মিহজান ইবনুল আদরা’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদে প্রবেশ করে দেখলেন, এক ব্যক্তি সালাত শেষে তাশাহুদ পড়ছে এবং সে এটাও পড়ছে যে, “হে আল্লাহ, হে একক ও অমুখাপেক্ষী আল্লাহ, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয়নি, তাঁর সমকক্ষও কেউ নেই, আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করছি, আপনি আমার গুনাহ ক্ষমা করে দিন। আপনি ক্ষমাশীল ও মেহেরবান।” মিহজান (রাঃ) বলেন, লোকটির এ দু‘আ শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে, তাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে। তিনি একথা তিনবার বললেন।
ইব্ন মুহায়রিয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুখদাজী নামক বনূ কিনানার জনৈক ব্যক্তি আবূ মুহাম্মদ নামক এক ব্যক্তিকে সিরিয়ায় বলতে শুনেছেন যে, বিতরের সালাত ওয়াজিব।[১] মুখদাজী বলেন, আমি একথা শুনে উবাদা ইব্ন সামিত (রাঃ) -এর নিকট গেলাম। আমি যখন তাঁর নিকট পৌঁছি তখন তিনি মসজিদে যাচ্ছিলেন। আমি তাঁকে আবূ মুহাম্মদের বক্তব্য শুনালাম। উবাদা (রাঃ) বললেন: আবূ মুহাম্মদ ভুল বলেছেন।[২] আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ্ তা‘আলা বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। যে ব্যক্তি এই পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবে এবং এগুলোর মধ্যে কোন সালাত হালকা জ্ঞানে ছেড়ে দেবে না, তার জন্য আল্লাহ্র ওয়াদা হলো-তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। যে ব্যক্তি এই পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবেনা, তার জন্য আল্লাহ্র কোন ওয়াদা নেই। ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি দিতে পারেন আবার ইচ্ছা করলে জান্নাতেও প্রবেশ করাতে পারেন।