📘 আর রাহিকুল মাখতুম > 📄 যমযম কূপের খনন কাজ

📄 যমযম কূপের খনন কাজ


এই ঘটনার সারমর্ম এই যে, আবদুল মোত্তালেব স্বপ্নে দেখলেন যে, তাঁকে যমযম কূপ খননের আদেশ দেয়া হচ্ছে। স্বপ্নের মধ্যেই তাকে জায়গাও দেখিয়ে দেয়া হলো। ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার পর তিনি যমযম কূপ খনন শুরু করলেন। পর্যায়ক্রমে দু'টি জিনিস আবিষ্কৃত হলো। এগুলো বনু জোরহাম গোত্র মক্কা থেকে চলে যাওয়ার সময় যমযমের ভেতর ফেলে দিয়েছিলো। এগুলো হচ্ছে তলোয়ার, অলংকার এবং সোনার দু'টি হরিণ। আবদুল মোত্তালেব উদ্ধারকৃত তলোয়ার দিয়ে কাবার দরোজা লাগালেন। সোনার দু'টি হরিণও দরোজায় ফিট করলেন এবং হাজীদের যমযম কূপের পানি পান করানোর ব্যবস্থা করলেন।

যমযম কূপ আবিষ্কৃত হওয়ার পর কোরায়শরা আবদুল মোত্তালেবের সাথে ঝগড়া শুরু করলো। তারা দাবী করলো যে, আমাদেরও খনন কাজে যুক্ত করা হোক। আবদুল মোত্তালেব বললেন, আমি সেটা করতে পারি না। আমাকেই এ কাজের জন্যে নির্দিষ্ট করা হয়েছে। কিন্তু কোরায়শরা মানতে চাইলো না। অবশেষে ফয়সালার জন্যে সবাই বনু সা'দ গোত্রের একজন জ্যোতিষী মহিলার কাছ গেলে। কিন্তু যাওয়ার পথে তারা কিছু বিস্ময়কর নির্দশন দেখলো। এতে তারা বুঝতে পারলো যে, কুদরতীভাবেই যমযম কূপ খননের দায়িত্ব আবদুল মোত্তালেবকে দেয়া হয়েছে। তাই বিবাদকারী কোরাশয়রা পথ থেকেই ফিরে এলো। এই সময়েই আবদুল মোত্তালেব মানত করেছিলেন যে, আল্লাহ তায়ালা যদি তাকে দশটি পুত্র দেন এবং তারা নিজেদের রক্ষার মতো বয়সে উন্নীত হয়, তবে একজনকে কাবার পাশে আল্লাহর নামে কোরবানী করবেন।⁸

টিকাঃ
৮. ইবনে হিশাম ১ম খন্ড, পৃ. ১৪২-১৪৭

📘 আর রাহিকুল মাখতুম > 📄 হস্তী যুদ্ধের ঘটনা

📄 হস্তী যুদ্ধের ঘটনা


দ্বিতীয় ঘটনার সারমর্ম এই যে, আবিসিনিয়ার বাদশাহ নাজ্জাশীর পক্ষ থেকে আবরাহা সাবাহ হাবশী ইয়েমেনের গভর্ণর জেনারেল ছিলো। আবরাহা লক্ষ্য করলো যে, আরবের লোকেরা কাবাঘরে হজ্জ পালনের জন্যে যাচ্ছে। এটা দেখে সে সানয়ায় একটি গীর্জা তৈরী করলো। সে চাচ্ছিলো যে, আরবের লোকেরা হজ্জ পালনের জন্যে মক্কায় না গিয়ে সানয়ায় যাবে। এ খবর জানার পর বনু কেনানা গোত্রের একজন লোক আবরাহার নির্মিত গীর্জার ভেতর প্রবেশ করে গীর্জার মেহরাবে পায়খানা করে এলো। আবরাহা এ খবর পেয়ে ভীষণ ক্রুদ্ধ হয়ে ষাট হাজার দুর্ধর্ষ সৈন্য নিয়ে কাবাঘর ধ্বংস করতে অগ্রসর হলো। নিজের জন্যে সে একটি বিশাল হাতী ব্যবস্থা করলো। তার বাহিনীতে মোট নয় বা তেরোটি হাতী ছিলো। আবরাহা ইয়েমেন থেকে মোগাম্মাস নামক জায়গায় পৌঁছে সৈন্যদের বিন্যস্ত করলো। মক্কায় প্রবেশের পর মোযদালেফা এবং মিনার মধ্যবর্তী মোহাসের প্রান্তরে পৌঁছুলে সব হাতী বসে পড়লো। অনেক চেষ্টার পরও কাবার দিকে যাওয়ার জন্যে হাতীকে উঠানো সম্ভব হলো না। চেষ্টা করলে হাতী উঠে উত্তর, দক্ষিণ বা পূর্ব দিকে দৌড়াতে শুরু করতো। কিন্তু কাবার দিকে নেয়ার চেষ্টা করলেই বসে পড়তো। এ সময় আল্লাহ তায়ালা এক পাল চড়ই পাখি প্রেরণ করলেন। পাখিরা মুখে ছোট ছোট পাথর বহন করছিলো। এসব পাথর তারা সৈন্যদের ওপর নিক্ষেপ করলো। এর মাধ্যমে আবরাহার সেনাদল ভূষির মতো নাস্তানাবুদ হয়ে গেলো। চড়ুই পাখিগুলো ছিলো আবাবিলের মতো। প্রতিটি পাখি তিনটি পাথর বহন করছিলো। একটি মুখে, অন্য দু'টি দুই পাখার নীচে। পাথরগুলো ছিলো মটরশুঁটির মত। যার গায়ে সে পাথর পড়তো, তার অঙ্গ প্রত্যঙ্গ খসে পড়তে শুরু করতো এবং সে মরে যেতো। প্রত্যেকের গায়ে এ পাথর পড়েনি। কিন্তু সেনাদলের মধ্যে এমন আতঙ্ক এবং বিভীষিকা সৃষ্টি হলো যে, সবাই এলোপাতাড়ি পালাতে শুরু করলো। এরপর তারা এখানে সেখানে পড়ে মরতে লাগলো। এদিকে আবরাহার ওপর আল্লাহ তায়ালা এমন গযব নাযিল করলেন যে, তার হাতের আঙ্গুল খসে পড়তে শুরু করলো। সানয়ায় পৌছুতে পৌছুতে তার মৃত্যু ঘনিয়ে এলো। কলিজা ফেটে বাইরে এসে মর্মান্তিকভাবে সে মৃত্যুবরণ করলো।

আবরাহার এ হামলার সময় মক্কার অধিবাসীরা প্রাণভয়ে পাহাড়ে প্রান্তরে ছড়িয়ে পড়লো এবং পাহাড়ের গুহায় গিয়ে আত্মগোপন করলো। সেনাদলের ওপর আল্লাহর আযাব অবতীর্ণ হলে তারা নিশ্চিন্তে নিজ নিজ বাড়িঘরে ফিরে গেলো।⁹

উল্লিখিত ঘটনা অধিকাংশ সীরাত রচয়িতার অভিমত অনুযায়ী রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মের পঞ্চাশ বা পঞ্চান্ন দিন আগে ঘটে। সেটি ছিলো মহররম মাস। ৫৭ ১ ঈসায়ী সালের ফেব্রুয়ারীর শেষ বা মার্চের শুরুতে এ ঘটনা ঘটেছিলো। প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ তায়ালা তাঁর নবী এবং তাঁর পবিত্র ঘর কাবা শরীফকে কেন্দ্র করে এর ভূমিকাস্বরূপ এ ঘটনা ঘটিয়েছিলেন। যেমন ৫৮৭ সালে বখতে নসর বায়তুল মাকদেস দখল করেছিলো। এর আগে ৭০ সালে রোমকরা বায়তুল মাকদেস অধিকার করেছিলো। পক্ষান্তরে কাবার ওপর খৃস্টানরা কখনোই আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি। অথচ সে সময় ঈসায়ী বা খৃস্টানরা ছিলো আল্লাহ বিশ্বাসী মুসলমান এবং কাবার অধিকারীরা ছিলো পৌত্তলিক।

হস্তীযুদ্ধের ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পরপরই অল্প সময়ের মধ্যেই তদনীন্তন উন্নত দেশ হিসাবে পরিচিত রোম এবং পারস্যে এ খবর পৌঁছে গিয়েছিলো। কেননা মক্কার সাথে রোমকদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিলো। অন্যদিকে রোমকদের ওপর পারসিকদের সব সময় নযর থাকতো। রোমক এবং তাদের শত্রুদের যাবতীয় ঘটনা পারস্য বা পারসিকরা পর্যবেক্ষণ করতো। তাই দেখা যায় যে, আবরাহার পতনের পর পরই পারস্যবাসীরা ইয়েমেন দখল করে নেয়। সে সময়কার বিশ্বে পারস্য এবং রোম উন্নত ও সভ্য দেশ হিসাবে পরিচিত থাকায় বিশ্ব মানবের দৃষ্টি কাবার প্রতি নিবদ্ধ হলো। কাবাঘরের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের সুস্পষ্ট প্রমাণ তারা প্রত্যক্ষ করলো। তারা বুঝতে পারলো যে, এই ঘরকে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র ঘর হিসাবে মনোনীত করেছেন। কাজেই মক্কার জনপদ থেকে নবুয়তের দাবীসহ কারো উত্থান অবশ্য সমীচীন। এদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের বিপরীত মেরুতে অবস্থানকারী পৌত্তলিকদের আল্লাহ তায়ালা কেন সাহায্য করেছিলেন, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আবির্ভাবের কথা চিন্তা করলে তা বুঝতে মোটেও অসুবিধা হয় না।

আবদুল মোত্তালেবের পুত্র ছিলো দশজন। তারা হলো: হারেস, যোবায়ের, আবু তালেব, আবদুল্লাহ, হামযা, আবু লাহাব, গাইদাক, মাকহুম, সাফার এবং আব্বাস। কেউ কেউ বলেছেন, এগারোজন। একজনের ছিলো কাছাম। কেউ বলেছেন, তেরোজন। একজনের নাম ছিলো আবদুল কাবা, অন্যজন ছিলো হোজাল'। যারা দশজন পুত্র বলে উল্লেখ করেছেন তারা বলেন, মুকাওয়ামের আরেক নাম ছিলো আবদুল কাবা আর গাইদাকের আরেক নাম ছিলো হোজাল। কাছাম নামে আবদুল মোত্তালেবের কোন পুত্র ছিলো না। আবদুল মোত্তালেবের কন্যা ছিলো ছয়জন। তাদের নাম, উম্মুল হাকিম (এর অন্য নাম বায়জা), বাররা, আতেকা, সাফিয়া, আরোয়া ও উমাইমা।¹⁰ (তিন) আবদুল্লাহ ছিলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পিতা। আবদুল্লাহর মায়ের নাম ছিলো ফাতেমা। তিনি ছিলেন আমর ইবনে আবেদ ইবনে এমরান ইবনে মাখযুম ইবনে ইবনে ইয়াকজা ইবনে মাররার কন্যা। আবদুল মোত্তালেবের সন্তানদের মধ্যে আবদুল্লাহ ছিলেন সবচেয়ে সুদর্শন, সচ্চরিত্র এবং স্নেহভাজন। তাঁকে বলা হতো যবীহ বা যবাইকৃত। এরূপ বলার কারণ ছিলো এই যে, আবদুল মোত্তালেবের পুত্রদের সংখ্যা দশ হয়ে যাওয়ার পর এবং তারা নিজেদের রক্ষায় সমর্থ হওয়ার মতো বয়সে উন্নীত হওয়ার পর আবদুল মোত্তালেব তাদেরকে নিজের মানতের কথা জানান। সবাই মেনে নেন। এরপর আবদুল মোত্তালেব ভাগ্য পরীক্ষার তীরের গায়ে তাদের সকলের নাম লিখলেন। লেখার পর হোবাল মূর্তির তত্ত্বাবধায়কের হাতে দিলেন। তত্ত্বাবধায়ক লটারি করার পর আবদুল্লাহর নাম উঠলো। আবদুল মোত্তালেব আবদুল্লাহর হাত ধরলেন, ছুরি নিয়ে যবাই করতে কাবাঘরের পাশে নিয়ে গেলেন। কিন্তু সকল কোরায়শ বিশেষত আবদুল্লাহর ভাই আবু তালেব বাধা দিলেন। আবদুল মোত্তালেব বললেন, তোমরা যদি বাধা দাও তবে আমি মানত পূর্ণ করব কিভাবে? তারা পরামর্শ দিলেন যে, আপনি কোন মহিলা সাধকের কাছে গিয়ে এর সমাধান চান। আবদুল মোত্তালেব এক মহিলা সাধকের কাছে গেলেন। সেই সাধক আবদুল্লাহ এবং দশটি উটের নাম লিখে লটারি করার পরামর্শ দিলেন। তবে বললেন, যদি আবদুল্লাহর নাম না উঠে তবে দশটি করে উট বাড়াতে থাকবেন, যতোক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ খুশি না হন। এরপর যতোটি উটের নাম লটারিতে উঠবে ততোটি যবাই করবেন। আবদুল মোত্তালেব ফিরে গিয়ে কোরা অর্থাৎ লটারি করতে শুরু করলেন। প্রথম দশটিতে আবদুল্লাহর নাম এলো না। এরপর দশটি করে বাড়াতে লাগলেন। একশত উট হওয়ার পর আবদুল্লাহর নাম উঠলো। এরপর আবদুল মোত্তালেব একশত উট যবাই করে সেখানেই ফেলে রাখলেন। মানুষ এবং পশু কারো জন্যে তা নিতে বাধা ছিলো না। এ ঘটনার আগ পর্যন্ত কোরায়শ এবং আরবদের মধ্যে রক্ত ঋণের পরিমাণ ছিলো দশটি উট। কিন্তু এর পর পরিমাণ বাড়িয়ে একশত উট করা হলো। ইসলামও এই পরিমাণ অব্যাহত রাখে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমি দুইজন যবীহের সন্তান। একজন হযরত ইসমাইল (আ.) অন্যজন আমার পিতা আবদুল্লাহ।¹¹

আবদুল মোত্তালেব তাঁর পুত্র আবদুল্লাহর বিয়ের জন্যে আমেনাকে মনোনীত করেন। আমেনা ছিলেন ওয়াহাব ইবনে আবদে মান্নাফ ইবনে যোহরা ইবনে কেলাবের কন্যা। এরা বংশ মর্যাদায় কোরায়শদের মধ্যে সর্বোত্তম বলে বিবেচিত হতো। আমেনার পিতা বংশ মর্যাদা এবং অভিজাত্যে বনু যোহরা গোত্রের সর্দার ছিলেন। বিবি আমেনা বিয়ের পর পিত্রালয় থেকে বিদায় নিয়ে স্বামীগৃহে আগমন করেন। কিছুদিন পর আবদুল মোত্তালেব আবদুল্লাহকে খেজুর আনতে মদীনায় পাঠান। আবদুল্লাহ সেখানে ইন্তেকাল করেন।

কোন কোন সীরাত রচয়িতা লিখেছেন যে, আবদুল্লাহ ব্যবসার উদ্দেশ্যে সিরিয়া গিয়েছিলেন। কোরায়শদের একটি বাণিজ্য কাফেলার সাথে মক্কায় ফিরে আসার সময় অসুস্থ হয়ে মদীনায় অবতরণ করে সেখানে ইন্তেকাল করেন। নাবেগা যাআদীর বাড়িতে তাঁকে দাফন করা হয়। সে সময় তাঁর বয়স ছিলো পঁচিশ বছর। অবশ্য অধিকাংশ ঐতিহাসিকের মতে রসূল তখনো জন্মগ্রহণ করেননি। কারো কারো মতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্ম তার পিতার ইন্তেকালের দু'মাস আগে হয়েছিলো।¹²

স্বামীর মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার পর আমেনা বেদনা মথিত কণ্ঠে আবৃত্তি করলেন, 'বাতহার যমীন হাশেমের বংশধর থেকে খালি হয়ে গেছে। মৃত্যু তাকে এক ডাক দিয়েছে এবং তিনি 'আমি হাযির' বলেছেন। তিনি রাঙ্গ ও খুরুশের মধ্যবর্তী এক জায়গায় শায়িত রয়েছেন। মৃত্যু এখন ইবনে হাশেমের মতো কোন লোক রেখে যায়নি। সেই বিকেলের কথা মনে পড়ে, যখন তাঁকে লোকেরা খাটিয়ায় তুলে নিয়ে গিয়েছিলো। মৃত্যু যদিও তাঁর অস্তিত্ব মুছে দিয়েছে, কিন্তু তাঁর কীর্তি মুছে দিতে পারবে না। তিনি ছিলেন বড় দাতা এবং দয়ালু।¹³

মৃত্যুকালে তিনি যেসব জিনিস রেখে গিয়েছিলেন সেসব হচ্ছে পাঁচটি উট, এক পাল বকরি, একটি হাবশী দাসী। সেই দাসীর নাম ছিলো বরকত, কুনিয়ত ছিলো উম্মে আয়মন। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দুধ খাইয়েছিলেন।¹⁴

টিকাঃ
৯. ইবনে হিশাম, ১ম খন্ড, পৃ. ৪৩, ৫৬
১০. তালকিহুল ফুহুম পৃ. ৮, ৯, রহমাতুল লিল আলামিন ২য় খন্ড, পৃ. ৫৬, ৬৬
১১. ইবনে হিশাম, ১ম খন্ড, পৃ. ১৫১-১৫৫, রহমাতুললিল আলামিন, ২য় খন্ড, পৃ. ৮৯, ৯০, মুখতাছার সীরাতে রাহুল শেখ আবদুল ওয়াহাব নজদী, পৃ. ২২, ২৩
১২ ইবনে হিশাম, ১ম খন্ড, পৃ. ১৫৬, ১৫৮, ফেকহুস সিয়ার, মোহাম্মদ গাযালী, পৃ.. ৪৫, রহমাতুল লিল আলামিন, ২য় খন্ড পৃ. ৯১,
১৩. তাবাকাতে ইবনে সা'দ ১ম খন্ড, পৃ. ৬২
১৪, মুখতাছারুছ সীরাত, শেখ আবদুল্লাহ, পৃ. ১২ তালাকিহুল ফুহুম, পৃ. ১৪, সহীহ মুসলিম ২য় খন্ড পৃ. ৯৬

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00