📄 আল্লাহর শ্রবণ ও দৃষ্টির গুণ
আল্লাহর শ্রবন ও দৃষ্টির গুণ
২৯- আল্লাহর বাণীঃ
نيس كَمِثْنِهِ شَيْءٌ وَهُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ [ الشورى : ١١ ]
অর্থাৎ- তাঁর (আল্লাহর) সদৃশ কোন কিছুই নেই আর তিনি সর্ব-শ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা। (শুরাঃ১১)
৩০- আরোও এরশাদ হচ্ছেঃ
إِنَّ اللَّهَ كَانَ سَمِيعًا بَصِيرًا [النساء : ٥٨]
অর্থাৎ- আল্লাহ তোমাদেরকে কতই না উত্তম উপদেশ প্রদান করেছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা। (আননিসাঃ ৫৮)
📄 আল্লাহর ইচ্ছার গুণ
আল্লাহর ইচ্ছার গুণ
৩১- আল্লাহ পাক এরশাদ করেনঃ
وَلَوْنَا إِذْ دَخَلْتَ جَنَّتَكَ قُلْتَ مَا شَاءَ اللَّهُ لَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
[الكهف : ٣٩ ]
অর্থাৎ- তুমি যখন তোমার বাগানে প্রবেশ করেছিলে তখন কেন এ কথা বললেনা যে, আল্লাহ যা ইচ্ছা করে থাকেন তাই হয়ে থাকে, আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোন শক্তিই আমার নেই।
(সূরা আল কাহাফঃ ৩৯)
৩২- তিনি আরো বলেন:
وَلَوْ شَاءَ اللهُ مَا اقْتَتَلَ الَّذِينَ مِنْ بَعْدِهِمْ مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَتْهُمُ الْبَيِّنَاتُ
وَلَكِنِ اخْتَلَفُوا فَمِنْهُمْ مَنْ عَامَنَ وَمِنْهُمْ مَنْ كَفَرَ وَلَوْ شَاءَ اللَّهُ مَا اقْتَتُو
وَلَكِنَّ اللَّهَ يَفْعَلُ مَا يُرِيدُ [ البقرة
[ ۲۵۳
অর্থাৎ- আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে পরিস্কার নির্দেশ এসে যাবার পর নবী-রাসূলগণের পেছনে যারা ছিল তারা লড়াই করতো না। কিন্তু তাদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়ে গেছে। অতঃপর তাদের কেউ তো ঈমান এনেছে, আর কেউ হয়েছে কাফের। আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে তারা পরষ্পর লড়াই করতো না, কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করেন।
(আল-বাক্বারাঃ ২৫৩)
৩৩- তিনি আরো বলেন:
أحِلَّتْ لَكُمْ بَهِيمَةُ الأَنْعَامِ إِلَّا مَا يُتْلَى عَلَيْكُمْ غَيْرَ مُحِنِّى نَعِيد
وَأَنْتُمْ حُرُمٌ إِنَّ اللَّهَ يَحْكُمُ مَا يُرِيدُ [ المائدة
[
অর্থাৎ- তোমাদের জন্যে চতুষ্পদ জন্তু হালাল করা হয়েছে, যা তোমাদের বিবৃত হবে তা ব্যতীত। কিন্তু এহরাম বাঁধা অবস্থায় শিকারকে হালাল মনে করো না। নিশ্চয় আল্লাহ নিজের ইচ্ছা মত আদেশ প্রদান করে থাকেন। (আল-মায়েদাঃ ১)
৩৪- আরো এরশাদ হচ্ছেঃ
فَمَنْ يُرِدِ اللهُ أَنْ يَهْدِيَهُ يَشْرَحْ صَدْرَهُ لِلْإِسْنَامِ وَمَنْ يُرِدْ أَنْ يُضِلُّهُ يَجْعَلْ
صَدْرَهُ ضَيِّقًا حَرَجًا كَأَنَّمَا يَصْعَدُ فِي السَّمَاءِ الامعاء
:
٠٢٥
অর্থাৎ- আল্লাহ যাকে সৎ পথে পরিচালিত করতে প্রীত হন তার হৃদয়কে ইসলামের জন্য উন্মুক্ত করে দেন। আর যাকে বিভ্রান্ত করতে চান তার অন্তরকে সংকুচিত করে দেন যা তার জন্য আকাশে আরোহণের মতই দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। (আনআমঃ ১২৫)
📄 আল্লাহর ভালবাসার গুণ
৩৫- মহান আল্লাহ এরশাদ করেনঃ
وَأَحْسِنُوا إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُحْسِنِينَ [ البقرة : ١٩٥ ]
অর্থাৎ- মানুষের প্রতি উত্তম ব্যবহার কর, নিশ্চয় আল্লাহ উত্তম ব্যবহারকারীদেরকে ভালবাসেন। (আল-বাক্বারাঃ ১৯৫)
৩৬- আল্লাহ্ পাক আরো বলেনঃ
وَأَقْسِطُوا إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُقْسِطِينَ [ الحجرات : 9 ]
অর্থাৎ- আর তোমরা সুবিচার করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ সুবিচার-কারীদেরকে ভালবাসেন। (আল-হুজরাতঃ ৯)
৩৭- আল্লাহ পাক আরো বলেনঃ
فَمَا اسْتَقَامُوا لَكُمْ فَاسْتَقِيمُوا لَهُمْ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُتَّقِينَ [التوبة : ٧]
অর্থাৎ- তারা যতক্ষণ পর্যন্ত চুক্তিতে স্থির থাকবে তোমরাও ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের জন্য স্থির থাকবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ সংযমশীলদেরকে ভালবাসেন। (তাওবাহঃ ৭)
৩৮- আল্লাহ পাক অন্যত্র বলেনঃ
إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِينَ [ البقرة : ۲۲۲ ]
অর্থাৎ- নিশ্চয় আল্লাহ তাওবাকারীদেরকে ভালবাসেন এবং পূত-পবিত্রদেরকে ভালবাসেন। (সূরা আল্ বাক্বারাহঃ ২২২)
৩৯- আরো বলেনঃ
فَسَوْفَ يَأْتِي اللَّهُ بِقَوْمٍ يُحِبُّهُمْ وَيُحِبُّونَهُ [المائدة : ٥٤ ]
অর্থাৎ- অচিরেই আল্লাহ এমন সম্প্রদায়কে আনয়ন করবেন যাদেরকে আল্লাহ ভালবাসেন এবং যারা আল্লাহকে ভালবাসে। (আল-মায়িদাহঃ ৫৪)
৪০- আল্লাহ পাক অন্যত্র বলেনঃ
إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الَّذِينَ يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِهِ صَفًّا كَأَنَّهُمْ بُنْيَانٌ مَرْصُوص
[ الصف : ٤ ]
অর্থাৎ- নিশ্চয় আল্লাহ তাদেরকে ভালবাসেন যারা শীসা ঢালা প্রাচীরের ন্যায় সারিবদ্ধ হয়ে আল্লাহর পথে সংগ্রাম করে। (আস্ সাফঃ ৪)
৪১- আল্লাহ পাক আরো বলেনঃ
قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْيِبُكُمُ اللَّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ
[آل عمران: ۳۱]
অর্থাৎ- হে নবী! তুমি বলে দাও, তোমরা যদি আল্লাহর সাথে ভালবাসা রাখতে চাও, তাহলে আমার অনুসরণ করে চল। ফলে আল্লাহ তোমাদেরকে ভালবাসবেন এবং তোমাদের পাপরাশিকে মার্জনা করে দিবেন। (আলে-ইমরানঃ ৩১)
📄 আল্লাহর সন্তুষ্টির গুণ
৪২- মহান আল্লাহ এরশাদ করেনঃ
رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ وَرَضُوا عَنْهُ [ البيئة : ٨ ]
অর্থাৎ- আল্লাহ তাদের উপর সন্তুষ্ট এবং তারাও আল্লাহর উপর সন্তুষ্ট। (বাইয়েনাহঃ ৮)