📄 মুসলমানদের রওয়ানা হওয়ার ঘোষণা
রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সঙ্গে মক্কায় যাওয়ার জন্যে মদীনাও আশেপাশে ঘোষণা করে দিলেন। অধিকাংশ আরব ইতস্তত করছিলেন। ইতিমধ্যে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজের জামা-কাপড় পরিষ্কার করলেন। মদীনার দায়িত্ব আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুম মতান্তরে নামিলা লাইসী (রা)-কে প্রদান করলেন। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর কাসওয়া নামক উটনীতে আরোহণ করে ষষ্ঠ হিজরীর পহেলা যিলকদ মক্কা অভিমুখে রওয়ানা হলেন। তাঁর সহধর্মিনী হযরত উম্মে সালমা (রা.) সঙ্গী হলেন। সাহাবাদের মধ্যে চৌদ্দশ, মতান্তরে পনেরশ জন যাত্রা করেন। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মোসাফেরসুলভ অস্ত্র সঙ্গে নিলেন, কোষবদ্ধ তলোয়ার ছাড়া অন্য কোন অস্ত্র নেননি।
রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং মুসলমানরা মক্কাভিমুখে চলছেন। যুল হোলায়ফা নামক জায়গায় পৌছে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর হোদীকে¹ সজ্জিত করলেন। উটের কোহান চিরে চিহ্ন দিলেন। ওমরাহর জন্যে এহরাম বাঁধলেন। তিনি এসব এ কারণেই করলেন যাতে, সবাই নিশ্চিন্ত হতে পারে যে, তিনি কেবল ওমরাহ পালনের জন্যেই যাচ্ছেন, যুদ্ধের কোন ইচ্ছা নেই। কাফেলার আগে খাযাআ গোত্রের একজন গুপ্তচরকে কোরায়শদের মনোভাব জানতে প্রেরণ করা হলো। আসফান নামক জায়গায় পৌছার পর গুপ্তচর এসে খবর দিলো যে, কা'ব ইবনে লুয়াইকে দেখে এলাম। সে আপনার সাথে মোকাবেলা করতে তাদের মিত্র গোত্র আহাবিশ-এর লোকদের সমবেত করছে। এছাড়া অন্যান্য জায়গা থেকেও লোক জড়ো করা হচ্ছে। তারা আপনার সাথে লড়াই করা এবং মক্কায় প্রবেশ রোধে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এ খবর পেয়ে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবাদের সাথে পরামর্শ করলেন।
তিনি বললেন, তোমাদের কি অভিমত? কোরায়শদের সাহায্য সহায়তা করতে যেসব গোত্র প্রস্তুতি নিয়েছে, আমরা কি তাদের এলাকায় গিয়ে হামলা করবো? এরপর যদি তারা চুপচাপ থাকে তবুও যুদ্ধের বিভীষিকা তাদের মন ঘিরে থাকবে। যদি তারা পলায়নপর হয়, তবে আল্লাহর ইচ্ছায় হয়তো কারো না কারো গর্দান কাটা যাবে। নাকি তোমরা চাও যে, আমরা কাবাঘরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবো এবং যারা পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে, তাদের সাথে লড়াই করবো?
একথা শুনে হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) বললেন, আল্লাহ তায়ালা এবং তাঁর রসূলই ভালো জানেন। কিন্তু আমরা তো ওমরাহর উদ্দেশ্যে এসেছি, কারো সাথে লড়াই করতে আসিনি। তবে আমাদের এবং বায়তুল্লাহর মধ্যে যারা অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে তাদের সাথে লড়াই করবো। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ঠিক আছে, চলো। পরে সকলে মক্কাভিমুখে এগিয়ে চললেন।
টিকাঃ
১. 'হোদী' এমন জানোয়ারকে বলা হয়, যে জানোয়ার হজ্জ ও ওমরাহকারীরা মক্কা বা মিনায় যবাই করেন। আইয়ামে জাহেলিয়াতে নিয়ম ছিলো যে, হোদীর পশু ভেড়া বা বকরি হলে চিহ্ন হিসাবে গলায় বস্ত্রখন্ড বেধে দেয়া হতো তবে উট হলে কোহান চিরে রক্ত চিহ্ন দেয়া হতো। এ পশুর কোন ক্ষতি কেউ করতো না। ইসলামী শরীয়তে এই রীতি অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে।
📄 বায়তুল্লাহ থেকে মুসলমানদের ফিরিয়ে রাখার চেষ্টা
এদিকে কোরায়শ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রওয়ানা হওয়ার খবর পেয়ে পরামর্শ সভার বৈঠকে বসে এ মর্মে সিদ্ধান্তে উপনীত হলো যে, যে কোন মূল্যে মুসলমানদের বায়তুল্লাহ থেকে দূরে রাখতে হবে। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আহাবিশ গোত্র পেরিয়ে সফর অব্যাহত রাখলে বনি কা'ব গোত্রের একজন লোক এসে বললো, কোরায়শরা যী তাওয়া নামক জায়গায় অবস্থান গ্রহণ করেছে। খালেদ ইবনে ওলীদ দু'শো সওয়ারের এক বাহিনী নিয়ে কুরাউল গামিম-এ প্রস্তুত হয়ে রয়েছে। এই স্থান মক্কাভিমুখী প্রধান সড়কে অবস্থিত। খালেদ ইবনে ওলীদ মুসলমানদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করলো। সে তার সৈন্যদলকে এমন জায়গায় রাখলো, যে জায়গা থেকে উভয় পক্ষ পরস্পরকে দেখতে পায়।
মুসলমানদের যোহরের নামায আদায়ের সময় খালেদ লক্ষ্য করলেন যে, মুসলমানরা রুকু সেজদা করছে। খালেদ নামায শেষে মন্তব্য করলো যে, নামাযের সময় ওরা গাফেল ছিলো। এ সময়ে যদি আমরা হামলা করতাম, তবে ওদের কাবু করতে পারতাম। এরপর খালেদ সিদ্ধান্ত নিলো যে, আছরের নামাযের সময় মুসলমানরা যখন নামাযে দাঁড়াবে তখন হঠাৎ করে তাদের ওপর হামলা করতে হবে। আল্লাহ তায়ালা সেই সময়ে সালাতুল খাওফ-এর নির্দেশ দেন। খালেদ ইবনে ওলীদ ইচ্ছা থাকা সত্তেও মুসলমানদের ওপর হামলা করতে পারেনি।
রক্তাক্ত সংঘাত এড়িয়ে চলার চেষ্টা এদিকে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুরাউল গামিমের প্রধান সড়ক ছেড়ে অন্য এক পথ ধরে অগ্রসর হলেন। পাহাড়ী এলাকা দিয়ে ছিলো সেই পথ। অর্থাৎ ডান দিকে ঘুরে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হামশ-এর মাঝখান দিয়ে এমন এক পথে গেলেন, যে পথ সানিয়াতুল মারার নামক জায়গায় গিয়ে ঠেকেছে। ছানিয়াতুল মারার থেকে তাঁরা গেলেন হুদায়বিয়া। এই স্থান ছিলো মক্কার অদূরে। কুরাউল গামিম থেকে অন্য পথে মুসলমানদের যেতে দেখে অর্থাৎ পথ পরিবর্তন করতে দেখে খালেদ কোরায়শদের নয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে সঙ্গীদের নিয়ে দ্রুত মক্কায় গেলো।
এদিকে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সফর অব্যাহত রাখলেন। সানিয়াতুল মারার নামক জায়গায় পৌছার পর উটনী বসে গেলো। লোকেরা বললো, হল্ হল্। কিন্তু উটনী বসেই রইল। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, এই উটনীর তো এভাবে বসে পড়ার অভ্যাস নেই। তিনি একে থামিয়ে রেখেছেন যিনি হাতিকে থামিয়ে দিয়েছিলেন। এরপর তিনি বললেন, সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, ওরা এমন কিছু দাবী করবে না যাতে আল্লাহর নিষিদ্ধ কাজের প্রতি শ্রদ্ধার প্রমাণ থাকবে। কিন্তু আমি অবশ্যই তা মেনে নেব। এরপর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উটনীকে ওঠার জন্যে তাকিদ দিতেই উটনী উঠে দাঁড়ালো। এরপর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পথের কিঞ্চিৎ পরিবর্তন করে হোদায়বিয়ায় একটি জলাশয়ের কাছে অবতরণ করলেন। জলাশয়ে পানির পরিমাণ বেশী ছিলো না। অল্প অল্প করে নেয়ার পর কিছুক্ষণের মধ্যেই পানি শেষ হয়ে গেলো। সাহাবারা আল্লাহর রসূলের কাছে পিপাসার কথা জানালেন। তিনি শরাধার থেকে একটি তীর বের করে সেটি জলাশয়ে নিক্ষেপের নির্দেশ দিলেন। সাহাবারা তাই করলেন। জলাশয় থেকে এরপর অবিরল ধারায় পানি উঠতে শুরু করলো এবং সাহাবাদের পানির কষ্ট দূর হয়ে গেলো।
বুদাইল ইবনে ওরাকার আগমন রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিশ্চিত মনে অবস্থানের এক পর্যায়ে খাযাআ গোত্রের বুদাইল ইবনে ওরাকা খাজাআ গোত্রের কয়েকজন লোকসহ আল্লাহর রসূলের সাথে সাক্ষাতের জন্যে এলেন। তোহামার অধিবাসীদের মধ্যে এই গোত্রের লোকেরা ছিলো আল্লাহর রসূল ও মুসলমানদের হিতাকাঙ্খী। বুদাইল বললেন, আমি কা'ব ইবনে হুওয়ায়কে দেখে এলাম যে হোদায়বিয়ার পর্যাপ্ত পানির জলাশয় নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। তার সঙ্গে নারী ও শিশুরা রয়েছে। সে আপনার সাথে লড়াই করতে এবং বায়তুল্লাহ থেকে আপনাদের দূরে রাখার জন্যে সংকল্পবদ্ধ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আমরা কারো সাথে লড়াই করতে আসিনি। লড়াই কোরায়শদের ভেঙ্গে ফেলেছে এবং মারাত্মক ক্ষতি করেছে। কাজেই তারা যদি চায় তবে আমি তাদের সাথে একটা সময় নির্ধারণ করে নেব এবং তারা আমার ও আমার লোকদের মাঝখান থেকে সরে যাবে। যদি তারা চায় তবে লোকেরা যে বিষয়ে প্রবেশ করেছে, সে সম্পর্কেও গাফেল হয়ে যাবে, অন্যথায় তারা শান্তি তো লাভ করবে। যদি তারা লড়াই ছাড়া অন্য কোন ব্যবস্থায় রাজি না হয় তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, আমি দ্বীনের ব্যাপারে ততক্ষণ যাবত তাদের সাথে লড়াই করবো, যতক্ষণ পর্যন্ত আমার দেহে প্রাণ থাকে অথবা যতক্ষণ যাবত আল্লাহর ইচ্ছার বাস্তবায়ন না ঘটে।
বুদাইল বললেন, আপনার বক্তব্য আমি কোরায়শদের কাছে পৌঁছে দেব। পরে তিনি কোরায়শদের কাছে গিয়ে বললেন, আমি ওদের কাছ থেকে আসছি। আমি তাদের কাছে একটা কথা শুনেছি, যদি তোমরা শুনতে চাও তবে বলতে পারি। নির্বোধরা বললো, আমাদের শোনার দরকার নেই। আমরা তাদের কোন কথা শুনতে চাই না। বুদ্ধি-বিবেকসম্পন্ন কয়েকজন বললো, শোনো তো দেখি, কি বলেছে? বুদাইল সবকথা খুলে বললেন। এরপর কোরায়শরা মোকরেয ইবনে হাফসকে প্রতিনিধি হিসাবে প্রেরণ করলো। তাকে দেখে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, এই লোকটি বিশ্বাসঘাতক। মোকরেয এসে আল্লাহর রসূলের সাথে আলাপ করার পর তিনি এর আগে বুদাইলকে যেসব কথা বলেছিলেন, সেসব কথাই বললেন, মোকরেয ফিরে গিয়ে কোরায়শদের কাছে সব কথা জানালো।
📄 রক্তাক্ত সংঘাত এড়িয়ে চলার চেষ্টা
এদিকে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কুরাউল গামিমের প্রধান সড়ক ছেড়ে অন্য এক পথ ধরে অগ্রসর হলেন। পাহাড়ী এলাকা দিয়ে ছিলো সেই পথ। অর্থাৎ ডান দিকে ঘুরে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হামশ-এর মাঝখান দিয়ে এমন এক পথে গেলেন, যে পথ সানিয়াতুল মারার নামক জায়গায় গিয়ে ঠেকেছে। ছানিয়াতুল মারার থেকে তাঁরা গেলেন হুদায়বিয়া। এই স্থান ছিলো মক্কার অদূরে। কুরাউল গামিম থেকে অন্য পথে মুসলমানদের যেতে দেখে অর্থাৎ পথ পরিবর্তন করতে দেখে খালেদ কোরায়শদের নয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করতে সঙ্গীদের নিয়ে দ্রুত মক্কায় গেলো।
📄 বুদাইল ইবনে ওয়ারাকার আগমন
রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিশ্চিত মনে অবস্থানের এক পর্যায়ে খাযাআ গোত্রের বুদাইল ইবনে ওরাকা খাজাআ গোত্রের কয়েকজন লোকসহ আল্লাহর রসূলের সাথে সাক্ষাতের জন্যে এলেন। তোহামার অধিবাসীদের মধ্যে এই গোত্রের লোকেরা ছিলো আল্লাহর রসূল ও মুসলমানদের হিতাকাঙ্খী। বুদাইল বললেন, আমি কা'ব ইবনে হুওয়ায়কে দেখে এলাম যে হোদায়বিয়ার পর্যাপ্ত পানির জলাশয় নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। তার সঙ্গে নারী ও শিশুরা রয়েছে। সে আপনার সাথে লড়াই করতে এবং বায়তুল্লাহ থেকে আপনাদের দূরে রাখার জন্যে সংকল্পবদ্ধ। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আমরা কারো সাথে লড়াই করতে আসিনি। লড়াই কোরায়শদের ভেঙ্গে ফেলেছে এবং মারাত্মক ক্ষতি করেছে। কাজেই তারা যদি চায় তবে আমি তাদের সাথে একটা সময় নির্ধারণ করে নেব এবং তারা আমার ও আমার লোকদের মাঝখান থেকে সরে যাবে। যদি তারা চায় তবে লোকেরা যে বিষয়ে প্রবেশ করেছে, সে সম্পর্কেও গাফেল হয়ে যাবে, অন্যথায় তারা শান্তি তো লাভ করবে। যদি তারা লড়াই ছাড়া অন্য কোন ব্যবস্থায় রাজি না হয় তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, আমি দ্বীনের ব্যাপারে ততক্ষণ যাবত তাদের সাথে লড়াই করবো, যতক্ষণ পর্যন্ত আমার দেহে প্রাণ থাকে অথবা যতক্ষণ যাবত আল্লাহর ইচ্ছার বাস্তবায়ন না ঘটে।
বুদাইল বললেন, আপনার বক্তব্য আমি কোরায়শদের কাছে পৌঁছে দেব। পরে তিনি কোরায়শদের কাছে গিয়ে বললেন, আমি ওদের কাছ থেকে আসছি। আমি তাদের কাছে একটা কথা শুনেছি, যদি তোমরা শুনতে চাও তবে বলতে পারি। নির্বোধরা বললো, আমাদের শোনার দরকার নেই। আমরা তাদের কোন কথা শুনতে চাই না। বুদ্ধি-বিবেকসম্পন্ন কয়েকজন বললো, শোনো তো দেখি, কি বলেছে? বুদাইল সবকথা খুলে বললেন। এরপর কোরায়শরা মোকরেয ইবনে হাফসকে প্রতিনিধি হিসাবে প্রেরণ করলো। তাকে দেখে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, এই লোকটি বিশ্বাসঘাতক। মোকরেয এসে আল্লাহর রসূলের সাথে আলাপ করার পর তিনি এর আগে বুদাইলকে যেসব কথা বলেছিলেন, সেসব কথাই বললেন, মোকরেয ফিরে গিয়ে কোরায়শদের কাছে সব কথা জানালো।