📄 মহান আল্লাহর ক্ষমা, রহমত, মান-মর্যাদা ও শক্তির গুণাবলী
মহান আল্লাহর ক্ষমা, রহমত, মান-মর্যাদা ও শক্তির গুণাবলী
৭৬- তাঁর বাণীঃ
إِن تُبْدُوا خَيْرًا أَوْ تُخْفُوهُ أَوْ تَعْفُوا عَنْ سُوءٍ فَإِنَّ اللَّهَ كَانَ عَفُوا قَدِيرًا
النساء : ١٤٩ ]
অর্থাৎ- তোমরা যদি প্রকাশ্যভাবে কল্যাণজনক কাজ কর অথবা তা গোপনে কর বা যদি অপরাধ ক্ষমা করে দাও তবে মনে রাখবে আল্লাহ হচ্ছেন পরম মার্জনাকারী, মহাশক্তিশালী। (
আনিসাঃ ১৪৯)
৭৭- দয়াময় আরো বলেনঃ
ويَعْفُوا وَلْيَصْفَحُوا أَلا تُحِبُّونَ أَنْ يَغْفِرَ اللَّهُ لَكُمْ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَحِيمٌ
[النور: ٢٢ ]
অর্থাৎ- তারা যেন তাদেরকে ক্ষমা করে দেয়, মার্জনা করে দেয়। তোমরা কি চাওনা যে, আল্লাহ তোমাদের ত্রুটি ক্ষমা করেন? বস্তুতঃ আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল অতীব দয়াময়। (সূরা নূরঃ ২২)
৭৮- মহান আল্লাহর বাণীঃ
وَلِنَهِ الْعِزَّةُ وَلِرَسُولِهِ وَلِلْمُؤْمِنِينَ [ المنافقون : ٨ ]
অর্থাৎ- ইজ্জত-সম্মানের অধিকারী হচ্ছেন আল্লাহ তদীয় রাসূল এবং মু'মিন সমাজ। (আল-মুনাফিকুনঃ ৮)
৭৯- মহান আল্লাহর বাণী ইবলিশ সম্পর্কেঃ
فَبِعِزَّتِكَ لَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ [ ص: ৮২ ]
অর্থাৎ- (ইবলীস বলে) আপনার ইজ্জতের শপথ, আমি অবশ্যই তাদের সকলকে বিভ্রান্ত করে ছাড়ব। (আসাদঃ ৮২)
৭৬- তাঁর বাণীঃ
إِن تُبْدُوا خَيْرًا أَوْ تُخْفُوهُ أَوْ تَعْفُوا عَنْ سُوءٍ فَإِنَّ اللَّهَ كَانَ عَفُوا قَدِيرًا
النساء : ١٤٩ ]
অর্থাৎ- তোমরা যদি প্রকাশ্যভাবে কল্যাণজনক কাজ কর অথবা তা গোপনে কর বা যদি অপরাধ ক্ষমা করে দাও তবে মনে রাখবে আল্লাহ হচ্ছেন পরম মার্জনাকারী, মহাশক্তিশালী। (
আনিসাঃ ১৪৯)
৭৭- দয়াময় আরো বলেনঃ
ويَعْفُوا وَلْيَصْفَحُوا أَلا تُحِبُّونَ أَنْ يَغْفِرَ اللَّهُ لَكُمْ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَحِيمٌ
[النور: ٢٢ ]
অর্থাৎ- তারা যেন তাদেরকে ক্ষমা করে দেয়, মার্জনা করে দেয়। তোমরা কি চাওনা যে, আল্লাহ তোমাদের ত্রুটি ক্ষমা করেন? বস্তুতঃ আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল অতীব দয়াময়। (সূরা নূরঃ ২২)
৭৮- মহান আল্লাহর বাণীঃ
وَلِنَهِ الْعِزَّةُ وَلِرَسُولِهِ وَلِلْمُؤْمِنِينَ [ المنافقون : ٨ ]
অর্থাৎ- ইজ্জত-সম্মানের অধিকারী হচ্ছেন আল্লাহ তদীয় রাসূল এবং মু'মিন সমাজ। (আল-মুনাফিকুনঃ ৮)
৭৯- মহান আল্লাহর বাণী ইবলিশ সম্পর্কেঃ
فَبِعِزَّتِكَ لَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ [ ص: ৮২ ]
অর্থাৎ- (ইবলীস বলে) আপনার ইজ্জতের শপথ, আমি অবশ্যই তাদের সকলকে বিভ্রান্ত করে ছাড়ব। (আসাদঃ ৮২)
📄 আল্লাহর নামের প্রমাণ
আল্লাহর নামের প্রমাণ
৮০- আর আল্লাহর বাণীঃ
تَبَارَكَ اسْمُ رَبِّكَ ذِي الْجَنَالِ وَالْإِكْرَامِ [ الرحمن : ۷৮ ]
অর্থাৎ- তোমার পালনকর্তা যিনি মহিমামন্ডিত ও মহানুভব তাঁর নাম কতই না বরকতময়। (আররাহমানঃ ৭৮)
৮১- আল্লাহর বাণীঃ
فَاعْبُدُهُ وَاصْطَبِرْ لِعِبَادَتِهِ هَلْ تَعْلَمُ لَهُ سَمِيًّا [مريم : ٦٥ ]
অর্থাৎ- তুমি তাঁরই এবাদত কর এবং তাঁর এবাদতেই দৃঢ়তা অবলম্বন কর। তুমি কি তাঁর সমগুণসম্পন্ন কাউকেও অবগত আছ? (মারইয়ামঃ ৬৫)
৮০- আর আল্লাহর বাণীঃ
تَبَارَكَ اسْمُ رَبِّكَ ذِي الْجَنَالِ وَالْإِكْرَامِ [ الرحمن : ۷۸ ]
অর্থাৎ- তোমার পালনকর্তা যিনি মহিমামন্ডিত ও মহানুভব তাঁর নাম কতই না বরকতময়। (আররাহমানঃ ৭৮)
৮১- আল্লাহর বাণীঃ
فَاعْبُدُهُ وَاصْطَبِرْ لِعِبَادَتِهِ هَلْ تَعْلَمُ لَهُ سَمِيًّا [مريم : ٦٥ ]
অর্থাৎ- তুমি তাঁরই এবাদত কর এবং তাঁর এবাদতেই দৃঢ়তা অবলম্বন কর। তুমি কি তাঁর সমগুণসম্পন্ন কাউকেও অবগত আছ? (মারইয়ামঃ ৬৫)
📄 আল্লাহর পবিত্রতা ও তাঁর সাদৃশ্যতার খন্ডনে নেতীবাচক গুণাবলী সম্পর্কীয় আয়াত সমূহ
আল্লাহর পবিত্রতা ও তাঁর সাদৃশ্যতার খন্ডনে নেতীবাচক গুণাবলী সম্পর্কীয় আয়াত সমূহঃ
৮২- মহান আল্লাহ এরশাদ করেনঃ
وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ [ الاخلاص : ٤]
অর্থাৎ- আর তাঁর সমতুল্যও কেউ নেই। (আল-ইখলাসঃ ৪)
৮৩- আল্লাহর বাণীঃ
فَلَا تَجْعَلُوا لِلَّهِ أَنْدَادًا وَأَنْتُمْ تَعْلَمُونَ [ البقرة : ۲২ ]
অর্থাৎ- অতএব তোমরা জেনে শুনে কাউকে আল্লাহর শরীক রূপে স্থির করবে না। (আল-বাক্বারাঃ ২২)
৮৪- আল্লাহর বাণীঃ
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَتَّخِذُ مِنْ دُونِ اللَّهِ أَنْدَادًا يُحِبُّونَهُمْ كَحُبِّ اللَّهِ
[ البقرة : ١٦٥ ]
অর্থাৎ- আর এমনও লোক রয়েছে যারা অন্যান্যকে আল্লাহর সমকক্ষ সাব্যস্ত করে থাকে। তারা আল্লাহর ভালবাসার মতই তাদের প্রতি ভালবাসা পোষণ করে থাকে। (আল-বাক্বারাহঃ ১৬৫)
৮৫- আল্লাহ আরো বলেনঃ
وقُلِ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي لَمْ يَتَّخِدُ وَلَدًا وَلَمْ يَكُنْ لَهُ شَرِيكَ فِي الْمُلْكِ وَلَمْ
يَكُنْ لَهُ وَلِيٌّ مِنَ الذُّلِّ وَكَبِّرْهُ تَكْبِيرًا [ الاسراء : ١١١ ]
অর্থাৎ- তুমি বল, যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর জন্যই যিনি সন্তান গ্রহন করেন না, তাঁর সার্বভৌমত্বে কোন অংশীদার নেই এবং তিনি কোনরূপ দূর্দশাগ্রস্ত হন না, যে কারণে তাঁর কোন সাহায্যকারীর প্রয়োজন হতে পারে। সুতরাং তুমি স্বসম্ভ্রমে তাঁর মাহাত্ম্য ঘোষণা কর।
(বনী ইস্রাঈলঃ ১১১)
৮৬- আল্লাহর বাণীঃ
يُسَبِّحُ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ
وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ [ التغابن : ١ ]
অর্থাৎ- আসমান ও জমীনে যা কিছু রয়েছে সেই সমস্তই আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে থাকে। সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক তিনিই এবং তাঁর জন্যই যাবতীয় প্রশংসা। বস্তুতঃ তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান। (আত্ তাগাবুনঃ ১)
৮৭- তাঁর আরো বাণীঃ
تَبَارَكَ الَّذِي نَزَّلَ الْفُرْقَانَ عَلَى عَبْدِهِ لِيَكُونَ لِلْعَالَمِينَ نَذِيرًا * الَّذِي لَهُ
ملكُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ وَلَمْ يَتَّخِدْ وَلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ شَرِيكَ فِي
الْمُلْكِ وَخَلَقَ كُلَّ شَيْءٍ فَقَدَّرَهُ تَقْدِيرًا [ الفرقان : ١-٢ ]
অর্থাৎ- কতইনা বরকতময় (প্রাচুর্যময়) তিনি, যিনি তাঁর বান্দাহর উপরে ফুরক্বান (আল-কুরআন) অবতীর্ণ করেছেন। যাতে তিনি সমগ্র বিশ্বের জন্য সতর্ককারী হতে পারেন। তিনি এমন সত্ত্বা যাঁর হাতে রয়েছে আকাশমন্ডল ও ভূমন্ডলের সার্বভৌম ক্ষমতা। তিনি সন্তান গ্রহন করেন না। সার্বভৌম ক্ষমতায় তাঁর কোন শরীক (অংশীদার) নেই। তিনি প্রতিটি বস্তুকে সৃষ্টি করেছেন তারপর তার পরিমাণ যথোচিতভাবে নির্ধারণ করেছেন।
(আল-ফুরকানঃ ১-২)
৮৮- আল্লাহ আরো বলেনঃ
مَا اتَّخَدَ اللهُ مِنْ وَلَدٍ وَمَا كَانَ مَعَهُ مِنْ إِنَّهِ إِذَا لَذَهَبَ كُلُّ إِلَهِ بِمَا
خَلَقَ وَلَعَلَا بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يَصْفُونَ * عَالِمِ الْغَيْبِ
وَالشَّهَادَةِ فَتَعَالَى عَمَّا يُشْرِكُونَ [المؤمنون : ۹۱ - ۹۲]
অর্থাৎ- আল্লাহ কোন সন্তান গ্রহন করেননি, তাঁর সাথে কোন ইলাহ নেই। যদি থাকত তা হলে প্রত্যেক ইলাহ নিজ নিজ সৃষ্টি নিয়ে পৃথক হয়ে যেত। আর একে অপরের উপর প্রধান্য বিস্তার করত। তারা যা বলছে তা হতে আল্লাহ মহাপবিত্র। তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যের মহাবিজ্ঞ। তারা যা শরীক করে থাকে তিনি তার বহু উর্দ্ধে। (আল-মু'মিনূনঃ ৯১-৯২)
৮৯- দয়াময় আরো বলেনঃ
فنا تضربوا لله الأمثال إن الله يعلم وأنتم لا تعلمون [ النحل : ٧٤]
অর্থাৎ-সুতরাং তোমরা আল্লাহর সাদৃশ্যাবলী বর্ণনা করিও না, নিশ্চয় আল্লাহ জানেন, তোমরা জাননা। (আন নাহলঃ ৭৪)
৯০- তিনি আরো বলেনঃ
! لِفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَالْإِثْمَ وَالْبَغْيِ
قُلْ نَمَا حَرَّمَ رَبِّي
بِغَيْرِ الْحَقِّ وَأَنْ تُشْرِكُوا بِاللَّهِ مَا لَمْ يُنْزِلْ بِهِ سُلْطَانًا وَأَنْ تَقُولُوا عَلَى اللَّهِ
مَا لَا تَعْلَمُونَ [ الاعراف : ٣٣ ]
অর্থাৎ- তুমি বল, আমার পালনকর্তা কেবলমাত্র প্রকাশ্য ও গোপনীয় অশ্লীল বিষয়সমূহকে হারাম করেছেন। আর তিনি হারাম করেছেন তোমাদের আল্লাহর শরীক করাকে, যার তিনি কোন সনদ অবতীর্ণ করেননি। তোমাদের জ্ঞান ব্যতিরেকে আল্লাহর উপর মিথ্যা অপবাদের কথা বলাও তিনি হারাম করেছেন। (আল-আরাফঃ ৩৩)
৮২- মহান আল্লাহ এরশাদ করেনঃ
وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ [ الاخلاص : ٤]
অর্থাৎ- আর তাঁর সমতুল্যও কেউ নেই। (আল-ইখলাসঃ ৪)
৮৩- আল্লাহর বাণীঃ
فَلَا تَجْعَلُوا لِلَّهِ أَنْدَادًا وَأَنْتُمْ تَعْلَمُونَ [ البقرة : ۲২ ]
অর্থাৎ- অতএব তোমরা জেনে শুনে কাউকে আল্লাহর শরীক রূপে স্থির করবে না। (আল-বাক্বারাঃ ২২)
৮৪- আল্লাহর বাণীঃ
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَتَّخِذُ مِنْ دُونِ اللَّهِ أَنْدَادًا يُحِبُّونَهُمْ كَحُبِّ اللَّهِ
[ البقرة : ١٦٥ ]
অর্থাৎ- আর এমনও লোক রয়েছে যারা অন্যান্যকে আল্লাহর সমকক্ষ সাব্যস্ত করে থাকে। তারা আল্লাহর ভালবাসার মতই তাদের প্রতি ভালবাসা পোষণ করে থাকে। (আল-বাক্বারাহঃ ১৬৫)
৮৫- আল্লাহ আরো বলেনঃ
وقُلِ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي لَمْ يَتَّخِدُ وَلَدًا وَلَمْ يَكُنْ لَهُ شَرِيكَ فِي الْمُلْكِ وَلَمْ
يَكُنْ لَهُ وَلِيٌّ مِنَ الذُّلِّ وَكَبِّرْهُ تَكْبِيرًا [ الاسراء : ١١١ ]
অর্থাৎ- তুমি বল, যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর জন্যই যিনি সন্তান গ্রহন করেন না, তাঁর সার্বভৌমত্বে কোন অংশীদার নেই এবং তিনি কোনরূপ দূর্দশাগ্রস্ত হন না, যে কারণে তাঁর কোন সাহায্যকারীর প্রয়োজন হতে পারে। সুতরাং তুমি স্বসম্ভ্রমে তাঁর মাহাত্ম্য ঘোষণা কর।
(বনী ইস্রাঈলঃ ১১১)
৮৬- আল্লাহর বাণীঃ
يُسَبِّحُ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ
وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ [ التغابن : ١ ]
অর্থাৎ- আসমান ও জমীনে যা কিছু রয়েছে সেই সমস্তই আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে থাকে। সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক তিনিই এবং তাঁর জন্যই যাবতীয় প্রশংসা। বস্তুতঃ তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান। (আত্ তাগাবুনঃ ১)
৮৭- তাঁর আরো বাণীঃ
تَبَارَكَ الَّذِي نَزَّلَ الْفُرْقَانَ عَلَى عَبْدِهِ لِيَكُونَ لِلْعَالَمِينَ نَذِيرًا * الَّذِي لَهُ
ملكُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ وَلَمْ يَتَّخِدْ وَلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ شَرِيكَ فِي
الْمُلْكِ وَخَلَقَ كُلَّ شَيْءٍ فَقَدَّرَهُ تَقْدِيرًا [ الفرقان : ١-٢ ]
অর্থাৎ- কতইনা বরকতময় (প্রাচুর্যময়) তিনি, যিনি তাঁর বান্দাহর উপরে ফুরক্বান (আল-কুরআন) অবতীর্ণ করেছেন। যাতে তিনি সমগ্র বিশ্বের জন্য সতর্ককারী হতে পারেন। তিনি এমন সত্ত্বা যাঁর হাতে রয়েছে আকাশমন্ডল ও ভূমন্ডলের সার্বভৌম ক্ষমতা। তিনি সন্তান গ্রহন করেন না। সার্বভৌম ক্ষমতায় তাঁর কোন শরীক (অংশীদার) নেই। তিনি প্রতিটি বস্তুকে সৃষ্টি করেছেন তারপর তার পরিমাণ যথোচিতভাবে নির্ধারণ করেছেন।
(আল-ফুরকানঃ ১-২)
৮৮- আল্লাহ আরো বলেনঃ
مَا اتَّخَدَ اللهُ مِنْ وَلَدٍ وَمَا كَانَ مَعَهُ مِنْ إِنَّهِ إِذَا لَذَهَبَ كُلُّ إِلَهِ بِمَا
خَلَقَ وَلَعَلَا بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يَصْفُونَ * عَالِمِ الْغَيْبِ
وَالشَّهَادَةِ فَتَعَالَى عَمَّا يُشْرِكُونَ [المؤمنون : ৯১ - ৯২]
অর্থাৎ- আল্লাহ কোন সন্তান গ্রহন করেননি, তাঁর সাথে কোন ইলাহ নেই। যদি থাকত তা হলে প্রত্যেক ইলাহ নিজ নিজ সৃষ্টি নিয়ে পৃথক হয়ে যেত। আর একে অপরের উপর প্রধান্য বিস্তার করত। তারা যা বলছে তা হতে আল্লাহ মহাপবিত্র। তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যের মহাবিজ্ঞ। তারা যা শরীক করে থাকে তিনি তার বহু উর্দ্ধে। (আল-মু'মিনূনঃ ৯১-৯২)
৮৯- দয়াময় আরো বলেনঃ
فنا تضربوا لله الأمثال إن الله يعلم وأنتم لا تعلمون [ النحل : ৭৪]
অর্থাৎ-সুতরাং তোমরা আল্লাহর সাদৃশ্যাবলী বর্ণনা করিও না, নিশ্চয় আল্লাহ জানেন, তোমরা জাননা। (আন নাহলঃ ৭৪)
৯০- তিনি আরো বলেনঃ
! لِفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَالْإِثْمَ وَالْبَغْيِ
قُلْ نَمَا حَرَّمَ رَبِّي
بِغَيْرِ الْحَقِّ وَأَنْ تُشْرِكُوا بِاللَّهِ مَا لَمْ يُنْزِلْ بِهِ سُلْطَانًا وَأَنْ تَقُولُوا عَلَى اللَّهِ
مَا لَا تَعْلَمُونَ [ الاعراف : ৩৩ ]
অর্থাৎ- তুমি বল, আমার পালনকর্তা কেবলমাত্র প্রকাশ্য ও গোপনীয় অশ্লীল বিষয়সমূহকে হারাম করেছেন। আর তিনি হারাম করেছেন তোমাদের আল্লাহর শরীক করাকে, যার তিনি কোন সনদ অবতীর্ণ করেননি। তোমাদের জ্ঞান ব্যতিরেকে আল্লাহর উপর মিথ্যা অপবাদের কথা বলাও তিনি হারাম করেছেন। (আল-আরাফঃ ৩৩)
📄 আল্লাহ্ আরশের উপর সমাসীন
আল্লাহ আরশের উপর সমাসীন
৯১- মহান আল্লাহর বাণীঃ
الرحمن على العرش استوى [ طه : ٥ ]
অর্থাৎ-দয়াময় আল্লাহ আরশের উপর সমাসীন রয়েছেন। (তাহাঃ ৫)
৯২- আরো তাঁর বাণীঃ
ثم استوى على العرش [ الاعراف : ٥٤ ]
অর্থাৎ- অতঃপর তিনি আরশে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।
(আরাফঃ ৫৪)
মহান আল্লাহ একথাটি ছয় জায়গায় এরশাদ করেছেন।
(আরাফঃ ৫৪, ইউনুসঃ ৩, রাদঃ ২, ফুরক্বানঃ ৫৯, সাজদাহঃ ৪, হাদীদঃ ৪)
৯১- মহান আল্লাহর বাণীঃ
الرحمن على العرش استوى [ طه : ৫ ]
অর্থাৎ-দয়াময় আল্লাহ আরশের উপর সমাসীন রয়েছেন। (তাহাঃ ৫)
৯২- আরো তাঁর বাণীঃ
ثم استوى على العرش [ الاعراف : ৫৪ ]
অর্থাৎ- অতঃপর তিনি আরশে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।
(আরাফঃ ৫৪)
মহান আল্লাহ একথাটি ছয় জায়গায় এরশাদ করেছেন।
(আরাফঃ ৫৪, ইউনুসঃ ৩, রাদঃ ২, ফুরক্বানঃ ৫৯, সাজদাহঃ ৪, হাদীদঃ ৪)