📄 চারিত্রিক বিপ্লব
চিন্তার ক্ষেত্রে যাদের মধ্যে এই পরিবর্তন, এই বিপ্লব সাধিত হচ্ছিল, সাথে সাথে তাদের চরিত্রের মধ্যেও পরিবর্তন সাধিত হচ্ছিল। সংঘটিত হচ্ছিল চারিত্রিক বিপ্লব। এতদিন তারা অসংখ্য খোদার পূজা অর্চনা করতো, এখন এক আল্লাহ্র ইচ্ছাধীন হয়ে অসংখ্য খোদার আনুগত্য করতো, এখন খোদার প্রতিপশালী সর্বশক্তিমান আল্লাহ্ ছাড়া আর কারো সামনে মাথা নত করে না।
📄 সমাজ বিপ্লব
এভাবে মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ সা. সমাজে দুটি ধারা সৃষ্টি করে দিলেন। একটি হলো প্রচলিত ধারা, যার শিরক ও কুফরর উপর অটল থেকে নিজেদের পার্থিব স্বার্থের জন্য সমস্ত শক্তি নিয়োজিত করে রেখেছে। অপরটি হলো, তার সৃষ্ট বিপ্লবী ধারা, যাদের মানসিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছে, নৈতিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছে এবং চারিত্রিক গুণেও আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে।
সহসাই দুটি ধারার মধ্যে দ্বন্দ্ব, সংঘাত ও সংঘর্ষ বাঁধে। কায়েমী স্বার্থবাদী ধারা বিপ্লবী ধারাকে কিছুতেই বরদাশত করে না। বিপ্লবী ধারা দিন দিনই জোরদার হচ্ছে দেখে তারা বিরোধিতায় মাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে। চরম অত্যাচার নির্যাতনের স্টীম রোলার উপর চাপিয়ে দিয়ে বিপ্লবী ধারা তাদের জীবনের পরম লক্ষ্যে উপনীত হবার জন্য এসব কিছুই বরদাশত করে।
কিন্তু রাসূল পাকের সৃষ্ট এই বিপ্লবী ধারা ছিলো যেহেতু সত্যের ধারক, যুক্তির আহবায়ক, তাই দিন দিন তাদের জনবল এবং মনোবল বৃদ্ধি পেতে থাকে।