📄 সব সময় সহজ কাজটি করতেন
উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা.-কে যখন দুটি বিষয়ের যে কোনো একটি গ্রহণ করার অবকাশ দেয়া হতো, তখন তিনি অবশ্যি উভয়টির মধ্যে সহজটি গ্রহণ করতেন। কিন্তু সেটি যদি গুনাহের কাজ হতো, তবে তিনি সেটি থেকে সকলের চেয়ে দূরে থাকতেন। তাঁর এ নীতির ব্যতিক্রম কখনো হয়নি। (বুখারি ও মুসলিম)।
📄 তিনি ছিলেন সরল জীবনের অধিকারী
প্রিয় নবী সা. তাঁর সাহাবিদেরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তোমরা সব সময় মানুষকে সুসংবাদ দেবে, নিরাশ করবে না। সহজতা বিধানের নীতি অবলম্বন করবে, কাঠিন্য আরোপ করবে না। (বুখারি ও মুসলিম)।
আনাস রা. বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সা. রোগীর সেবা করতেন, কঠিনের সাথে যেতেন, সেবক কর্মচারীদের দায়িত্ব গ্রহণ করতেন এবং গাধার পিঠে চড়তেন। (ইবনে মাজাহ)
উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা রা. বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সা. নিজেই নিজের জুতা মেরামত করতেন, নিজের কাপড় সেলাই করতেন এবং তোমাদের মতোই ঘরের কাজে লেগে থাকতেন। তিনি অন্যান্য মানুষের মতোই একজন মানুষ ছিলেন। তিনি নিজের কাপড় চোপড় থেকে পোকা বাছতেন, নিজ বকরীর দুধ দোহন করতেন এবং নিজের কাজ নিজেই করতেন। (তিরমিযি)।
আবদুল্লাহ ইবনে আবি আউফা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. অভাবী, গরীব ও দরিদ্রের সাথে চলাফেরা করতে কোনো প্রকার সংকোচ বোধ করতেন না। তিনি তাদের প্রয়োজন পূরণ করতেন এবং বিধবাদের সাহায্য সহযোগিতা করতেন। (নাসায়ী ও দারেমি)।
📄 তিনি ছিলেন পরম সৌজন্য বোধের অধিকারী
আনাস রা. বলেন রাসূলুল্লাহ সা. যখন কারো সাথে মুসাফাহা করতেন, তখন তিনি নিজের হাত ততক্ষণে পর্যন্ত না যেতোক্ষণ না সে ব্যক্তি নিজের হাত সরিয়ে নিতো। তিনি ততক্ষণে পর্যন্ত তার দিক থেকে মুখ ফিরাতেন না, যতক্ষণ না সে নিজে নিজের মুখ ফিরিয়ে নিতো। তাঁকে কখনো মানুষের দিকে পা ছড়িয়ে বসতে দেখা যায়নি। (তিরমিযি)।
📄 তিনি সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিতেন
আবদুল্লাহ ইবনে আবি আউফা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. আল্লাহকে অধিক অধিক স্মরণ করতেন। কদাচিত অর্থাৎ কথা বলতেন। তিনি নামায দীর্ঘ করতেন, ভাষণ সংক্ষিপ্ত করতেন। (নাসায়ী ও দারেমি)।