📄 আল্লাহর আগমনের গুণ
৫৪- মহান আল্লাহ এরশাদ করেনঃ
هَلْ يَنْظُرُونَ إِنَّا أَنْ يَأْتِيَهُمُ اللَّهُ فِي ظُلَلٍ مِنَ الْغَمَامِ وَالْمَلَائِكَةُ وَقُضِيَ
الْأَمْرُ [ البقرة : ۲১০ ]
অর্থাৎ- তারা কি সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে যে, আল্লাহ এবং ফেরেশতাগণ মেঘমালার আড়াল হতে তাঁদের সম্মুখে আগমন করবেন ? আর তাতেই সবকিছু মীমাংসা হয়ে যাবে। (আল-বাক্বারাঃ ২১০)
৫৫- দয়াময় এরশাদ করেনঃ
هَلْ يَنْظُرُونَ إِنَّا أَنْ تَأْتِيَهُمُ الْمَلَائِكَةُ أَوْ يَأْتِيَ رَبُّكَ أَوْ يَأْتِيَ بَعْضُ عَايَاتِ
رَبِّكَ يَوْمَ يَأْتِي بَعْضُ عَايَاتِ رَبِّكَ [الانعام : ١٥٨]
অর্থাৎ- তারা শুধু এ বিষয়ের দিকে চেয়ে আছে যে, তাদের নিকট ফেরেশতা আগমন করবে কিংবা আপনার পালনকর্তা আগমন করবেন অথবা আপনার পালনকর্তার কোন নির্দেশ আসবে।
(আল-আনআমঃ ১৫৮)
৫৬- মহান আল্লাহ পাক আরো বলেনঃ
كَلَّا إِذَا دُكَّتِ الْأَرْضُ دَكَّا دَكَّا * وَجَاءَ رَبُّكَ وَالْمَلَكُ صَفًّا صَفًّا
[ الفجر : ٢١ - ٢٢]
অর্থাৎ- ধন-সম্পদকে প্রাণভরে ভালবাসা অনুচিত। যখন পৃথিবী চূর্ণ-বিচূর্ণ হবে এবং তোমার পালনকর্তা আগমন করবেন এবং ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে উপস্থিত হবেন।
(আলফাজঃ ২১-২২)
৫৭- মহান আল্লাহর বাণীঃ
وَيَوْمَ تَشَقَّقُ السَّمَاءُ بِالْغَمَامِ وَنُزِّلَ الْمَلَائِكَةُ تَنْزِيلًا [ الفرقان: ٢٥ }
অর্থাৎ- সেদিন আকাশ মেঘমালাসহ বিদীর্ণ হবে এবং ফেরেশতাদেরকে নামিয়ে দেয়া হবে। (আল ফুরকানঃ ২৫)
📄 আল্লাহর চেহারার গুণ
৫৮- মহান আল্লাহর বাণীঃ
وَيَبْقَى وَجْهُ رَبِّكَ ذُو الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ [الرحمن : ۲۷ ]
অর্থাৎ- কেবলমাত্র তোমার মহিয়ান ও মহানুভব পালনকর্তার চেহারা (সত্ত্বা) অবিনশ্বর হয়ে বিরাজমান থাকবে । ( আর-রহমানঃ ২৭)
৫৯- দয়াময় আরো বলেনঃ
كُلُّ شَيْءٍ هَالِكَ إِلَّا وَجْهَهُ [ القصص : ۸৮ ]
অর্থাৎ- তাঁর (আল্লাহর) চেহারা (সত্ত্বা) ব্যতীত অন্য সকল কিছুই ধ্বংসশীল। (কাসাসঃ ৮৮}
📄 মহান আল্লাহর দুই হাতের প্রমাণ
৬০- মহান আল্লাহর এরশাদঃ
ما مَنَعَكَ أَنْ تَسْجُدَ لِمَا خَلَقْتُ بِيَدَيَّ [سورة ص : ٧٥]
অর্থাৎ- আমি যাকে স্বহস্তে সৃষ্টি করলাম, তাঁর প্রতি সাজদায় অবনত হতে কিসে তোমাকে বাধা প্রদান করল? (সূরা স্বাদঃ ৭৫)
৬১- আল্লাহ পাক আরো বলেনঃ
وَقَالَتِ الْيَهُودُ يَدُ اللَّهِ مَغْلُولَةٌ غُلَتْ أَيْدِيهِمْ وَلُعِنُوا بِمَا قَالُوا بَلْ يَدَاهُ
مَبْسُوطَتَانِ يُنْفِقُ كَيْفَ يَشَاءُ [ المائدة : ٦٤ ]
অর্থাৎ- ইয়াহুদরা বলে বেড়ায় যে, আল্লাহর হাত সঙ্কুচিত। তাদের হাত সঙ্কুচিত হোক এবং তাদের বক্তব্যের জন্য তারা অভিশপ্ত হোক। বরং আল্লাহর উভয় হস্ত সুপ্রসারিত। তিনি যে ভাবে ইচ্ছা ব্যয় করে থাকেন। (আল-মায়েদাহঃ ৬৪)
📄 মহান আল্লাহর দুই চক্ষুর প্রমাণ
৬২- মহান আল্লাহর বাণীঃ
وَاصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ فَإِنَّكَ بِأَعْيُنِنَا [ الطور : ٤٨ ]
অর্থাৎ- আপনার পালনকর্তার নির্দেশের অপেক্ষায় আপনি ধৈর্যধারণ করুন। আপনিতো আমার (আল্লাহর) দৃষ্টির সম্মুখেই রয়েছেন। (আত্তরঃ ৪৮)
৬৩- দয়াময় আরো বলেনঃ
وَحَمَلْنَاهُ عَلَى ذَاتِ أَلْوَاحٍ وَدُسُرٍ تَجْرِي بِأَعْيُنِنَا جَزَاءً لِمَنْ كَانَ كُفِرَ
القمر : ١٣ - ١٤]
অর্থাৎ- আমি কাষ্ঠ ও পেরেক নির্মিত এক জলযানে নূহকে আরোহণ করালাম যা আমার দৃষ্টির সামনে পরিচালিত হত। তা ছিল প্রত্যাখ্যানকারী কাফেরের প্রতিফল স্বরূপ।
(আল-ক্বামারঃ ১৩-১৪)
৬৪- মহান আল্লাহ আরো বলেনঃ
وَالْقَيْتُ عَلَيْكَ مَحَبَّةً مِنِّي وَلِتُصْنَعَ عَلَى عَيْنِي [ طه : ۳۹ ]
অর্থাৎ- (হে মূসা!) তোমার প্রতি আমার ভালবাসা ঢেলে দিয়েছিলাম এবং আমি এমন ব্যবস্থা করেছিলাম যে, তুমি আমার দৃষ্টির সামনে লালিত-পালিত হও। (ত্বাহাঃ ৩৯)