📄 আল্লাহ্, তাঁর কিতাব সমূহ ও তাঁর রাসূলগণের প্রতি ঈমান
এই অধ্যায়ে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছেঃ
প্রথম পরিচ্ছেদঃ একথার প্রতি ঈমান রাখা যে, কুরাআনে করীম আল্লাহর নাযিলকৃত বাণী, তাঁর সৃষ্টি নয়।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদঃ একথার প্রতি বিশ্বাস যে, মুমিনগণ কিয়ামত দিবসে তাদের প্রতি-পালককে দেখবেন।
📄 এ কথার প্রতি বিশ্বাস যে, কুরআন আল্লাহর নাযিলকৃত বাণী, যা সৃষ্টি নয়
১৬৭- একথার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা যে, কুরআন করীম আল্লাহর অবতরণকৃত বাণী, যা সৃষ্টি নয়। (বরং তা আল্লাহর একটি গুণ)।
১৬৮- আল্ কুরআনের সূত্রপাত আল্লাহ হতেই এবং তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তন করবে।
১৫৯- আর মহান আল্লাহ সত্যিকারে সঠিক অর্থে কুরআন করীম নিজ ভাষায় বলেছেন।
১৭০- আর এই কুরআন যা মহান আল্লাহ স্বীয় নবী মুহাম্মদ ﷺ এর প্রতি নাযিল করেছেন। তা সত্যিকার আল্লাহর বাণী, অন্য কোন ব্যক্তির বাণী নয়।
১৭১- একথা বলা সঠিক নয় যে, আল্ কুরআন আল্লাহর বাণীর নকল অথবা তাঁর বাণীর নাম মাত্র।
১৭২- বরং যখন মানুষ তা পাঠ করে বা মুসহাফে লিখে, তখন তা সত্যিকার আল্লাহর বাণীর আওতা হতে বের হয়ে যায়না। কারণ কোন বাণী আসলে তারই বলে অভিহিত করা যায়, যে প্রথম সে বাণী বলে থাকে। তার বাণী কখনও বলা যায়না, যে ব্যক্তি সেই বাণী পৌঁছাবার উদ্দেশ্যে বলে থাকে।
১৭৩- আল্ কুরআনের অক্ষর সমূহ ও তার ভাব, সমস্ত আল্লাহর রাণী। আল্লাহর বাণীর ভাব বাদ দিয়ে শুধু অক্ষরসমূহ আল্লাহর বাণী নয় এবং অক্ষর বাদ দিয়ে শুধু ভাবটুকুই আল্লাহর বাণী নয়।
📄 মুমিনগণ কিয়ামতের দিবসে তাঁদের পালনকর্তাকে দেখবেন
১৭৪- একথার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা অপরিহার্য যে, মুমিনগণ কিয়ামতের দিবসে আল্লাহকে স্বচক্ষে দেখবেন। যেভাবে সূর্য পরিষ্কার ভাবে এমন আকাশে দেখা যায়, যাতে কোন রকম মেঘের আবরণ না থাকে। আর যেমন পূর্ণিমার চাঁদ দেখে থাকে এবং তা দেখতে কোন কষ্ট হয়না।
১৭৫- মুমিনগণ কিয়ামতের ময়দানে আল্লাহ পাককে দেখবেন।
১৭৬- অতঃপর মুমিনগণ জান্নাতে যাওয়ার পর মহান আল্লাহ পাক যেমন ভাবে চাইবেন, তাঁরা তাঁকে দেখতে থাকবেন।
📄 পরকালের প্রতি বিশ্বাস
এতে দুটো পরিচ্ছেদ রয়েছেঃ
প্রথম পরিচ্ছেদঃ সে সমস্ত বস্তুর প্রতি ঈমান ও বিশ্বাস স্থাপন করা, যা মরণের পর হবে বলে নবী ﷺ জানিয়েছেন।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদঃ মহাপ্রলয় (কিয়ামত) ও তার ভয়ঙ্কর অবস্থা।