মুয়াত্তা ইমাম মালিক অঃ→নামাযের সময় সম্পর্কীয় বিবিধ রেওয়ায়ত হাঃ-২২

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

আসরের নামায হতে ফেরার পথে উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর এমন এক ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎ হল যিনি আসরের নামাযে হাজির হন নাই। উমার (রাঃ) বললেন আসরের নামায হতে তোমাকে কোন বস্তু বিরত রাখল? লোকটি তাঁর (উমারের) নিকট কারণ জানালেন। কারণ শুনে উমার (রা) বললেন, (জামা’আতে হাযির না হওয়ায়) তোমার সওয়াব কমেছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, বলা হয়ে থাকে “প্রত্যেক বস্তুর পূর্ণতা এবং ক্ষতি বা লোকসান রয়েছে।”


সহিহ বুখারী অঃ→বসে সালাত আদায়কারী সুস্থ হয়ে গেলে কিংবা একটু হাল্‌কাবোধ করলে, বাকী সালাত (দাঁড়িয়ে) পূর্ণভাবে আদায় করবে। হাঃ-১১১৮

উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অধিক বয়সে পৌঁছার পূর্বে কখনো রাতের সালাত বসে আদায় করতে দেখেননি। (বার্ধক্যের) পরে তিনি বসে কির’আত পাঠ করতেন। যখন তিনি রুকূ’ করার ইচ্ছা করতেন, তখন দাঁড়িয়ে যেতেন এবং প্রায় ত্রিশ কিংবা চল্লিশ আয়াত তিলাওয়াত করে রুকূ’ করতেন।


সহিহ বুখারী অঃ→রমযানে ও অন্যান্য সময়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রাত্রি জেগে ইবাদাত করা। হাঃ-১১৪৮

উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাতের কোন সালাতে আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বসে কির’আত পড়তে দেখিনি। অবশ্য শেষ দিকে বার্ধক্যে উপনীত হলে তিনি বসে কির’আত পড়তেন। যখন (পঠিত) সূরার ত্রিশ চল্লিশ আয়াত অবশিষ্ট থাকত, তখন দাড়িঁয়ে যেতেন এবং সেগুলো পড়ার পর রুকু করতেন।


সহিহ মুসলিম অঃ→অন্ধ ব্যক্তির সাথে চক্ষুস্মান লোক থাকলেও তার আযান দেয়া জায়িয হাঃ-৭৩১

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু মাকতূম (রাঃ) রসূল্ললাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সম্মতিতে আযান দিতেন। তখন তিনি ছিলেন অন্ধ। (ই. ফা. ৭২৯, ই. সে. ৭৪৪)


মুয়াত্তা ইমাম মালিক অঃ→নামাযের সময় সম্পর্কীয় বিবিধ রেওয়ায়ত হাঃ-২৩

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

মুসল্লি এমন সময়ে নামায আদায় করবে, যখন তাঁর নামাযের ওয়াক্ত ফাউত হয় নি, তাই খুবই উত্তম, কিন্তু মুসল্লির নামাযের যে সময় ফাউত হয়ে গিয়াছে (অর্থাৎ মুস্তাহাব সময় ফাউত হয়ে মাকরূহ ওয়াক্ত উপস্থিত হয়েছে) তবে সেই (ফাউত হওয়া মুস্তাহাব) সময় তাঁর পরিজন ও মাল অপেক্ষাও খুবই উত্তম। মালিক (র) বলেন, সফরকালে (যেই সফরে নামায কসর আদায় করতে হয় সেইরূপ সফর) যে ব্যক্তির নামাযের সময় উপস্থিত হয়েছে, সে যদি ভুলে অথবা ব্যস্ততাবশত নামায আদায়ে দেরি করে এবং এই অবস্থায় নিজের কাছে ফিরে আসে, তবে সে যদি নামাযের সময় থাকিতে পরিজনের কাছে ফিরে আসে সে মুকীমের নামায আদায় করবে, আর যদি নামাযের সময় চলে যাওয়ার পর ফিরে আসে, সে মুসাফিরের নামায আদায় করবে। কারণ যেরূপ তার উপর ফরয হয়েছিল সেইরূপ সে কাযা আদায় করবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের নগরীর লোকজন ও আহলে ইলমকে আমি এর উপরই পেয়েছি (অর্থাৎ তাঁদের আমল ও অভিমতও ঐরূপই ছিল)। মালিক (র) বলেন, অস্তাচলে যে লালিমা দৃষ্ট হয় তাই শফক। লালিমা চলে গেলে ইশার নামায ওয়াজিব হল এবং তুমি মাগরিবের সময় হতে বের হলে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)


সহিহ বুখারী অঃ→বসে সালাত আদায়কারী সুস্থ হয়ে গেলে কিংবা একটু হাল্‌কাবোধ করলে, বাকী সালাত (দাঁড়িয়ে) পূর্ণভাবে আদায় করবে। হাঃ-১১১৯

উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসে সালাত আদায় করতেন। বসেই তিনি কির’আত পাঠ করতেন। যখন তাঁর কিরা’আতের প্রায় ত্রিশ বা চল্লিশ আয়াত বাকী থাকত, তখন তিনি দাঁড়িয়ে যেতেন এবং দাঁড়িয়ে তা তিলাওয়াত করতেন, অতঃপর রুকূ’ করতেন; পরে সিজদা করতেন। দ্বিতীয় রাক’আতেও তেমনই করতেন। সালাত শেষ করে তিনি লক্ষ্য করতেন, আমি জেগে থাকলে আমার সাথে কথা বলতেন আর ঘুমিয়ে থাকলে তিনিও শুয়ে পরতেন।


বিষয়ভিত্তিক হাদিস লোড হচ্ছে...

এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...