📄 তিনি সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিতেন
আবদুল্লাহ ইবনে আবি আউফা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. আল্লাহকে অধিক অধিক স্মরণ করতেন। কদাচিত অর্থাৎ কথা বলতেন। তিনি নামায দীর্ঘ করতেন, ভাষণ সংক্ষিপ্ত করতেন। (নাসায়ী ও দারেমি)।
📄 সাথি সহকর্মীদের প্রতি ছিলো তাঁর অগাধ দরদ
জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. একটি ঘরে প্রবেশ করলেন। তখন খাটে একটি লোক শুয়ে হয়ে গেলো। আমি পরে এসে ঘরে ঢুকলাম। জাবির রা. বলেন, আমি তার পাশে গিয়ে বসলাম। ভিতর থেকে নবী করিম সা. আমাকে বাইরে আসতে বলতে দেখে নিজের ভাগ্যকে ধিক্কার দিয়ে বলতে বলতে আমার দিকে এলেন। বললেন, ‘এটি খিদে রাগে।’ জাবির বলেন, আমি কাপড়টি তুলে নিয়ে আমার মুখমন্ডলে চেপে ধরলাম এবং তাঁকে তা নিয়ে যেতে বললাম। (আবদুল্লাহ ইবনু ইসফাহানি)।
আনাস রা. বলেন, নবী করিম সা. যদি একাধারে তিনদিন কোনো দীনি ভাইকে না দেখতেন, তখন তার সম্পর্কে অন্যদের জিজ্ঞাসা করতেন। যদি জানতেন সে সফরে আছে, তখন তার জন্য দু'আ করতেন। যদি জানতেন বাড়িতেই আছে, তবে গিয়ে খোঁজখবর নিতেন। আর যদি জানতেন অসুস্থ হয়েছে, তবে সেবা শুশ্রূষা করতেন। (আবদুল্লাহ নবী)।
📄 তিনি সাথিদের সাথে হাসি খুশি থাকতেন
আবদুল্লাহ ইবনে হারিস ইবনে জাযই রা. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সা.-এর চেয়ে অধিক হাসি-খুশি মানুষ আর দেখিনি। (মিশকাত)।
উমারা বিনতে আবদুর রহমান রা. বলেন, আমি উম্মুল মু'মিনীন আয়েশাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, রাসূলুল্লাহ সা. ঘরে কীভাবে সময় কাটাতেন? তিনি বলেছেন : রাসূলুল্লাহ সা. ছিলেন সবচেয়ে ভদ্র, নম্র, চমৎকার এবং সবচেয়ে হাসিখুশি মানুষ। (আবদুল্লাহ নবী)।
আবুদ দারদা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. যখন কারো সাথে কোনো কথা বলতেন, তখন তাঁর মুখে স্মিত হাসি ফুটে উঠতো। (আবদুল্লাহ নবী)।
📄 তিনি কাউকেও অপমানিত করতেন না
উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. কখনো কাউকে অপমানিত করতেন না। কারো বিষয়ে কোনো অপছন্দনীয় কিছু অবগত হলে তিনি তাকে একথা বলতেন না যে, তুমি এটা কেন করেছো? বরং তিনি সাধারণভাবে সম্বোধন করে বলতেন : ‘লোকদের কী হলো যে তারা এই কথা বলছে?’ এতে করে সেই ব্যক্তি সকলের অগোচরেই সংশোধন হয়ে যেতো। (আবদুল্লাহ নবী)।