📘 আদর্শ নেতা মুহাম্মাদ রসুলুল্লাহ > 📄 তিনি অধিক সময় নিরব থাকতেন

📄 তিনি অধিক সময় নিরব থাকতেন


রাসূলুল্লাহ সা. কখনো বাজে এবং অনর্থক কথা বলতেন না। প্রয়োজনীয় কথা বলতেন, অর্থাৎ কথা বলতেন এবং কম কথা বলতেন। দীর্ঘ সময় কথা না বলে নিরব থাকতেন। জাবির ইবনে সামুরা রা. বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সা. দীর্ঘ সময় ধরে নিরব থাকতেন। (মিশকাত)।

📘 আদর্শ নেতা মুহাম্মাদ রসুলুল্লাহ > 📄 সাহায্যকারী ও সহকর্মীদের দোষত্রুটি উপেক্ষা করতেন

📄 সাহায্যকারী ও সহকর্মীদের দোষত্রুটি উপেক্ষা করতেন


আনাস রা. বলেন, আমি আট বছর বয়সে রাসূলুল্লাহ সা. এর কাছে এসেছি এবং দশ বছর কাল তাঁর খেদমত করেছি। তিনি কখনো আমাকে তিরস্কার করেননি। আমার কোনো কাজে কখনো ‘উহ’ শব্দটি উচ্চারণ করেননি। এমনকি ‘এটা করলে কেন?', 'ওটা করলে না কেন?'-এরকম কথা কখনোই আমাকে বলেননি। আমার হাতে কখনো কিছু নষ্ট হবার কারণে কেউ আমাকে তিরস্কার করলে তিনি বলতেন, যা হবার হয়ে গেছে, ওকে ছেড়ে দাও। (বুখারি, মুসলিম)।

📘 আদর্শ নেতা মুহাম্মাদ রসুলুল্লাহ > 📄 তিনি নিজের ব্যাপারে কখনো প্রতিশোধ নিতেন না

📄 তিনি নিজের ব্যাপারে কখনো প্রতিশোধ নিতেন না


রাসূলুল্লাহ সা. কখনো নিজের ব্যাপারে কারো উপর প্রতিশোধ নিতেন না। তবে কারো দাবি থাকলে নিজের উপর প্রতিশোধ নিতে দিতেন। উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা রা. বলেন : রাসূলুল্লাহ সা. আল্লাহ্র পথে-জিহাদের অবস্থা ছাড়া কখনো নিজের হাতে আঘাত করেননি। নিজের ব্যাপারে কারো কারো উপর প্রতিশোধ নেননি। (বুখারি ও মুসলিম)।

📘 আদর্শ নেতা মুহাম্মাদ রসুলুল্লাহ > 📄 সব সময় সহজ কাজটি করতেন

📄 সব সময় সহজ কাজটি করতেন


উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা.-কে যখন দুটি বিষয়ের যে কোনো একটি গ্রহণ করার অবকাশ দেয়া হতো, তখন তিনি অবশ্যি উভয়টির মধ্যে সহজটি গ্রহণ করতেন। কিন্তু সেটি যদি গুনাহের কাজ হতো, তবে তিনি সেটি থেকে সকলের চেয়ে দূরে থাকতেন। তাঁর এ নীতির ব্যতিক্রম কখনো হয়নি। (বুখারি ও মুসলিম)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00