ইবনু আবী সালিত (র) থেকে বর্নিতঃ
উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) জুম’আর সালাত মদীনায় আদায় করেছেন, আর আসরের সালাত ‘মলালা’ [১] নামক জায়গায়। মালিক (র) বলেন, ইহা তানজীর (সূর্য পশ্চিমে ঢলার পরপরই জুম’আ আদায় করা) ও দ্রুতগতিতে পথ অতিক্রমের জন্য। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইব্ন মুহায়রিয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুখদাজী নামক বনূ কিনানার জনৈক ব্যক্তি আবূ মুহাম্মদ নামক এক ব্যক্তিকে সিরিয়ায় বলতে শুনেছেন যে, বিতরের সালাত ওয়াজিব।[১] মুখদাজী বলেন, আমি একথা শুনে উবাদা ইব্ন সামিত (রাঃ) -এর নিকট গেলাম। আমি যখন তাঁর নিকট পৌঁছি তখন তিনি মসজিদে যাচ্ছিলেন। আমি তাঁকে আবূ মুহাম্মদের বক্তব্য শুনালাম। উবাদা (রাঃ) বললেন: আবূ মুহাম্মদ ভুল বলেছেন।[২] আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ্ তা‘আলা বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। যে ব্যক্তি এই পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবে এবং এগুলোর মধ্যে কোন সালাত হালকা জ্ঞানে ছেড়ে দেবে না, তার জন্য আল্লাহ্র ওয়াদা হলো-তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। যে ব্যক্তি এই পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবেনা, তার জন্য আল্লাহ্র কোন ওয়াদা নেই। ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি দিতে পারেন আবার ইচ্ছা করলে জান্নাতেও প্রবেশ করাতে পারেন।
উবাদাহ ইবনুস-সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। যে ব্যক্তি সলাতের কোন হক নষ্ট না করে তা যথাযতভাবে আদায় করবে, নিশ্চয় আল্লাহ্র নিকট কিয়ামাতের দিন তার জন্য এই প্রতিশ্রুতি আছে যে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আর যে ব্যক্তি সলাতের হক নষ্ট করবে এবং যথাযতভাবে সালাত পড়বে না, তার জন্য আল্লাহ্র কাছে কোন অঙ্গীকার নেই। তিনি ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি দিবেন, অন্যথায় মাফ করবেন। [১৪০১]
এ্যাডভান্স এনালাসিস লোড হচ্ছে...