📄 তিনি ছিলেন অত্যন্ত লজ্জাশীল
আবু সাঈদ খুদরি রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. ছিলেন পর্দানশীল কুমারী মেয়েদের চেয়েও অধিক লজ্জাশীল। তিনি যখন কিছু অপছন্দ করতেন, তখন আমরা তাঁর মুখমণ্ডলের দিকে তাকিয়ে তা বুঝতে পারতাম। (বুখারি ও মুসলিম)।
সাহল ইবনে সা'দ রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. ছিলেন অত্যধিক লজ্জাশীল। যখনই তাঁর কাছে কিছু চাওয়া হতো, তিনি দিয়ে দিতেন। (আবদুল্লাহ নবী)।
📄 তিনি কথার খই ফুটাতেন না
উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা রা. বলেন, তোমরা যেমন কথার খই ফুটাও, রাসূলুল্লাহ সা. সেরকম অনবরত কথা বলতেন না। বরং তিনি যখন কথা বলতেন, তখন এমনভাবে শান্তভাবে ধীরে ধীরে থেমে থেমে কথা বলতেন, যে কেউ ইচ্ছা করলে তাঁর কথাগুলো গুনে রাখতে পারতো। (বুখারি ও মুসলিম)।
জাবির রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. পরিষ্কার ও স্পষ্ট করে কথা বলতেন এবং তিনি প্রতিটি কথাকে আলাদা ও স্বতন্ত্র করে উচ্চারণ করতেন। (আবু দাউদ)।
📄 তিনি অধিক সময় নিরব থাকতেন
রাসূলুল্লাহ সা. কখনো বাজে এবং অনর্থক কথা বলতেন না। প্রয়োজনীয় কথা বলতেন, অর্থাৎ কথা বলতেন এবং কম কথা বলতেন। দীর্ঘ সময় কথা না বলে নিরব থাকতেন। জাবির ইবনে সামুরা রা. বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সা. দীর্ঘ সময় ধরে নিরব থাকতেন। (মিশকাত)।
📄 সাহায্যকারী ও সহকর্মীদের দোষত্রুটি উপেক্ষা করতেন
আনাস রা. বলেন, আমি আট বছর বয়সে রাসূলুল্লাহ সা. এর কাছে এসেছি এবং দশ বছর কাল তাঁর খেদমত করেছি। তিনি কখনো আমাকে তিরস্কার করেননি। আমার কোনো কাজে কখনো ‘উহ’ শব্দটি উচ্চারণ করেননি। এমনকি ‘এটা করলে কেন?', 'ওটা করলে না কেন?'-এরকম কথা কখনোই আমাকে বলেননি। আমার হাতে কখনো কিছু নষ্ট হবার কারণে কেউ আমাকে তিরস্কার করলে তিনি বলতেন, যা হবার হয়ে গেছে, ওকে ছেড়ে দাও। (বুখারি, মুসলিম)।