📄 তিনি সকলের আবদার রক্ষা করতেন
আনাস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. যখন ফজরের সালাত পড়া শেষ করতেন, তখন মদিনার লোকরা ঢাকনা-ঢাকনাওয়ালা তাঁর কাছে পাত্র ভরা পানি নিয়ে উপস্থিত হতো (যেনো তিনি ওসব পাত্রে পানি স্পর্শ করে দেন)। তখন তিনি তাদের প্রত্যেকের পাত্রে পানি হাত ডুবিয়ে দিতেন। অনেক সময় তারা শীতের সকালেও আসতো। তখনো তিনি তাদের পানির পাত্রে হাত ডুবিয়ে দিতেন। (সহীহ মুসলিম)।
আনাস রা. বলেন, মদিনার একটি ছোট বালিকাও নবী করিম সা. কে হাত ধরে (নিজের অভিযোগ জানানোর জন্য) যেখানে ইচ্ছে নিয়ে যেতে পারতো। (বুখারি)।
📄 তিনি কখনো মানুষকে খারাপ কথা বলতেন না
আনাস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. কখনো কাউকেও অশ্লীল-অশালীন কথা বলতেন না, অভিশাপ দিতেন না এবং গালিগালাজ করতেন না। কারো প্রতি অসন্তুষ্ট হলে শুধু এতোটুকু বলতেন : তার কি হলো, তার কপাল ধূলোমলিন হোক! (সহীহ বুখারি)।
📄 তিনি ছিলেন অত্যন্ত লজ্জাশীল
আবু সাঈদ খুদরি রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. ছিলেন পর্দানশীল কুমারী মেয়েদের চেয়েও অধিক লজ্জাশীল। তিনি যখন কিছু অপছন্দ করতেন, তখন আমরা তাঁর মুখমণ্ডলের দিকে তাকিয়ে তা বুঝতে পারতাম। (বুখারি ও মুসলিম)।
সাহল ইবনে সা'দ রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. ছিলেন অত্যধিক লজ্জাশীল। যখনই তাঁর কাছে কিছু চাওয়া হতো, তিনি দিয়ে দিতেন। (আবদুল্লাহ নবী)।
📄 তিনি কথার খই ফুটাতেন না
উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা রা. বলেন, তোমরা যেমন কথার খই ফুটাও, রাসূলুল্লাহ সা. সেরকম অনবরত কথা বলতেন না। বরং তিনি যখন কথা বলতেন, তখন এমনভাবে শান্তভাবে ধীরে ধীরে থেমে থেমে কথা বলতেন, যে কেউ ইচ্ছা করলে তাঁর কথাগুলো গুনে রাখতে পারতো। (বুখারি ও মুসলিম)।
জাবির রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. পরিষ্কার ও স্পষ্ট করে কথা বলতেন এবং তিনি প্রতিটি কথাকে আলাদা ও স্বতন্ত্র করে উচ্চারণ করতেন। (আবু দাউদ)।