‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্যগ্রহণের সালাতে তাঁর কির’আত সশব্দে পাঠ করেন। কির’আত সমাপ্ত করার পর তাক্বীর বলে রুকু’ করেন। যখন রুকু’ হতে মাথা তুললেন, তখন বললেন (আরবি), অতঃপর এ গ্রহণ-এর সালাতেই তিনি আবার কির’আত পাঠ করেন এবং চার রুকূ’ ও চার সিজদাসহ দু’রাক’আত সালাত আদায় করেন।
আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা যুহর ও ‘আস্রের সলাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কিয়ামের (দাঁড়ানোর) পরিমাণ নিরূপণ করার চেষ্টা করতাম। যুহরের প্রথম দু’রাক’আতে তাঁর কিয়ামের পরিমাণ ছিল সূরাহ্ “আলিফ, লাম, মীম, তানযীলুল সিজদা” পাঠ করার পরিমাণ সময়। তার পরবর্তী দু’রাক’আত আমরা তাঁর কিয়ামের পরিমাণ নিরূপণ করেছি ঐ সূরার অর্ধেক পাঠ করার পরিমাণ সময়। আমরা ‘আস্রের দু’রাক’আতে তাঁর কিয়ামের পরিমাণ নিরূপণ করেছি যুহরের শেষের দু’রাক’আত তাঁর কিয়ামের পরিমাণ সময়। আর ‘আস্রের শেষ দু’রাক’আত তাঁর কিয়ামের পরিমাণ ছিল- প্রথম দু’রাক’আতের অর্ধেক পরিমাণ সময়। আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্ তাঁর বর্ণনায় সূরাহ্ “আলিফ লাম মীম তানযীলের” উল্লেখ করেননি। তিনি কিয়ামের পরিমাণ ত্রিশ আয়াত পাঠের পরিমাণ সময় উল্লেখ করেছেন। (ই. ফা. ৮৯৬, ই. সে. ৯০৮)
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্য বা চন্দ্র গ্রহণের নামায আদায় করলেন এবং তাতে সুস্পষ্ট আওয়াজে কিরা‘আত পাঠ করলেন। -সহীহ্। সহীহ্ আবূ দাঊদ- (১০৭৪), বুখারী ও মুসলিম।
এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...