সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->দাঁড়িয়ে ও বসে নাফ্‌ল সলাত আদায় এবং একই রাক’আতের অংশ বিশেষ দাঁড়িয়ে ও অংশ বিশেষ বসে আদায় করার বৈধতা হাঃ-১৫৮৯

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি কখনো রসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাতের সলাতে বসে কিছু পড়তে (ক্বিরাআত করতে) দেখিনি। তবে পরবর্তী সময়ে তিনি বৃদ্ধ হয়ে পড়লে বসে বসেই ক্বিরাআত করতেন এবং শেষের সূরার ত্রিশ কিংবা চল্লিশ আয়াত যখন অবশিষ্ট থাকত তখন দাঁড়িয়ে ঐ আয়াতগুলো পড়তেন এবং রুকু’ করতেন। (ই.ফা. ১৫৭৪, ই.সে ১৫৮১)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->বসে সালাত আদায় করা হাঃ-৯৫৩

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাতের সালাত কখনও বসে ক্বিরাআত করতে দেখিনি। অবশেষে বৃদ্ধ বয়সে পৌছলে তিনি রাতের সালাত বসে ক্বিরাআত করতেন এবং চল্লিশ কিংবা ত্রিশ আয়াত বাকী থাকতে উঠে দাঁড়িয়ে তা পাঠ সম্পন্ন করে সিজদায় যেতেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->পূর্ণ রাত্রি জাগরণ সম্পর্কে আয়েশা (রাঃ)-এর মতপার্থক্য হাঃ-১৬৪৯

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কখনো বসে সালাত আদায় করতে দেখিনি। যখন তাঁর বার্ধক্য এসে গেল, তিনি বসে বসেও সালাত আদায় করতেন, কুরআন তিলাওয়াত করতেন। যখন সূরার ত্রিশ কি চল্লিশ আয়াত পরিমাণ অবশিষ্ট থাকত তিনি দাঁড়িয়ে যেতেন এবং অবশিষ্ট আয়াতগুলো তিলাওয়াত করে নিতেন, তারপর রুকূ করতেন।