📘 আদর্শ নেতা মুহাম্মাদ রসুলুল্লাহ > 📄 তিনি কাউকেও অপমানিত করতেন না

📄 তিনি কাউকেও অপমানিত করতেন না


উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. কখনো কাউকে অপমানিত করতেন না। কারো বিষয়ে কোনো অপছন্দনীয় কিছু অবগত হলে তিনি তাকে একথা বলতেন না যে, তুমি এটা কেন করেছো? বরং তিনি সাধারণভাবে সম্বোধন করে বলতেন : ‘লোকদের কী হলো যে তারা এই কথা বলছে?’ এতে করে সেই ব্যক্তি সকলের অগোচরেই সংশোধন হয়ে যেতো। (আবদুল্লাহ নবী)।

📘 আদর্শ নেতা মুহাম্মাদ রসুলুল্লাহ > 📄 তিনি ছিলেন অত্যন্ত বাস্তবধর্মী

📄 তিনি ছিলেন অত্যন্ত বাস্তবধর্মী


আবু হুরাইরা এবং আবু সাঈদ খুদরি রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. একদিন আমাদের নিয়ে ফজর নামায পড়ছিলেন। হঠাৎ তিনি একটি শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পেলেন। নামায শেষ করে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলো : হে আল্লাহ্র রাসূল! আজ আপনি নামায এতোটা সংক্ষিপ্ত করলেন কেন? তিনি বললেন : আমি একটি শিশুর কান্না শুনে আশংকা করলাম (আমার সাথে জামাতে নামাযরত) তার মার মন উদ্বিগ્ન হয়ে পড়বে, (তাই নামায সংক্ষেপ করে দিয়েছি)। (আবদুল্লাহ নবী)।
মালেক ইবনে হুয়াইরিস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. ছিলেন অত্যন্ত দয়ালু, বন্ধুবৎসল এবং মহানুভবশীল। আমরা গোত্রের একটি প্রতিনিধি দল ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা গ্রহণের উদ্দেশ্যে মদিনায় এসে তাঁর সান্নিধ্যে বিশ দিন অবস্থান করেছিলাম। তখন তিনি চিন্তা করলেন, আমাদের হয়তো বাড়ি ফিরে যাবার আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। তাই তিনি আমাদের ডাকলেন, আমাদের বাড়িতে কাকে রেখে এসেছি জিজ্ঞেস করলেন। আমরা তাঁকে বিস্তারিত জানালাম। তখন তিনি বললেন, তোমরা এখন তোমাদের পরিবার পরিজনের কাছে ফিরে যাও এবং তাদের সাথেই অবস্থান করো। -আবদুল্লাহ নবী।

📘 আদর্শ নেতা মুহাম্মাদ রসুলুল্লাহ > 📄 তিনি সুবাস পসন্দ করতেন

📄 তিনি সুবাস পসন্দ করতেন


আনাস রা. বলেন, নবী করিম সা. যখন আমাদের কাছে আসতেন তখন তাঁর সুগন্ধির কারণে আমরা আগেই টের পেতাম, তিনি আসছেন। -আবদুল্লাহ নবী
উম্মুল মু'মিনীনা আয়েশা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. এর নিয়ম ছিলো, তিনি উযূক সুগন্ধি পরতেন না। তিনি শেষ রাতে সুগন্ধি মাখতেন।
আনাস রা. বলেন, নবী করিম সা. বিবিদর ঘরে গেলে সুগন্ধি খোঁজ করতেন। (আবদুল্লাহ নবী)।

📘 আদর্শ নেতা মুহাম্মাদ রসুলুল্লাহ > 📄 তিনি পরামর্শ করে কাজ করতেন

📄 তিনি পরামর্শ করে কাজ করতেন


রাসূলুল্লাহ সা. শরীয়তের বিধান দেয়া ছাড়া বাকি অন্যান্য কাজ তাঁর সাথিদের সাথে পরামর্শ করে করতেন। বরং আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তায়ালাহ তাঁকে পরামর্শ করে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ্ নবীর হিসেবে তিনি লোকদের উপর নিজের মত ও সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা না করে পরামর্শ গ্রহণ করেই কাজ করতেন। উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা রা. বলেন, নিজের লোকদের সাথে পরামর্শ করে কাজ করার ক্ষেত্রে আমি রাসূলুল্লাহ সা. এর চেয়ে অগ্রসর আর কোনো লোককে দেখিনি। (তিরমিযি)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00