প্রেরিত সামরিক অভিযানসমূহের মধ্যে এই অভিযানকেও অন্তর্ভুক্ত করেন। এই অভিযানের সারকথা হচ্ছে এই যে, জাশম ইবনে মাবিয়া গোত্রের একজন লোক বহুসংখ্যক লোককে সঙ্গে নিয়ে গাবায় এসেছিলেন। সে বনু কায়েসকে মুসলমানদের সাথে লড়াই করতে সমবেত করতে চাচ্ছিল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত আবু হাদরাওকে মাত্র দুইজন লোকসহ প্রেরণ করেন। হযরত হাদরাও এমন সামরিক কৌশল গ্রহণ করেন যে, শত্রুরা পরাজয় বরণ করে এবং বহু উট বকরি মুসলমানদের অধিকারে আসে।
কাজা ওমরাহ পালন ইমাম হাকেম বলেছেন, এটা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত যে, যিলকদ এর চাঁদ ওঠার পর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবায়ে কেরামদের কাজা ওমরাহ পালনের প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেন। হোদায়বিয়ার সন্ধির সময়ে যে সকল সাহাবা উপস্থিত ছিলেন, তাদের কেউ যেন অনুপস্থিত না থাকেন রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে কথাও উল্লেখ করেন। সন্ধির পর শাহাদাত বরণকারীরা ব্যতীত অন্যসব সাহাবা এবং সন্ধির সময়ে অনুপস্থিত ছিলেন এমন বেশ কিছু সাহাবাও ওমরাহ পালনের প্রস্তুতি নেন। মহিলা ও শিশু ছাড়া সাহাবাদের সংখ্যা ছিলো দুই হাজার।
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবু রেহম গেফারীকে মদীনায় তাঁর স্থলাভিষিক্ত করেন। ষাটটি উট সঙ্গে নেয়া হয় এবং সেসব উটের দেখাশোনার দায়িত্ব নাজিয়া ইবনে জুন্দব আসলামির ওপর ন্যস্ত করা হয়। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাহাবায়ে কেরাম যুল হোলায়ফা থেকে ওমরাহর এহরাম বাঁধেন এবং লাব্বায়েক ধ্বনি দেন। কোরায়শদের পক্ষ থেকে বিশ্বাসঘাতকতার আশঙ্কায় মুসলমানরা অস্ত্রশস্ত্র সঙ্গে নেন। এসব অস্ত্রের মধ্যে ছিলো ঢাল, তীর, বর্শা তলোয়ার। ইয়াজেজ প্রান্তরে পৌঁছার পর সকল অস্ত্র আওস ইবনে খাওলি আনসারীর নেতৃত্বে রেখে মুসলমানরা অগ্রসর হন। মুসলমানরা তাদের তলোয়ার কোষবদ্ধ করে রেখেছিলেন।
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় প্রবেশের সময় তাঁর কাসওয়া নামক উটনীতে আরোহণ করেন। মুসলমানরা কোষবদ্ধ তলোয়ার তুলে ধরে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মাঝখানে নিয়ে লাব্বায়ক আল্লাহুমা লাব্বায়ক ধ্বনি দিচ্ছিলো।
মক্কার পৌত্তলিকরা তামাশা দেখার জন্যে ঘর থেকে বেরিয়ে উত্তর দিকে অবস্থিত কায়াইকায়ান পাহাড়ে উঠে দাঁড়ালো। তারা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করছিলো যে, তোমাদের কাছে এমন এক দল লোক আসছে, যাদের মদীনায় জ্বর কাবু করে ফেলেছে।
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একথা শুনে সাহাবাদের বললেন, তারা যেন তিনবার খুব জোরে দৌড় দেন। তবে রুকনে ইয়ামানী এবং হাজরে আসওয়াদের মাঝামাঝি এলাকায় স্বাভাবিক গতিতে যেতে হবে। সাত সাঈর মধ্যে পুরো সাতবারই দৌড় না দেয়ার জন্যে বলা হয়নি। আল্লাহর রহমত ও বরকত লাভের প্রত্যাশাই ছিলো এর কারণ। মোশরেকদের মুসলমানদের শক্তি দেখানোই ছিলো এর উদ্দেশ্য। এছাড়া রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবাদেরকে এজতেবা করারও আদেশ প্রদান করেন। এর অর্থ হচ্ছে ডান কাঁধ খোলা রেখে চাদর ডান বগলের নীচে দিয়ে নিচের দিক থেকে পেঁচিয়ে দেয়া। সামনে পিছনে উভয় দিক থেকে চাদরের অপর প্রান্ত বাঁ কাঁধের ওপর ফেলে রাখা।
রসূলুল্লাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কার পাহাড়ী ঘাঁটির পথ ধরে অগ্রসর হন। তাঁকে দেখার জন্যে মোশরেকরা লাইন লাগিয়ে রেখেছিলো। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ক্রমাগতভাবে লাব্বায়ক ধ্বনি দিচ্ছিলেন। হারাম শরীফে পৌছে তিনি নিজের ছড়ি দিয়ে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করেন। এরপর তওয়াফ করলেন। মুসলমানরাও তওয়াফ করেন। সেই সময় আবদুল্লাহ ইবনে রওয়াহা (রা.) তলোয়ার উঁচু করে ধরে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং এই কবিতা আবৃত্তি করছিলেন, 'কাফেরের সন্তানরা ছেড়ে দাও তাঁর পথ তাঁকে ঘিরে রেখেছে আল্লাহর রহমত। রহমানুর রহীমের কেতাবে রয়েছে তাঁর কথা সেই সকল সহীফা তেলাওয়াত করা হয় সদা। হে আল্লাহ, তাঁর এ কথায় করেছি বিশ্বাস আল্লাহর রাহে দেবো কোরবান আমার নিশ্বাস আল্লাহর নির্দেশ মেনে দেবো এমন মার মাথার খুলি যাবে উড়ে বন্ধুর খবর রবে না আর।'
হযরত আনাস (রা.)-এর বর্ণনায় একথাও উল্লেখ রয়েছে যে, কবিতা আবৃত্তি শুনে হযরত ওমর ইবনে খাত্তাব (রা.) বলেন, ওহে রওয়াহার পুত্র, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে হারাম শরীফে কবিতা আবৃত্তি করা হচ্ছে? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ওহে ওমর, তাকে আবৃত্তি করতে দাও। ওদের মধ্যে এর প্রভাব তীরের চেয়ে অধিক কার্যকর।
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মুসলমানরা তিন চক্কর দৌড় দিলেন। মোশরেকরা দেখে বললো, মদীনার জ্বর যাদের কাবু করেছে মনে করেছিলাম, ওরা তো এমন এমন লোকের চেয়েও বেশী শক্তি রাখে দেখছি।
তওয়াফ শেষ করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাফা-মারওয়ার মাঝখানে সাঈ করলেন। সেই সময় তাঁর হাদী অর্থাৎ কোরবানীর পশু মারওয়া পাহাড়ের কাছ দাঁড়ানো ছিলো। সাঈ শেষ করে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, এটি কোরবানীর জায়গা, মক্কার সকল জায়গাই কোরবানীর জায়গা এরপর মারওয়া পাহাড়ের পাদদেশে সবাই পশু কোরবানী করেন। কোরবানীর পর সেখানেই মাথার চুল কামিয়ে ফেলেন। সাহাবায়ে কেরাম প্রিয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অনুসরণ করেন। এরপর অস্ত্র পাহারা দেয়ার জন্যে কিছুসংখ্যক সাহাবাকে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইয়াজেজে প্রেরণ করেন। সেখানে যারা অস্ত্র পাহারা দিচ্ছিলো এরা যাওয়ার পর তাদের ওমরাহর জন্যে পাঠিয়ে দিতে বলে দেন।
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় তিনদিন অবস্থান করেন। চতুর্থদিন সকালে মোশরেকরা হযরত আলী (রা.)-কে বললো, তোমাদের সাথীকে যেতে বলো, কারণ সময় শেষ হয়ে গেছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা থেকে বেরিয়ে সরফ নামক জায়গায় গিয়ে অবস্থান করলেন।
মক্কা থেকে তাঁর রওয়ানা হওয়ার সময় হযরত হামযা (রা.)-এর কন্যা চাচা চাচা বলতে বলতে তাঁর পিছনে যাচ্ছিল। হযরত আলী (রা.) তাকে সঙ্গে নিয়ে নিলেন। তাকে লালন-পালন করার প্রসঙ্গ নিয়ে হযরত আলী (রা.), হযরত জাফর (রা.) এবং হযরত যায়েদ (রা.)-এর মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। কারণ প্রত্যেকে দাবী করছিলেন, তিনি লালন-পালনের অধিক হকদার। অবশেষে আল্লার রসূল হযরত জাফরের পক্ষে ফয়সালা দেন। কেননা, এই শিশুর খালা ছিলেন হযরত জাফরের সহধর্মিণী।
এই ওমরাহ পালনের সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত মায়মুনা বিনতে হারেছ আমেরিয়াকে বিয়ে করেন। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় পৌঁছার আগে এ উদ্দেশ্যে জাফর ইবনে আবু তালেবকে মায়মুনার কাছে পাঠান। মayমুনা হযরত আব্বাসের ওপর এ দায়িত্ব ন্যস্ত করেন। কেননা, তিনি ছিলেন মায়মুনার দুলাভাই। তার স্ত্রী উম্মুল ফযল ছিলেন মায়মুনার বোন। হযরত আব্বাস (রা.) রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে মায়মুনার বিয়ে দেন। মayমুনাকে আনতে আবু রাফেকে দায়িত্ব দেয়া হয়। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছরফ নামক জায়গায় পৌছার পর মায়মুনাকে তাঁর কাছে পৌঁছে দেয়া হয়।
এই ওমরাহর নাম ওমরাহে কাযা কেন রাখা হয়েছে? এর কারণ হচ্ছে, এই ওমরাহ ছিলো হোদায়বিয়ার সন্ধির সময়ের কাজা ওমরাহ। হোদায়বিয়ার সন্ধি অনুযায়ী এই ওমরাহ পালন করা হয়। উল্লেখিত কারণটিই প্রণিধানযোগ্য। এছাড়া, এই ওমরাহকে চারটি নামে অভিহিত করা হয়। যথা ওমরায়ে কাযা, ওমরায়ে কাযিয়া, ওমরায়ে কেছাছ এবং ওমরাহে ছোলেহ।
টিকাঃ
১. যাদুল মায়াদ, ২য় খন্ড, পৃ. ১৪৯, ১৫০, রহতুল লিল আলামীল, ২য় খন্ড, পৃ. ২২৯, ২৩০, ২৩১, যাদুল মায়াদ, ২য় খন্ড, পৃ. ১৪৮, ১৪৯, ১৫০, তালকিহুল ফুহুম পৃ. ৩১, মুখতাছারুছ সিয়ার শেখ আবদুল্লাহ নজদী, পৃ. ৩২২, ৩২৩, ৩২৪
২. ফতহুল বারী, সপ্তম খন্ড, পৃ. ৫০০
৩. ফতহুল বারী, ৭ম খন্ড, পৃ. ৫০০, যাদুল মায়াদ ২য় খন্ড, পৃ. ১৫১
৪. সহীহ সহীহ বোখারী, ১ম খন্ড, ২১৮, ২য় খন্ড, ৬১০, ৬১১, সহীহ মুসলিম ১ম খন্ড, পৃ. ৪১২
৫. জামে তিরমিযি, ২য় খন্ড, পৃ. ১০৭
৬. সহীহ মুসলিম, ১ম খন্ড, পৃ. ৪১২
৭. যাদুল মায়াদ, ২য় খন্ড, পৃ. ১৫২
৮. যাদুল মায়াদ, ১ম খন্ড, পৃ, ১৭২, ফতহুল বারী, ৭ম খন্ড, পৃ ৫০০।
৯. ফতহুল বারী, ৭ম খন্ড, পৃ. ৫০০