সুনানে ইবনে মাজাহ > কোন ব্যক্তি সফরের প্রাক্কালে যে দুআ’ পড়বে

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৮৮

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ هِشَامٍ، صَاحِبِ الدَّسْتَوَائِيِّ عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ زِيَادٍ الْعَدَوِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ ‏ مَا مِنْ دَعْوَةٍ يَدْعُو بِهَا الْعَبْدُ أَفْضَلَ مِنَ - اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْمُعَافَاةَ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ ‏" ‏ ‏‏

আবদুল্লাহ বিন সারজিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরে রওয়ানার প্রাক্কালে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট সফরের ব্যর্থতা, প্রাচুর্যের পরে রিক্ততা, নির্যাতিতের বদদোয়া এবং পরিবার-পরিজন ও মাল-সম্পদের প্রতি কুদৃষ্টি থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি”।আবূ মুআবিয়ার বর্ণনায় আরো আছে : তিনি ফিরে এসেও অনূরূপ বলতেন। [৩২২০]


সুনানে ইবনে মাজাহ > লোকে মেঘ-বৃষ্টি দেখে যে দুআ’ পড়বে

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৮৯

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ ‏ يَرْحَمُنَا اللَّهُ وَأَخَا عَادٍ ‏" ‏ ‏‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আকাশের কোন দিক থেকে মেঘ ভেসে আসতে দেখলে তাঁর হাতের কাজ ছেড়ে দিতেন, এমনকি নামাযে রত থাকলেও, অতঃপর মেঘমালার দিকে মুখ করে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! এই মেঘমালাকে যে অনিষ্টসহ পাঠানো হয়েছে তা থেকে তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করি”। মেঘমালা বৃষ্টি বর্ষণ করলে তিনি দু’বার বা তিনবার বলতেনঃ “হে আল্লাহ! লাভজনক পর্যাপ্ত বৃষ্টি বর্ষণ করুন”। মহান আল্লাহ যদি মেঘমালা সরিয়ে নিতেন এবং বৃষ্টি না হতো তবে সেজন্যও তিনি আল্লাহর প্রশংসা করতেন। [৩২২১]


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৯০

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ، مَوْلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏‏ يُسْتَجَابُ لأَحَدِكُمْ مَا لَمْ يَعْجَلْ ‏"‏ ‏.‏ قِيلَ وَكَيْفَ يَعْجَلُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ يَقُولُ قَدْ دَعَوْتُ اللَّهَ فَلَمْ يَسْتَجِبِ اللَّهُ لِي ‏"‏ ‏.‏"

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বৃষ্টি হতে দেখলে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! তুমি একে লাভজনক পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণ বানাও।” [৩২২২]


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৯১

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ ‏ لاَ يَقُولَنَّ أَحَدُكُمُ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ وَلْيَعْزِمْ فِي الْمَسْأَلَةِ فَإِنَّ اللَّهَ لاَ مُكْرِهَ لَهُ ‏" ‏ ‏‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মেঘমালা দেখলে তাঁর চেহারা বিবর্ণ হয়ে পরিবর্তিত হয়ে যেতো এবং তিনি ঘরে প্রবেশ করতেন আবার বেরিয়ে আসতেন, আর সামনে যেতেন এবং পিছনে আসতেন। বৃষ্টি বর্ষণের পর তাঁর এ অবস্থা দূরীভূত হতো। অধস্তন রাবী বলেন, আয়িশাহ (রাঃ) তাঁর এরূপ অবস্থা হওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ তুমি কি জানো, হয়তো তা সেই মেঘই হবে, যে সম্পর্কে হুদ (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জাতি বলেছিলো, “অতঃপর যখন তারা তাদের উপত্যকার দিকে মেঘ আসতে দেখলো তখন তারা বলতে লাগলো : সেটা তো মেঘ, আমাদেরকে বৃষ্টি দান করবে।(হুদ (‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ) বরং এটাই তো সেই আযাব যা তোমরা ত্বরান্বিত করতে চেয়েছো” (সূরা আহকাফ : ২৪)। [৩২২৩]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية