📄 মহান আল্লাহর দুই চক্ষুর প্রমাণ
৬২- মহান আল্লাহর বাণীঃ
وَاصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ فَإِنَّكَ بِأَعْيُنِنَا [ الطور : ٤٨ ]
অর্থাৎ- আপনার পালনকর্তার নির্দেশের অপেক্ষায় আপনি ধৈর্যধারণ করুন। আপনিতো আমার (আল্লাহর) দৃষ্টির সম্মুখেই রয়েছেন। (আত্তরঃ ৪৮)
৬৩- দয়াময় আরো বলেনঃ
وَحَمَلْنَاهُ عَلَى ذَاتِ أَلْوَاحٍ وَدُسُرٍ تَجْرِي بِأَعْيُنِنَا جَزَاءً لِمَنْ كَانَ كُفِرَ
القمر : ١٣ - ١٤]
অর্থাৎ- আমি কাষ্ঠ ও পেরেক নির্মিত এক জলযানে নূহকে আরোহণ করালাম যা আমার দৃষ্টির সামনে পরিচালিত হত। তা ছিল প্রত্যাখ্যানকারী কাফেরের প্রতিফল স্বরূপ।
(আল-ক্বামারঃ ১৩-১৪)
৬৪- মহান আল্লাহ আরো বলেনঃ
وَالْقَيْتُ عَلَيْكَ مَحَبَّةً مِنِّي وَلِتُصْنَعَ عَلَى عَيْنِي [ طه : ۳۹ ]
অর্থাৎ- (হে মূসা!) তোমার প্রতি আমার ভালবাসা ঢেলে দিয়েছিলাম এবং আমি এমন ব্যবস্থা করেছিলাম যে, তুমি আমার দৃষ্টির সামনে লালিত-পালিত হও। (ত্বাহাঃ ৩৯)
📄 মহান আল্লাহর শ্রবণ ও দৃষ্টির প্রমাণ
৬৫- আল্লাহর বাণীঃ
قَدْ سَمِعَ اللَّهُ قَوْلَ الَّتِي تُجَادِلُكَ فِي زَوْجِهَا وَتَشْتَكِي إِلَى اللَّهِ وَالعَهُ
يَسْمَعُ تَحَاوُرَكُمَا إِنَّ اللَّهَ سَمِيعٌ بَصِيرٌ [ المجادلة : ١ ]
অর্থাৎ- আল্লাহ সেই নারীর কথা শুনেছেন, যে তার স্বামীর বিষয়ে তোমার সাথে বাদানুবাদ করছে এবং আল্লাহর দরবারে অভিযোগ পেশ করছে। আল্লাহ তোমাদের উভয়ের কথাবার্তা শুনে না। নিশ্চয় আল্লাহ সবকিছু শুনেন, সবকিছু দেখেন।
(আল-মুজাদিলাঃ ১)
৬৬- তিনি আরো বলেনঃ
لَقَدْ سَمِعَ اللهُ قَوْلَ الَّذِينَ قَالُوا إِنَّ اللهَ فَقِيرٌ وَنَحْنُ أَغْنِيَاءُ سَنَكْتُبُ مَا
قَالُوا [ ال عمران : ۱۸۱ ]
অর্থাৎ- আল্লাহ তাদের কথা শ্রবণ করেছেন যারা বলেছে, আল্লাহ হচ্ছেন অভাবগ্রস্থ আর আমরা বিত্তবান। তারা যা বলেছে আমি অবশ্যই তা লিপিবদ্ধ করব। (আলে ইমরানঃ ১৮১)
৬৭- মহান আল্লাহ আরো বলেনঃ
م يَحْسَبُونَ أَنَّا لَا نَسْمَعُ سِرَّهُمْ وَنَجْوَاهُمْ بَلَى وَرُسُلُنَا لَدَيْهِمْ يَكْتُبُونَ
[الزخرف : ٨٠ ]
অর্থাৎ- তারা কি মনে করে যে, আমি তাদের গোপন বিষয় ও গোপন পরামর্শ শুনতে পাইনা? অবশ্যই আমি খবর রাখি। আর আমার ফিরিস্তাগণ তো তাদের নিকট থেকে সকল কিছুই লিপিবদ্ধ করে নিচ্ছে। (আয-যুখরুফঃ ৮০)
৬৮- তিনি আরো বলেনঃ
إِنَّنِي مَعَكُمَا أَسْمَعُ وَأَرَى [ طه : ٤٦ ]
অর্থাৎ- নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সঙ্গে রয়েছি। আমি সকলকিছু শুনি ও দেখি। (ত্বা-হাঃ ৪৬)
৬৯- মহান আল্লাহ অন্যত্র বলেনঃ
أَلَمْ يَعْلَمُ بِأَنَّ اللَّهَ يَرَى [ العلق : ١٤]
অর্থাৎ- সে কি জানতে পারেনা যে, আল্লাহ সকল কিছুই দেখেন। (আল-আলাক্বঃ ১৪)
৭০- মহান আল্লাহ আরো এরশাদ করেনঃ
نَذِي يَرَاكَ حِينَ تَقُومُ * وَتَقَلَّبَكَ فِي السَّاجِدِينَ [الشعراء : ۲۱۸-۲১৯]
অর্থাৎ- যিনি আপনাকে দেখেন যখন আপনি নামাযে দন্ডায়মান হন এবং নামাযীদের সাথে উঠাবসা করেন। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী। (আশ্-শোআরাঃ ২১৮-২১৯)
৭১- আল্লাহর বাণীঃ
وَقُلِ اعْمَلُوا فَسَيَرَى اللَّهُ عَمَلَكُمْ وَرَسُولُهُ وَالْمُؤْمِنُونَ (التنوية : ١٠٥)
অর্থাৎ- আর তুমি বলে দাও, তোমরা আমল করে যাও, তার পরবর্তীতে আল্লাহ দেখবেন তোমাদের কাজ এবং দেখবেন রাসূল ও মুসলমানগণ। (আত-তাওবাহঃ ১০৫)
📄 মহান আল্লাহর কৌশলের গুণ
মহান আল্লাহর কৌশলের গুণ
৭২- আল্লাহর বাণীঃ
شَدِيدُ الْمِحَالِ | الرعد : ١٣ ]
অর্থাৎ- আর আল্লাহ শাস্তি প্রদানে কঠোর কৌশলী। (আরাদঃ ১৩)
৭৩- আর আল্লাহ ফরমানঃ
وَ مَكَرُوا وَمَكَرَ اللهُ [ ال عمران : ٤ ٥ ]
অর্থাৎ- তারা ছলনার আশ্রয় গ্রহন করে, আল্লাহও নিশ্চয় কৌশল প্রয়োগ করলেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বোত্তম কৌশলী।
(আল-ইমরানঃ ৫৪)
৭৪- আরো আল্লাহর বাণীঃ
وَمَكَرُوا مَكْرًا وَمَكَرْنَا مَكْرًا وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ [ النمل : ٥٠ ]
অর্থাৎ- তারা চক্রান্ত করেছিল এবং আমিও এক চক্রান্তের জাল বিস্তার করেছিলাম কিন্তু তারা বুঝতে পারে না। (আন-নামলঃ ৫০)
৭৫- তিনি আরো এরশাদ করেনঃ
إِنَّهُمْ يَكِيدُونَ كَيْدًا * وَأَكِيدُ كَيْدًا [ الطارق : ١٥ - ١٦]
অর্থাৎ- নিশ্চয় তারা ভীষণ ষড়যন্ত্র করে চলেছে আর আমিও ভীষণ কৌশল অবলম্বন করে থাকি। (আতত্বারিকঃ ১৫-১৬)
৭২- আল্লাহর বাণীঃ
شَدِيدُ الْمِحَالِ | الرعد : ١٣ ]
অর্থাৎ- আর আল্লাহ শাস্তি প্রদানে কঠোর কৌশলী। (আরাদঃ ১৩)
৭৩- আর আল্লাহ ফরমানঃ
وَ مَكَرُوا وَمَكَرَ اللهُ [ ال عمران : ٤ ٥ ]
অর্থাৎ- তারা ছলনার আশ্রয় গ্রহন করে, আল্লাহও নিশ্চয় কৌশল প্রয়োগ করলেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বোত্তম কৌশলী।
(আল-ইমরানঃ ৫৪)
৭৪- আরো আল্লাহর বাণীঃ
وَمَكَرُوا مَكْرًا وَمَكَرْنَا مَكْرًا وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ [ النمل : ٥٠ ]
অর্থাৎ- তারা চক্রান্ত করেছিল এবং আমিও এক চক্রান্তের জাল বিস্তার করেছিলাম কিন্তু তারা বুঝতে পারে না। (আন-নামলঃ ৫০)
৭৫- তিনি আরো এরশাদ করেনঃ
إِنَّهُمْ يَكِيدُونَ كَيْدًا * وَأَكِيدُ كَيْدًا [ الطارق : ١٥ - ١٦]
অর্থাৎ- নিশ্চয় তারা ভীষণ ষড়যন্ত্র করে চলেছে আর আমিও ভীষণ কৌশল অবলম্বন করে থাকি। (আতত্বারিকঃ ১৫-১৬)
📄 মহান আল্লাহর ক্ষমা, রহমত, মান-মর্যাদা ও শক্তির গুণাবলী
মহান আল্লাহর ক্ষমা, রহমত, মান-মর্যাদা ও শক্তির গুণাবলী
৭৬- তাঁর বাণীঃ
إِن تُبْدُوا خَيْرًا أَوْ تُخْفُوهُ أَوْ تَعْفُوا عَنْ سُوءٍ فَإِنَّ اللَّهَ كَانَ عَفُوا قَدِيرًا
النساء : ١٤٩ ]
অর্থাৎ- তোমরা যদি প্রকাশ্যভাবে কল্যাণজনক কাজ কর অথবা তা গোপনে কর বা যদি অপরাধ ক্ষমা করে দাও তবে মনে রাখবে আল্লাহ হচ্ছেন পরম মার্জনাকারী, মহাশক্তিশালী। (
আনিসাঃ ১৪৯)
৭৭- দয়াময় আরো বলেনঃ
ويَعْفُوا وَلْيَصْفَحُوا أَلا تُحِبُّونَ أَنْ يَغْفِرَ اللَّهُ لَكُمْ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَحِيمٌ
[النور: ٢٢ ]
অর্থাৎ- তারা যেন তাদেরকে ক্ষমা করে দেয়, মার্জনা করে দেয়। তোমরা কি চাওনা যে, আল্লাহ তোমাদের ত্রুটি ক্ষমা করেন? বস্তুতঃ আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল অতীব দয়াময়। (সূরা নূরঃ ২২)
৭৮- মহান আল্লাহর বাণীঃ
وَلِنَهِ الْعِزَّةُ وَلِرَسُولِهِ وَلِلْمُؤْمِنِينَ [ المنافقون : ٨ ]
অর্থাৎ- ইজ্জত-সম্মানের অধিকারী হচ্ছেন আল্লাহ তদীয় রাসূল এবং মু'মিন সমাজ। (আল-মুনাফিকুনঃ ৮)
৭৯- মহান আল্লাহর বাণী ইবলিশ সম্পর্কেঃ
فَبِعِزَّتِكَ لَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ [ ص: ৮২ ]
অর্থাৎ- (ইবলীস বলে) আপনার ইজ্জতের শপথ, আমি অবশ্যই তাদের সকলকে বিভ্রান্ত করে ছাড়ব। (আসাদঃ ৮২)
৭৬- তাঁর বাণীঃ
إِن تُبْدُوا خَيْرًا أَوْ تُخْفُوهُ أَوْ تَعْفُوا عَنْ سُوءٍ فَإِنَّ اللَّهَ كَانَ عَفُوا قَدِيرًا
النساء : ١٤٩ ]
অর্থাৎ- তোমরা যদি প্রকাশ্যভাবে কল্যাণজনক কাজ কর অথবা তা গোপনে কর বা যদি অপরাধ ক্ষমা করে দাও তবে মনে রাখবে আল্লাহ হচ্ছেন পরম মার্জনাকারী, মহাশক্তিশালী। (
আনিসাঃ ১৪৯)
৭৭- দয়াময় আরো বলেনঃ
ويَعْفُوا وَلْيَصْفَحُوا أَلا تُحِبُّونَ أَنْ يَغْفِرَ اللَّهُ لَكُمْ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَحِيمٌ
[النور: ٢٢ ]
অর্থাৎ- তারা যেন তাদেরকে ক্ষমা করে দেয়, মার্জনা করে দেয়। তোমরা কি চাওনা যে, আল্লাহ তোমাদের ত্রুটি ক্ষমা করেন? বস্তুতঃ আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল অতীব দয়াময়। (সূরা নূরঃ ২২)
৭৮- মহান আল্লাহর বাণীঃ
وَلِنَهِ الْعِزَّةُ وَلِرَسُولِهِ وَلِلْمُؤْمِنِينَ [ المنافقون : ٨ ]
অর্থাৎ- ইজ্জত-সম্মানের অধিকারী হচ্ছেন আল্লাহ তদীয় রাসূল এবং মু'মিন সমাজ। (আল-মুনাফিকুনঃ ৮)
৭৯- মহান আল্লাহর বাণী ইবলিশ সম্পর্কেঃ
فَبِعِزَّتِكَ لَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ [ ص: ৮২ ]
অর্থাৎ- (ইবলীস বলে) আপনার ইজ্জতের শপথ, আমি অবশ্যই তাদের সকলকে বিভ্রান্ত করে ছাড়ব। (আসাদঃ ৮২)