‘ইকরিমাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) আমাকে ও তাঁর ছেলে ‘আলী (রহঃ)- কে বললেনঃ তোমরা উভয়ই আবূ সা’ঈদ (রাঃ) এর নিকট যাও এবং তাঁর হতে হাদীস শুনে আস। আমরা গেলাম। তখন তিনি একটা বাগানে কাজ করছেন। তিনি আমাদেরকে দেখে চাদরে হাঁটু মুড়ি দিয়ে বসলেন এবং পরে হাদীস বর্ণনা শুরু করলেন। শেষ পর্যায়ে তিনি মসজিদে নাববী নির্মাণ আলোচনায় আসলেন। তিনি বললেনঃ আমরা একটা একটা করে কাঁচা ইট বহন করছিলাম আর ‘আম্মার (রাঃ) দু’টো দুটো করে কাঁচা ইট বহন করছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা দেখে তার দেহ হতে মাটি ঝাড়তে লাগলেন এবং বলতে লাগলেনঃ ‘আম্মারের জন্য আফসোস, তাকে বিদ্রোহী দল হত্যা করবে। সে তাদেরকে আহবান করবে জান্নাতের দিকে আর তারা তাকে আহবান করবে জাহান্নামের দিকে। আবূ সা’ঈদ (রাঃ) বলেনঃ তখন আম্মার (রাঃ) বললেনঃ “আমি ফিতনা হতে আল্লাহ্র নিকট আশ্রয় চাচ্ছি।” (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৩৪)
‘ইকরিমা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) তাকে ও ‘আলী ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্কে বলেছিলেন যে, তোমরা আবূ সা‘ঈদ (রাঃ)-এর নিকট যাও এবং তার কিছু বর্ণনা শোন। অতঃপর আমরা তার নিকট গেলাম। সে সময় তিনি ও তার ভাই বাগানে পানি সেচের কাজে ছিলেন। আমাদের দেখে তিনি আসলেন এবং দু’ হাঁটু বুকের সঙ্গে লাগিয়ে বসে বললেন, মসজিদে নববীর জন্য আমরা এক একটি করে ইট বহন করছিলাম। আর ‘আম্মার (রাঃ) দু’ দু’টি করে বহন করছিল। সে সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার পাশ দিয়ে গেলেন এবং তার মাথা থেকে ধূলাবালি মুছলেন এবং বললেন, আম্মারের জন্য বড় দুঃখ হয়, বিদ্রোহী দল তাকে হত্যা করবে। সে (‘আম্মার) (রাঃ) তাদেরকে আল্লাহ্র দিকে ডাকবে এবং তারা আম্মারকে জাহান্নামের দিকে ডাকবে।
আবূ নায্রাহ্ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি তার নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, (তামাত্তু’ হাজ্জ ও মুত্’আহ্ বিবাহ) সম্পর্কে ইবনু ‘আব্বাস ও ইবনু যুবায়র (রাঃ)-এর মধ্যে মতবিরোধ চলছে। জাবির (রাঃ) বললেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে তা করেছি। এরপর ‘উমার (রাঃ) আমাদের তা করতে নিষেধ করেন। অতএব আমরা আর কখনও তা করিনি। (ই.ফা. ২৮৯১, ই.সে. ২৮৯০)
এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...