📘 আক্বীদা ওয়াসেত্বিয়া > 📄 আল্লাহ্ তাঁর সৃষ্টির উর্দ্ধে হওয়ার প্রমাণ

📄 আল্লাহ্ তাঁর সৃষ্টির উর্দ্ধে হওয়ার প্রমাণ


আল্লাহ তাঁর সৃষ্টির উর্দ্ধে হওয়ার প্রমাণ
৯৩- মহান আল্লাহ বলেনঃ
يَا عِيسَى إِنِّي مُتَوَفِّيكَ وَرَافِعُكَ إِلَيَّ [ ال عمران : ده ]
অর্থাৎ- হে ঈসা আমি তোমাকে গ্রহন করে নিব এবং আমার নিকট উঠিয়ে আনব। (আল-ইমরানঃ ৫৫)
৯৪- তিনি আরো বলেনঃ
بل رفعه الله إليه [ النساء : ١٥٨ ]
অর্থাৎ- এবং আল্লাহ তাঁর দিকে তাকে উঠিয়ে নিয়েছেন।
(আননিসাঃ ১৫৮)
৯৫- তিনি আরো বলেনঃ
إليه يصعد الكلم الطيب والعمل الصالح يرفعه [فاطر: ١٠]
অর্থাৎ- তাঁর নিকটেই পবিত্র বাণী সমূহ আরোহণ করে থাকে এবং সৎকর্মকে উন্নীত করে থাকে। (ফাতিরঃ ১০)
৯৬- আল্লাহর বাণীঃ
ياهامان ابن لي صرحا لعلي أبلغ الأسباب * أسباب السموات فأضع
إلى إله موسى وإني لأظنه كاذبا [ غافر : ٣٦-٣٧ ]
অর্থাৎ- হে হামান তুমি আমার জন্য একটি সুউচ্চ প্রাসাদ নির্মাণ কর যাতে আমি অবলম্বন পেতে পারি। আসমানে আরোহনের অবলম্বন। ফলে আমি মূসার ইলাহকে দেখতে পাব। আমি তো তাকে মিথ্যাবাদীই মনে করি। (আল মুমিনঃ ৩৬-৩৭)
৯৭- আল্লাহ বলেনঃ
د منتم من في السماء أن يخسف بكم الأرض فإذا هي تمور * أم
منتم من في السماء أن يرسل عليكم حاصبا فستعلمون كيف نذير
الملك : ١٦-١٧ ]
অর্থাৎ- তোমরা কি নিরাপদ হতে পেরেছ যে, যিনি আকাশে অবস্থিত রয়েছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দিবেন না? তখন আকস্মিক ভাবে জমীন থর থর করে কাঁপতে থাকবে। অথবা তোমরা কি নিরাপদ হতে পেরেছ যে, আকাশের অধিপতি তোমাদের উপর কঙ্কর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন না? তখন তোমরা জানতে পারবে যে, আমার সতর্কবাণী কিরূপ ছিল
(আল মুল্কঃ ১৬-১৭)

৯৩- মহান আল্লাহ বলেনঃ
يَا عِيسَى إِنِّي مُتَوَفِّيكَ وَرَافِعُكَ إِلَيَّ [ ال عمران : ৫৫ ]
অর্থাৎ- হে ঈসা আমি তোমাকে গ্রহন করে নিব এবং আমার নিকট উঠিয়ে আনব। (আল-ইমরানঃ ৫৫)
৯৪- তিনি আরো বলেনঃ
بل رفعه الله إليه [ النساء : ১৫৮ ]
অর্থাৎ- এবং আল্লাহ তাঁর দিকে তাকে উঠিয়ে নিয়েছেন।
(আননিসাঃ ১৫৮)
৯৫- তিনি আরো বলেনঃ
إليه يصعد الكلم الطيب والعمل الصالح يرفعه [فاطر: ১০]
অর্থাৎ- তাঁর নিকটেই পবিত্র বাণী সমূহ আরোহণ করে থাকে এবং সৎকর্মকে উন্নীত করে থাকে। (ফাতিরঃ ১০)
৯৬- আল্লাহর বাণীঃ
ياهامان ابن لي صرحا لعلي أبلغ الأسباب * أسباب السموات فأضع
إلى إله موسى وإني لأظنه كاذبا [ غافر : ৩৬-৩৭ ]
অর্থাৎ- হে হামান তুমি আমার জন্য একটি সুউচ্চ প্রাসাদ নির্মাণ কর যাতে আমি অবলম্বন পেতে পারি। আসমানে আরোহনের অবলম্বন। ফলে আমি মূসার ইলাহকে দেখতে পাব। আমি তো তাকে মিথ্যাবাদীই মনে করি। (আল মুমিনঃ ৩৬-৩৭)
৯৭- আল্লাহ বলেনঃ
দ منتم من في السماء أن يخسف بكم الأرض فإذا هي تمور * أم
منتم من في السماء أن يرسل عليكم حاصبا فستعلمون كيف نذير
الملك : ১৬-১৭ ]
অর্থাৎ- তোমরা কি নিরাপদ হতে পেরেছ যে, যিনি আকাশে অবস্থিত রয়েছেন তিনি তোমাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দিবেন না? তখন আকস্মিক ভাবে জমীন থর থর করে কাঁপতে থাকবে। অথবা তোমরা কি নিরাপদ হতে পেরেছ যে, আকাশের অধিপতি তোমাদের উপর কঙ্কর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন না? তখন তোমরা জানতে পারবে যে, আমার সতর্কবাণী কিরূপ ছিল
(আল মুল্কঃ ১৬-১৭)

📘 আক্বীদা ওয়াসেত্বিয়া > 📄 আল্লাহ্ তাঁর সৃষ্টির সাথে থাকার প্রমাণ

📄 আল্লাহ্ তাঁর সৃষ্টির সাথে থাকার প্রমাণ


আল্লাহ তাঁর সৃষ্টির সাথে থাকার প্রমাণ
৯৮- মহান আল্লাহ এরশাদ করেনঃ
هو بدي خلق السموات والأرض في ستة أيام ثم استوى على العرش
ينج في الأرض وما يخرج منها وما ينزل من السماء وما يعرج
فيها وهو معكم أين ما كنتم والله بما تعملون بصير [ الحديد : ٤ ]
অর্থাৎ- তিনি ছয় দিবসে আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন অতঃপর তিনি আরশের উপর সমাসীন হয়েছেন। ভূগর্ভে যা প্রবেশ করে ও যা কিছু তা হতে উদগত হয় এবং আকাশ হতে যা কিছু অবতীর্ণ হয় ও আকাশে যা কিছু উত্থিত হয় সে সকলই তিনি অবগত আছেন। তোমরা যেখানেই থাকনা কেন তিনি তোমাদের সঙ্গে রয়েছেন। আল্লাহ তোমাদের কৃতকর্মের সম্যক দ্রষ্টা। (আল-হাদীদঃ ৪)
৯৯- আল্লাহর বাণীঃ
مَا يَكُونُ مِنْ نَحْوَى ثنائةٍ إِلَّا هُوَ رَابِعُهُمْ وَلَا خَمْسَةٍ إِنَّا هُوَ سَادِسُهُمْ وَلَ
أَدْنَى مِنْ ذَلِكَ وَلَا أَكْثَرَ إِلا هُو مَعَهُمْ أَيْنَ مَا كَانُوا ثُمَّ يُنَبِّئُهُمْ بِم
عَمِلُوا يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّ اللَّهَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ | المجادلة : .
i
অর্থাৎ- তিন ব্যক্তির মধ্যে এমন কোন গোপন পরামর্শ হয় না যাতে চতুর্থজন হিসাবে আল্লাহ উপস্থিত থাকেন না এবং পাঁচ ব্যক্তির মধ্যে এমন কোন গোপন পরামর্শ হয় না যাতে ষষ্ঠ জন হিসাবে তিনি উপস্থিত থাকেন না। তারা তদপেক্ষা কমই হোক কিংবা বেশীই হোক, তারা যেখানেই থাকুক না কেন আল্লাহ তাদের সঙ্গে রয়েছেন। আল্লাহ কিয়ামত দিবসে তাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে তাদেরকে জানিয়ে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সকল বিষয়ে সম্যক অবগত। (আল-মুজাদিলাঃ ৭)
১০০- আল্লাহ আরো বলেনঃ
لَا تَحْزَنْ إِنَّ اللَّهَ مَعَنَا [ التوبة : ٤٠]
অর্থাৎ- বিষন্ন হইওনা নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সাথেই রয়েছেন। (আত তাওবাহ-৪০)
১০১- আল্লাহর বাণীঃ
إِنَّنِي مَعَكُمَا أَسْمَعُ وَأَرَى [ طه : ٤٦ ]
অর্থাৎ- নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সাথে রয়েছি। (ত্বাহাঃ ৪৬)
১০২- তিনি আরো বলেনঃ
إِنَّ اللَّهَ مَعَ الَّذِينَ اتَّقَوْا وَالَّذِينَ هُمْ مُحْسِنُونَ [النحل : ۱۲৮]
অর্থাৎ- নিশ্চয় আল্লাহ তাদের সাথে রয়েছেন যারা সংযমশীল ও সৎকর্মশীল। (আন্নাহলঃ ১২৮)
১০৩- দয়াময় এরশাদ করেনঃ
وَاصْبِرُوا إِنَّ اللَّهَ مَعَ الصَّابِرِينَ [ الانفال : ٤٦ ]
অর্থাৎ- আর তোমরা ধৈর্যধারণ কর, নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন। (আল-আনফালঃ ৪৬)
১০৪- তাঁর বাণীঃ
كُمْ مِنْ فِئَةٍ قَلِيلَةٍ غَلَبَتْ فِئَةً كَثِيرَهُ بِإِذْنِ اللَّهِ وَاللَّهُ مَعَ الصَّابِرِينَ
[ البقرة : ٢٤٩ ]
অর্থাৎ- আল্লাহর হুকুমে অল্প সংখ্যক মানুষের দলই বিরাট দলের মুকাবিলায় জয়ী হয়েছেন। যারা ধৈর্যশীল আল্লাহ তাদের সাথে আছেন। (আল-বাক্বারাঃ ২৪৯)

৯৮- মহান আল্লাহ এরশাদ করেনঃ
هو بدي خلق السموات والأرض في ستة أيام ثم استوى على العرش
ينج في الأرض وما يخرج منها وما ينزل من السماء وما يعرج
فيها وهو معكم أين ما كنتم والله بما تعملون بصير [ الحديد : ৪ ]
অর্থাৎ- তিনি ছয় দিবসে আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন অতঃপর তিনি আরশের উপর সমাসীন হয়েছেন। ভূগর্ভে যা প্রবেশ করে ও যা কিছু তা হতে উদগত হয় এবং আকাশ হতে যা কিছু অবতীর্ণ হয় ও আকাশে যা কিছু উত্থিত হয় সে সকলই তিনি অবগত আছেন। তোমরা যেখানেই থাকনা কেন তিনি তোমাদের সঙ্গে রয়েছেন। আল্লাহ তোমাদের কৃতকর্মের সম্যক দ্রষ্টা। (আল-হাদীদঃ ৪)
৯৯- আল্লাহর বাণীঃ
مَا يَكُونُ مِنْ نَحْوَى ثنائةٍ إِلَّا هُوَ رَابِعُهُمْ وَلَا خَمْسَةٍ إِنَّا هُوَ سَادِسُهُمْ وَلَ
أَدْنَى مِنْ ذَلِكَ وَلَا أَكْثَرَ إِلا هُو مَعَهُمْ أَيْنَ مَا كَانُوا ثُمَّ يُنَبِّئُهُمْ بِم
عَمِلُوا يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّ اللَّهَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ | المجادلة : ৭
i
অর্থাৎ- তিন ব্যক্তির মধ্যে এমন কোন গোপন পরামর্শ হয় না যাতে চতুর্থজন হিসাবে আল্লাহ উপস্থিত থাকেন না এবং পাঁচ ব্যক্তির মধ্যে এমন কোন গোপন পরামর্শ হয় না যাতে ষষ্ঠ জন হিসাবে তিনি উপস্থিত থাকেন না। তারা তদপেক্ষা কমই হোক কিংবা বেশীই হোক, তারা যেখানেই থাকুক না কেন আল্লাহ তাদের সঙ্গে রয়েছেন। আল্লাহ কিয়ামত দিবসে তাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে তাদেরকে জানিয়ে দিবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সকল বিষয়ে সম্যক অবগত। (আল-মুজাদিলাঃ ৭)
১০০- আল্লাহ আরো বলেনঃ
لَا تَحْزَنْ إِنَّ اللَّهَ مَعَنَا [ التوبة : ৪০]
অর্থাৎ- বিষন্ন হইওনা নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সাথেই রয়েছেন। (আত তাওবাহ-৪০)
১০১- আল্লাহর বাণীঃ
إِنَّنِي مَعَكُمَا أَسْمَعُ وَأَرَى [ طه : ৪৬ ]
অর্থাৎ- নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সাথে রয়েছি। (ত্বাহাঃ ৪৬)
১০২- তিনি আরো বলেনঃ
إِنَّ اللَّهَ مَعَ الَّذِينَ اتَّقَوْا وَالَّذِينَ هُمْ مُحْسِنُونَ [النحل : ১২৮]
অর্থাৎ- নিশ্চয় আল্লাহ তাদের সাথে রয়েছেন যারা সংযমশীল ও সৎকর্মশীল। (আন্নাহলঃ ১২৮)
১০৩- দয়াময় এরশাদ করেনঃ
وَاصْبِرُوا إِنَّ اللَّهَ مَعَ الصَّابِرِينَ [ الانفال : ৪৬ ]
অর্থাৎ- আর তোমরা ধৈর্যধারণ কর, নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন। (আল-আনফালঃ ৪৬)
১০৪- তাঁর বাণীঃ
كُمْ مِنْ فِئَةٍ قَلِيلَةٍ غَلَبَتْ فِئَةً كَثِيرَهُ بِإِذْنِ اللَّهِ وَاللَّهُ مَعَ الصَّابِرِينَ
[ البقرة : ২৪৯ ]
অর্থাৎ- আল্লাহর হুকুমে অল্প সংখ্যক মানুষের দলই বিরাট দলের মুকাবিলায় জয়ী হয়েছেন। যারা ধৈর্যশীল আল্লাহ তাদের সাথে আছেন। (আল-বাক্বারাঃ ২৪৯)

📘 আক্বীদা ওয়াসেত্বিয়া > 📄 মহান আল্লাহর কথা বলার প্রমাণ

📄 মহান আল্লাহর কথা বলার প্রমাণ


মহান আল্লাহর কথা বলার প্রমাণ
১০৫- মহান আল্লাহ বলেনঃ
وَمَنْ أَصْدَقُ مِنَ اللَّهِ حَدِيثًا [ النساء : ۸৭ ]
অর্থাৎ- আল্লাহ অপেক্ষা কথার দিক দিয়ে অধিক সত্যবাদী আর কে হতে পারে? (আনিসাঃ ৮৭)
১০৬- আল্লাহ এরশাদ করেনঃ
وَمَنْ أَصْدَقُ مِنَ اللَّهِ قِيلًا [ النساء : ١٢٢ ]
অর্থাৎ- কথার দিক দিয়ে আল্লাহ হতে অধিক সত্যবাদী আর কে হতে পারে? (আনিসাঃ ১২২)
১০৭- তিনি বলেনঃ
وإذ قال الله يا عيسى ابن مريم [ المائدة : ١١٦ ]
অর্থাৎ- স্মরণ কর, যখন আল্লাহ বললেন হে মরিয়ম পুত্র ঈসা!
(আল-মায়িদাহঃ ১১৬)
১০৮- তাঁর বাণীঃ
وتمت كلمة ربك صدقا وعدلا [ الانعام : ١١٥ ]
অর্থাৎ- সত্য ও ন্যায়পরায়ণতার বিচারে তোমার পালনকর্তার বাণীসমূহ পূর্ণতা প্রাপ্ত হয়েছে। (আল-আনআমঃ ১১৫)
১০৯- আল্লাহ আরো বলেনঃ
[ وكلم الله موسى تكليما [ النساء : ١٦٤
অর্থাৎ- আল্লাহ মূসার (আঃ) সাথে সরাসরি কথোপকথন করেছেন। (আননিসাঃ ১৬৪)
১১০- দয়াময় আরো বলেনঃ
منهم من كلم الله [ البقرة : ٢٥٣ ]
অর্থাৎ- তাদের মধ্যে কারও সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।
(আল-বাক্বারাঃ ২৫৩)
১১১- মহান আল্লাহ আরো বলেনঃ
ولما جاء موسى لميقاتنا و كلمه ربه [الاعراف ١٤٣ ]
অর্থাৎ- যখন মূসা (আঃ) নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হলেন এবং তাঁর সাথে তাঁর প্রভূ বাক্যালাপ করলেন। (আল-আ'রাফঃ ১৪৩)
১১২- আল্লাহর বাণীঃ
و ناديناه من جانب الطور الأيمن وقربناه نجيا [ مريم : ٥٢]
অর্থাৎ- আমি তাঁকে (মূসাকে আঃ) তূর পর্বতের দক্ষিণ দিক হতে আহবান করেছিলাম এবং অন্তরঙ্গ আলাপে তাঁকে নৈকট্য দান করেছিলাম। (মারয়‍্যামঃ ৫২)
১১৩- তিনি আরো বলেনঃ
وإذ نادى ربك موسى أن انت القوم الظالمين [الشعرء : ١٠ ]
অর্থাৎ- তুমি স্মরণ কর, যখন তোমার পালনকর্তা মূসাকে ডেকে বললেন, তুমি যালিম সম্প্রদায়ের নিকট গমন কর।
(আশ-শুরাঃ ১০)
১১৪- তিনি বলেনঃ
وندهم ربهما ألم أنهكما عن تلكما الشجرة [الاعراف : ২২ ]
অর্থাৎ- তাদের প্রতিপালক তাদেরকে ডেকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এই বৃক্ষ হতে নিষেধ করিনি? (আল-আরাফঃ ২২)
১১৫- তিনি আরো বলেনঃ
و بوم يناديهم فيقول أين شركائي الذين كنتم تزعمون [ القصص : ٦٢ ).
অর্থাৎ- সেদিন তাদেরকে আহবান করে তিনি (আল্লাহ) বলবেন, তোমরা যাদেরকে আমার শরীক বলে গণ্য করতে তারা কোথায়? (আল-ক্বাসাসঃ ৬২)
১১৬- তাঁর বাণীঃ
ويوم يناديهم فيقول ماذا أجبتم المرسلين [ القصص : ٦٥]
অর্থাৎ- সেদিন আল্লাহ তাদেরকে ডেকে বলবেন, তোমরা রাসূলদের কি জওয়াব দিয়েছিলে? (আল-কাসাসঃ ৬৫)
১১৭- আল্লাহ বলেনঃ
کده نیه من المشركين استجارك فأجره حتى يسمع وإن أحد
[ التوبة : ٦ ]
অর্থাৎ- যদি মুশরিকদের মধ্য হতে কেউ তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করে তবে তাকে আশ্রয় প্রদান কর। শেষ পর্যন্ত সে আল্লাহর বাণী শ্রবণ করতে পারে। (আত্তাওবাঃ ৬)
১১৮- আল্লাহ আরো বলেনঃ
وقد كان فريق منهم يسمعون كلام الله ثم يحرفونه من بعد ما عقيره
وهم يعلمون [ البقرة : ٧٥]
অর্থাৎ- তাদের মধ্যে একদল আল্লাহর বাণী শ্রবণ করত। অতঃপর তারা তা জেনে বুঝে পরিবর্তন করে দিত। (আল-বাক্বারাহঃ ৭৫)
১১৯- তিনি আরো বলেনঃ
يريدون أن يبدلوا كلام الله قل لن تتبعونا | الفتح : ١٥]
অর্থাৎ- তারা আল্লাহর বাণী পরিবর্তন করতে চায়। তুমি বল তোমরা কোনক্রমেই আমাদের সঙ্গী হতে পারবে না।
(আল-ফাতহঃ ১৫)
১২০- আল্লাহ আরো বলেনঃ
وائل ما أوحي إليك من كتاب ربك لا مبدل لكلماته [الكهف : ٢٧]
অর্থাৎ- তোমার নিকট প্রত্যাদিষ্ট তোমার প্রভূর কিতাব তুমি আবৃত্তি কর। তাঁর বাক্য সমূহে পরিবর্তনকারী এমন কেউ নেই।
(আল-কাহাফঃ ২৭)
১২১- তাঁর আরো বাণীঃ
إن هذا القرعان يقص على بني إسرائيل [ النمل : ٧٦]
অর্থাৎ- এই কোরআন বাণী ইসরাঈল গোত্রের নিকট বর্ণনা করে থাকে। (আন্নামলঃ৭৬)

১০৫- মহান আল্লাহ বলেনঃ
وَمَنْ أَصْدَقُ مِنَ اللَّهِ حَدِيثًا [ النساء : ৮৭ ]
অর্থাৎ- আল্লাহ অপেক্ষা কথার দিক দিয়ে অধিক সত্যবাদী আর কে হতে পারে? (আনিসাঃ ৮৭)
১০৬- আল্লাহ এরশাদ করেনঃ
وَمَنْ أَصْدَقُ مِنَ اللَّهِ قِيلًا [ النساء : ১২২ ]
অর্থাৎ- কথার দিক দিয়ে আল্লাহ হতে অধিক সত্যবাদী আর কে হতে পারে? (আনিসাঃ ১২২)
১০৭- তিনি বলেনঃ
وإذ قال الله يا عيسى ابن مريم [ المائدة : ১১৬ ]
অর্থাৎ- স্মরণ কর, যখন আল্লাহ বললেন হে মরিয়ম পুত্র ঈসা!
(আল-মায়িদাহঃ ১১৬)
১০৮- তাঁর বাণীঃ
وتمت كلمة ربك صدقا وعدلا [ الانعام : ১১৫ ]
অর্থাৎ- সত্য ও ন্যায়পরায়ণতার বিচারে তোমার পালনকর্তার বাণীসমূহ পূর্ণতা প্রাপ্ত হয়েছে। (আল-আনআমঃ ১১৫)
১০৯- আল্লাহ আরো বলেনঃ
[ وكلم الله موسى تكليما [ النساء : ১৬৪
অর্থাৎ- আল্লাহ মূসার (আঃ) সাথে সরাসরি কথোপকথন করেছেন। (আননিসাঃ ১৬৪)
১১০- দয়াময় আরো বলেনঃ
منهم من كلم الله [ البقرة : ২৫৩ ]
অর্থাৎ- তাদের মধ্যে কারও সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।
(আল-বাক্বারাঃ ২৫৩)
১১১- মহান আল্লাহ আরো বলেনঃ
ولما جاء موسى لميقاتنا و كلمه ربه [الاعراف ১৪৩ ]
অর্থাৎ- যখন মূসা (আঃ) নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হলেন এবং তাঁর সাথে তাঁর প্রভূ বাক্যালাপ করলেন। (আল-আ'রাফঃ ১৪৩)
১১২- আল্লাহর বাণীঃ
و ناديناه من جانب الطور الأيمن وقربناه نجيا [ مريم : ৫২]
অর্থাৎ- আমি তাঁকে (মূসাকে আঃ) তূর পর্বতের দক্ষিণ দিক হতে আহবান করেছিলাম এবং অন্তরঙ্গ আলাপে তাঁকে নৈকট্য দান করেছিলাম। (মারয়‍্যামঃ ৫২)
১১৩- তিনি আরো বলেনঃ
وإذ نادى ربك موسى أن انت القوم الظالمين [الشعرء : ১০ ]
অর্থাৎ- তুমি স্মরণ কর, যখন তোমার পালনকর্তা মূসাকে ডেকে বললেন, তুমি যালিম সম্প্রদায়ের নিকট গমন কর।
(আশ-শুরাঃ ১০)
১১৪- তিনি বলেনঃ
وندهم ربهما ألم أنهكما عن تلكما الشجرة [الاعراف : ২২ ]
অর্থাৎ- তাদের প্রতিপালক তাদেরকে ডেকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এই বৃক্ষ হতে নিষেধ করিনি? (আল-আরাফঃ ২২)
১১৫- তিনি আরো বলেনঃ
و بوم يناديهم فيقول أين شركائي الذين كنتم تزعمون [ القصص : ৬২ ).
অর্থাৎ- সেদিন তাদেরকে আহবান করে তিনি (আল্লাহ) বলবেন, তোমরা যাদেরকে আমার শরীক বলে গণ্য করতে তারা কোথায়? (আল-ক্বাসাসঃ ৬২)
১১৬- তাঁর বাণীঃ
ويوم يناديهم فيقول ماذا أجبتم المرسلين [ القصص : ৬৫]
অর্থাৎ- সেদিন আল্লাহ তাদেরকে ডেকে বলবেন, তোমরা রাসূলদের কি জওয়াব দিয়েছিলে? (আল-কাসাসঃ ৬৫)
১১৭- আল্লাহ বলেনঃ
کده نیه من المشركين استجارك فأجره حتى يسمع وإن أحد
[ التوبة : ৬ ]
অর্থাৎ- যদি মুশরিকদের মধ্য হতে কেউ তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করে তবে তাকে আশ্রয় প্রদান কর। শেষ পর্যন্ত সে আল্লাহর বাণী শ্রবণ করতে পারে। (আত্তাওবাঃ ৬)
১১৮- আল্লাহ আরো বলেনঃ
وقد كان فريق منهم يسمعون كلام الله ثم يحرفونه من بعد ما عقيره
وهم يعلمون [ البقرة : ৭৫]
অর্থাৎ- তাদের মধ্যে একদল আল্লাহর বাণী শ্রবণ করত। অতঃপর তারা তা জেনে বুঝে পরিবর্তন করে দিত। (আল-বাক্বারাহঃ ৭৫)
১১৯- তিনি আরো বলেনঃ
يريدون أن يبدلوا كلام الله قل لن تتبعونا | الفتح : ১৫]
অর্থাৎ- তারা আল্লাহর বাণী পরিবর্তন করতে চায়। তুমি বল তোমরা কোনক্রমেই আমাদের সঙ্গী হতে পারবে না।
(আল-ফাতহঃ ১৫)
১২০- আল্লাহ আরো বলেনঃ
وائل ما أوحي إليك من كتاب ربك لا مبدل لكلماته [الكهف : ২৭]
অর্থাৎ- তোমার নিকট প্রত্যাদিষ্ট তোমার প্রভূর কিতাব তুমি আবৃত্তি কর। তাঁর বাক্য সমূহে পরিবর্তনকারী এমন কেউ নেই।
(আল-কাহাফঃ ২৭)
১২১- তাঁর আরো বাণীঃ
إن هذا القرعان يقص على بني إسرائيل [ النمل : ৭৬]
অর্থাৎ- এই কোরআন বাণী ইসরাঈল গোত্রের নিকট বর্ণনা করে থাকে। (আন্নামলঃ৭৬)

📘 আক্বীদা ওয়াসেত্বিয়া > 📄 কোরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হওয়ার প্রমাণ

📄 কোরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হওয়ার প্রমাণ


কোরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হওয়ার প্রমাণ:
১২২-মহান আল্লাহ এরশাদ করেনঃ
[ وهذا كتاب أنزلناه مبارك [ الانعام : ١٥٥
অর্থাৎ- আর এটা কোরআন এমন একটি গ্রন্থ যা বরকতপূর্ণ করে আমি অবতীর্ণ করেছি। (আল-আনআমঃ ১৫৫)
১২৩- তিনি আরো বলেনঃ
لو أنزلنا هذا القرمان على جبل لرأيته خاشعا متصدعا من خشية الله
[الحشر: ২১ ]
অর্থাৎ- যদি আমি এই কোরআনকে পর্বতের উপর অবতীর্ণ করতাম তবে তুমি তাকে আল্লাহর ভয়ে বিনীত ও বিদীর্ণ দেখতে পেতে। (আল-হাশরঃ ২১)
১২৪- আল্লাহ আরো বলেনঃ
وإذا بدلنا عاية مكان عاية والله أعلم بما ينزل قالوا إنما أنت مفتر بل
أكثرهم لا يعلمون * قل نزله روح
القدس من ر
بك بالحق ليثبت
الَّذِينَ عَامَنُوا وَهُدًى وَبُشْرَى لِلْمُسْلِمِينَ * وَلَقَدْ نَعْلَمُ أَنَّهُمْ يَقُولُونَ
إِنَّمَا يُعَلِّمُهُ بَشَرٌ لِسَانُ الَّذِي يُنْحِدُونَ إِلَيْهِ أَعْجَمِيٌّ وَهَذَا نِسَانٌ عَرَبِيٌّ
مبين
النحل : ١٠١-١٠٣ ]
অর্থাৎ- আমি যখন এক আয়াতের স্থলে অন্য আয়াতকে বদল করে থাকি, আর আল্লাহ উত্তমরূপে অবগত আছেন যা তিনি অবতীর্ণ করে থাকেন । তখন তারা বলে থাকে তুমি কেবল মাত্র মিথ্যা উদ্ভাবন করে থাক। কিন্তু তারা অধিকাংশই অবগত নয়। তুমি বল, তোমার পালনকর্তার পক্ষ হতে জিব্রাঈল তা যথাযথভাবেই অবতীর্ণ করেছেন, যাতে মুমিনদের দৃঢ়প্রতিজ্ঞা করবার জন্য এবং এটা মুসলিম জনগণের জন্য পথনির্দেশ ও সুসংবাদ। আমি অবশ্যই জানি যে, তারা বলে থাকে, তাঁকে জনৈক ব্যক্তি শিক্ষা প্রদান করে থাকে। যার প্রতি তারা এটা আরোপ করে থাকে তার ভাষা অনারবী অথচ এই কোরআন সুষ্পষ্ট আরবী ভাষায় অবতীর্ণ। (আননাহলঃ ১০১-১০৩)

১২২-মহান আল্লাহ এরশাদ করেনঃ
[ وهذا كتاب أنزلناه مبارك [ الانعام : ১৫৫
অর্থাৎ- আর এটা কোরআন এমন একটি গ্রন্থ যা বরকতপূর্ণ করে আমি অবতীর্ণ করেছি। (আল-আনআমঃ ১৫৫)
১২৩- তিনি আরো বলেনঃ
لو أنزلنا هذا القرمان على جبل لرأيته خاشعا متصدعا من خشية الله
[الحشر: ২১ ]
অর্থাৎ- যদি আমি এই কোরআনকে পর্বতের উপর অবতীর্ণ করতাম তবে তুমি তাকে আল্লাহর ভয়ে বিনীত ও বিদীর্ণ দেখতে পেতে। (আল-হাশরঃ ২১)
১২৪- আল্লাহ আরো বলেনঃ
وإذا بدلنا عاية مكان عاية والله أعلم بما ينزل قالوا إنما أنت مفتر بل
أكثرهم لا يعلمون * قل نزله روح
القدس من র
بك بالحق ليثبت
الَّذِينَ عَامَنُوا وَهُدًى وَبُشْرَى لِلْمُسْلِمِينَ * وَلَقَدْ نَعْلَمُ أَنَّهُمْ يَقُولُونَ
إِنَّمَا يُعَلِّمُهُ بَشَرٌ لِسَانُ الَّذِي يُنْحِدُونَ إِلَيْهِ أَعْجَمِيٌّ وَهَذَا نِسَانٌ عَرَبِيٌّ
مبين
النحل : ১০১-১০৩ ]
অর্থাৎ- আমি যখন এক আয়াতের স্থলে অন্য আয়াতকে বদল করে থাকি, আর আল্লাহ উত্তমরূপে অবগত আছেন যা তিনি অবতীর্ণ করে থাকেন । তখন তারা বলে থাকে তুমি কেবল মাত্র মিথ্যা উদ্ভাবন করে থাক। কিন্তু তারা অধিকাংশই অবগত নয়। তুমি বল, তোমার পালনকর্তার পক্ষ হতে জিব্রাঈল তা যথাযথভাবেই অবতীর্ণ করেছেন, যাতে মুমিনদের দৃঢ়প্রতিজ্ঞা করবার জন্য এবং এটা মুসলিম জনগণের জন্য পথনির্দেশ ও সুসংবাদ। আমি অবশ্যই জানি যে, তারা বলে থাকে, তাঁকে জনৈক ব্যক্তি শিক্ষা প্রদান করে থাকে। যার প্রতি তারা এটা আরোপ করে থাকে তার ভাষা অনারবী অথচ এই কোরআন সুষ্পষ্ট আরবী ভাষায় অবতীর্ণ। (আননাহলঃ ১০১-১০৩)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00