সুনানে ইবনে মাজাহ > দুআ’র ফযিলত
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮২৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُغِيرَةَ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ فَرْقَدٍ السَّبَخِيِّ، عَنْ مُرَّةَ الطَّيِّبِ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ لاَ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ سَيِّئُ الْمَلَكَةِ " . قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلَيْسَ أَخْبَرْتَنَا أَنَّ هَذِهِ الأُمَّةَ أَكْثَرُ الأُمَمِ مَمْلُوكِينَ وَيَتَامَى قَالَ " نَعَمْ فَأَكْرِمُوهُمْ كَكَرَامَةِ أَوْلاَدِكُمْ وَأَطْعِمُوهُمْ مِمَّا تَأْكُلُونَ " . قَالُوا فَمَا يَنْفَعُنَا فِي الدُّنْيَا قَالَ " فَرَسٌ تَرْتَبِطُهُ تُقَاتِلُ عَلَيْهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ مَمْلُوكُكَ يَكْفِيكَ فَإِذَا صَلَّى فَهُوَ أَخُوكَ " ."
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর নিকট দুআ’ করে না, আল্লাহ্ তার প্রতি অসন্তুষ্ট হন। [৩১৫৯]
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮২৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهُ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لاَ تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ حَتَّى تُؤْمِنُوا وَلاَ تُؤْمِنُوا حَتَّى تَحَابُّوا . أَوَلاَ أَدُلُّكُمْ عَلَى شَىْءٍ إِذَا فَعَلْتُمُوهُ تَحَابَبْتُمْ أَفْشُوا السَّلاَمَ بَيْنَكُمْ "
নু‘মান বিন বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দুআ’ই হলো ইবাদত। অতঃপর তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ): “এবং তোমার প্রভু বলেছেন, তোমরা আমাকে ডাকো আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিবো” (৪০:৬০)। [৩১৬০]
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮২৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، قَالَ أَمَرَنَا نَبِيُّنَا ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنْ نُفْشِيَ السَّلاَمَ .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মহান আল্লাহর নিকট দুআ’র চেয়ে অধিক সম্মানিত কোন জিনিস নাই। [৩১৬১]
সুনানে ইবনে মাজাহ > রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দুআ’
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৩০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ اعْبُدُوا الرَّحْمَنَ وَأَفْشُوا السَّلاَمَ "
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দুআ’য় বলতেন : “হে প্রভু! আমাকে সাহায্য করো এবং আমার বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্য করো না, আমাকে সহযোগিতা করো এবং আমার বিরুদ্ধে কাউকে সহযোগিতা করো না, আমার জন্য কৌশল এঁটো, আমার বিরুদ্ধে কৌশল এঁটো না, আমাকে হেদায়াত দান করো, আমার জন্য হেদায়াতের পথ সহজতর করো এবং যে ব্যক্তি আমার উপর অত্যাচার ও সীমা লঙ্ঘন করে তার বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করো। হে প্রভু! আমাকে তোমার জন্য কৃতজ্ঞ বান্দা বানাও, তোমার জন্য অনেক যিকিরকারী, তোমাকে অধিক ভয়কারী, তোমার অধিক আনুগত্যকারী, তোমার নিকট অনুনয়-বিনয়কারী ও তোমার দিকে প্রত্যাবর্তনকারী বানাও। হে আমার রব! আমার তওবা কবুল করো, আমার সমস্ত গুনাহ ধুয়ে-মুছে ফেলো, আমার দুআ’ কবুল করো, আমার অন্তরকে হেদায়াত দান করো, আমার যবানকে সোজা রাখো, আমার যুক্তি-প্রমাণ বহাল করো এবং আমার মনের সমস্ত হিংসা-বিদ্বেষ দূরীভূত করো। আবুল হাসান আত-তানাফিসী (রাঃ) বলেন – আমি ওয়াকী‘ (রাঃ) কে বললাম, আমি কি তা বেতেরের কুনূতে পড়তে পারি? তিনি বলেন, হাঁ। [৩১৬২]
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৩১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيُّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَجُلاً، دَخَلَ الْمَسْجِدَ وَرَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ جَالِسٌ فِي نَاحِيَةِ الْمَسْجِدِ فَصَلَّى ثُمَّ جَاءَ فَسَلَّمَ فَقَالَ وَعَلَيْكَ السَّلاَمُ "
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ফাতিমা (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট একটি খাদেম চাওয়ার জন্য আসলেন। তিনি তাকে বলেনঃ আমার কাছে এমন কিছু নেই, যা আমি তোমাকে দিতে পারি। অতএব তিনি ফিরে গেলেন। পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিকট এসে বলেনঃ যা তুমি চেয়েছো, সেটাই কি তোমার কাছে অধিক প্রিয়, না যা তার চেয়ে উত্তম সেটি? আলী (রাঃ) তাই বললেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তুমি বলো, “হে আল্লাহ্, সাত আসমানের প্রতিপালক ও মহান আরশের প্রভু, আমাদের প্রতিপালক এবং প্রতিটি জিনিসের প্রতিপালক, তাওরাত, ইনজীল ও মহান কুরআন নাযিলকারী, তুমিই আদি, তোমার পূর্বে কিছুই নাই, তুমি অন্ত, তোমার পরেও কিছুই নাই, তুমিই প্রবল, বিজয়ী ও প্রকাশ্য, তোমার উপরে কিছুই নাই, তুমিই গুপ্ত, তুমি ছাড়া আর কিছু নাই। অতএব তুমি আমাদের ঋণ পরিশোধ করে দাও এবং আমাদেরকে দরিদ্রতা থেকে স্বাবলম্বী বানাও”। [৩১৬৩]
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৩২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ زَكَرِيَّا، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّ عَائِشَةَ، حَدَّثَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ لَهَا إِنَّ جِبْرَائِيلَ يَقْرَأُ عَلَيْكِ السَّلاَمَ " قَالَتْ وَعَلَيْهِ السَّلاَمُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ
আবদুল্লাহ (বিন মাস’উদ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন : “হে আল্লাহ্! আমি তোমার নিকট হেদায়াত, তাক্বওয়া, চরিত্রের নির্মলতা ও আত্বনির্ভরশীলতা প্রার্থনা করি”। [৩১৬৪]
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৩৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ إِذَا سَلَّمَ عَلَيْكُمْ أَحَدٌ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ فَقُولُوا وَعَلَيْكُمْ "
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন : “হে আল্লাহ্! তুমি আমাকে যে জ্ঞান দান করেছো, তার দ্বারা আমাকে উপকৃত করো, আমার জন্য উপকারী জ্ঞান আমাকে শিখিয়ে দাও এবং আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করো। সর্বাবস্থায় সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র। আমি জাহান্নামের শাস্তি থেকে আল্লাহ্র আশ্রয় প্রার্থনা করি”। [৩১৬৫] তাহকীক আলবানী : “(আরবী)” ব্যতীত সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৩৪
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهُ أَتَى النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ نَاسٌ مِنَ الْيَهُودِ فَقَالُوا السَّامُ عَلَيْكَ يَا أَبَا الْقَاسِمِ . فَقَالَ وَعَلَيْكُمْ "
আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যাপ্ত পরিমাণে বলতেন : “হে আল্লাহ্! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখো”। এক ব্যক্তি বলেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমাদের ব্যাপারে আশংকা করেন? আমরা তো আপনার উপর ঈমান এনেছি এবং আপনি যা নিয়ে এসেছেন সেই বিষয়ে আমরা আপনাকে সত্যবাদী বলে স্বীকার করে নিয়েছি। তিনি বলেনঃ অন্তরসমূহ মহামহিমান্বিত করুণাময়ের দু’ আঙ্গুলের মাঝে অবস্থিত। তিনি সেগুলোকে ওলট-পালট করেন। আ‘মাশ (রাঃ) তার দু’ আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করেন। [৩১৬৬]
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৩৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ مَرْثَدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْيَزَنِيِّ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجُهَنِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ إِنِّي رَاكِبٌ غَدًا إِلَى الْيَهُودِ فَلاَ تَبْدَءُوهُمْ بِالسَّلاَمِ فَإِذَا سَلَّمُوا عَلَيْكُمْ فَقُولُوا وَعَلَيْكُمْ "
আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললেন, আমাকে একটি দুআ’ শিখিয়ে দিন যার দ্বারা আমি আমার সলাতের মধ্যে দুআ’ করতে পারি। তিনি বলেনঃ তুমি বলো, “হে আল্লাহ্! নিশ্চয়ই আমি আমার সত্তার উপর অনেক অত্যাচার করেছি, তুমি ভিন্ন গুনাহ মাফ করার আর কেউ নাই। অতএব তুমি আমাকে মাফ করে দাও। কেননা তুমিই কেবল ক্ষমা করতে পারো এবং আমার প্রতি দয়া করো। নিশ্চয়ই তুমি ক্ষমাকারী, অতি দয়ালু”। [৩১৬৭]
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৩৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ أَتَانَا رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَنَحْنُ صِبْيَانٌ فَسَلَّمَ عَلَيْنَا .
আবূ উমামাহ আল-বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি লাঠিতে ভর দিয়ে আমাদের নিকট বেরিয়ে এলেন। আমরা তাঁকে দেখামাত্র দাঁড়িয়ে গেলাম। তিনি বলেনঃ পারস্যবাসীরা তাদের নেতাদের সাথে যেরূপ করে, তোমরা তদ্রূপ করো না। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যদি আমাদের জন্য আল্লাহর নিকট দুআ’ করতেন। তিনি বলেন, “হে আল্লাহ্! আমাদের মাফ করে দাও, আমাদের প্রতি দয়া করো, আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট থাকো, আমাদের দুআ’ কবুল করো, আমাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাও, আমাদেরকে জাহান্নাম থেকে নাজাত দাও, আমাদের অবস্থা সংশোধন করে দাও সম্পূর্ণভাবে এবং আমাদের জন্য আরো অধিক দয়া করুন।” তখন তিনি বলেনঃ আমি কি তোমাদের সকল প্রয়োজন একত্র করে দেইনি? [৩১৬৮]
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৮৩৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، سَمِعَهُ مِنْ، شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ يَقُولُ أَخْبَرَتْهُ أَسْمَاءُ بِنْتُ يَزِيدَ، قَالَتْ مَرَّ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فِي نِسْوَةٍ فَسَلَّمَ عَلَيْنَا .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন : “হে আল্লাহ্! আমি তোমার নিকট চারটি জিনিস থেকে আশ্রয় চাই : এমন জ্ঞান থেকে যা উপকারে আসে না, এমন অন্তর থেকে যা ভীত-বিহ্বল হয় না, এমন আত্মা থেকে যা তৃপ্ত হয় না এবং এমন দুআ’ থেকে যা কবুল করা হয় না”। [৩১৬৯]