সুনানে ইবনে মাজাহ > যিকিরের ফাদীলাত
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৭৯০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي سِنَانٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي سَوْدَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ مَرَّ بِهِ وَهُوَ يَغْرِسُ غَرْسًا فَقَالَ يَا أَبَا هُرَيْرَةَ مَا الَّذِي تَغْرِسُ " . قُلْتُ غِرَاسًا لِي . قَالَ " أَلاَ أَدُلُّكَ عَلَى غِرَاسٍ خَيْرٍ لَكَ مِنْ هَذَا " . قَالَ بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ " قُلْ سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ يُغْرَسْ لَكَ بِكُلِّ وَاحِدَةٍ شَجَرَةٌ فِي الْجَنَّةِ " ."
আবূ দারদা’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি কি তোমাদের আমলসমূহের সর্বোত্তমটি সম্পর্কে তোমাদেরকে অবহিত করবো না, যা তোমাদের প্রভুর নিকট সরবাধিক প্রিয়, তোমাদের মর্যাদা অধিক উন্নীতকারী, তোমাদের সোনা-রুপা দান করার চেয়ে এবং যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে তোমাদের শত্রুদের হত্যা করা এবং তোমাদের নিহত হওয়ার চেয়ে উত্তম? সাহাবীগণ বলেনঃ ‘ইয়া রাসূলআল্লাহ! সেটি কি? তিনি বলেনঃ আল্লাহর যিকির। মুআয বিন জাবাল (রাঃ) বলেন, কোনো মানুষের জন্য আল্লাহর যিকিরের চেয়ে উত্তম আমল নাই, যা তাকে মহামহিম আল্লাহর শাস্তি থেকে রেহাই দিতে পারে। [৩১২২]
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৭৯১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي رِشْدِينَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ جُوَيْرِيَةَ، قَالَتْ مَرَّ بِهَا رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ حِينَ صَلَّى الْغَدَاةَ أَوْ بَعْدَ مَا صَلَّى الْغَدَاةَ وَهِيَ تَذْكُرُ اللَّهَ فَرَجَعَ حِينَ ارْتَفَعَ النَّهَارُ - أَوْ قَالَ انْتَصَفَ - وَهِيَ كَذَلِكَ فَقَالَ لَقَدْ قُلْتُ مُنْذُ قُمْتُ عَنْكِ أَرْبَعَ كَلِمَاتٍ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ هِيَ أَكْثَرُ وَأَرْجَحُ - أَوْ أَوْزَنُ - مِمَّا قُلْتِ سُبْحَانَ اللَّهِ عَدَدَ خَلْقِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ رِضَا نَفْسِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ زِنَةَ عَرْشِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ مِدَادَ كَلِمَاتِهِ "
আবূ হুরায়রাহ ও আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তারা উভয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্পর্কে সাক্ষ্য দেন যে, তিনি বলেছেনঃ লোকজন কোন মজলিসে সমবেত হয়ে আল্লাহর যিকিরে রত হলে ফেরেশতাগণ তাদের বেষ্টন করে রাখেন, আল্লাহর রহমত তাদের ঢেকে নেয়, তাদের উপর প্রশান্তি নাযিল হতে থাকে এবং আল্লাহ তাঁর ফেরেশতাগণের সামনে তাদের সম্পর্কে আলোচনা করেন। [৩১২৩]
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৭৯২
حَدَّثَنَا أَبُو بِشْرٍ، بَكْرُ بْنُ خَلَفٍ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ أَبِي عِيسَى الطَّحَّانِ، عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، أَوْ عَنْ أَخِيهِ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ إِنَّ مِمَّا تَذْكُرُونَ مِنْ جَلاَلِ اللَّهِ التَّسْبِيحَ وَالتَّهْلِيلَ وَالتَّحْمِيدَ يَنْعَطِفْنَ حَوْلَ الْعَرْشِ لَهُنَّ دَوِيٌّ كَدَوِيِّ النَّحْلِ تُذَكِّرُ بِصَاحِبِهَا أَمَا يُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَنْ يَكُونَ لَهُ - أَوْ لاَ يَزَالَ لَهُ - مَنْ يُذَكِّرُ بِهِ "
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মহান আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা যখন আমার যিকির করে এবং আমার যিকিরে তার দু’ ঠোঁট নড়াচড়া করে তখন আমি তার সঙ্গে থাকি। [৩১২৪]
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৭৯৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَرِيكُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنِ ابْنِ سَلاَمَةَ السُّلَمِيِّ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أُوصِي امْرَأً بِأُمِّهِ أُوصِي امْرَأً بِأُمِّهِ أُوصِي امْرَأً بِأُمِّهِ - ثَلاَثًا - أُوصِي امْرَأً بِأَبِيهِ أُوصِي امْرَءًا بِمَوْلاَهُ الَّذِي يَلِيهِ وَإِنْ كَانَ عَلَيْهِ مِنْهُ أَذًى يُؤْذِيهِ "
আবদুল্লাহ বিন বুসর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক বেদুঈন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বললো, ইসলামের বিধিবিধান আমার জন্য অনেক বেশি হয়ে গেছে। আমাকে তার মধ্যে এমন কিছু বলে দিন যা আমি আঁকড়ে থাকবো। তিনি বলেনঃ মহান আল্লাহর যিকিরে তোমার জিহ্বা সর্বদা যেন সজীব থাকে। [৩১২৫]
সুনানে ইবনে মাজাহ > “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” এর ফাদীলাত
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৭৯৪
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، مُحَمَّدُ بْنُ مَيْمُونٍ الْمَكِّيُّ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ الْقَعْقَاعِ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ مَنْ أَبَرُّ قَالَ أُمَّكَ " . قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ " أُمَّكَ " . قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ " أَبَاكَ " . قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ " الأَدْنَى فَالأَدْنَى " ."
আবূ হুরায়রাহ ও আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রাহ ও আবূ সাঈদ (রাঃ) সাক্ষ্য দেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বান্দা যখন “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর” (আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নাই, আল্লাহ মহান) বলেন, তখন মহান আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা সত্য কথা বলেছে। আমি ছাড়া আর কোনো ইলাহ নাই এবং আমিই মহান। বান্দা যখন বলে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু” (আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নাই, তিনি এক), তখন আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা সত্য কথা বলেছে, আমি একা ব্যতীত আর কোনো ইলাহ নাই। বান্দা যখন বলে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু লা শারীকা লাহু” (আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নাই, তাঁর কোনো শরীক নাই), তখন তিনি বলেন, আমার বান্দা সত্য কথা বলেছে। আমি ছাড়া আর কোনো ইলাহ নাই এবং আমার কোনো শরীক নাই। বান্দা যখন বলে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু লাহুল মূলকু ওয়ালাহুল হামদু” (আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নাই, তিনিই সার্বভৌমত্বের মালিক এবং সকল প্রশংসা তাঁর), তখন তিনি বলেন, আমার বান্দা সত্য কথা বলেছে, আমি ছাড়া আর কোন ইলাহ নাই, সার্বভৌমত্ব আমারই এবং সকল প্রশংসা আমারই। যখন সে বলে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ” (আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নাই, আল্লাহ ভিন্ন ক্ষতি রোধ করার এবং কল্যাণ হাসিলের কোনো শক্তি নাই), তখন তিনি বলেন, আমার বান্দা সত্য কথা বলেছে। আমি ছাড়া কোনো ইলাহ নাই এবং আমি ভিন্ন ক্ষতি রোধ করার এবং কল্যাণ হাসিলের কোনো শক্তি নাই। আবূ ইসহাক (রাঃ) বলেন, আল-আগার (রাঃ) আরও কিছু বলেছিলেন, যা আমি হৃদয়ঙ্গম করতে পারিনি। তাই আমি আবূ জাফর (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম যে, তিনি কি বলেছিলেন? তিনি বলেন, আল্লাহ যাকে মৃত্যুর সময় এই বাক্য বলার সৌভাগ্য দান করবেন, জাহান্নামের আগুন তাকে স্পর্শ করতে পারবে না। [৩১২৬]
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৭৯৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ لاَ يَجْزِي وَلَدٌ وَالِدَهُ إِلاَّ أَنْ يَجِدَهُ مَمْلُوكًا فَيَشْتَرِيَهُ فَيُعْتِقَهُ "
তালহা বিন উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(সু’দা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ইনতিকালের পর উমার (রাঃ) তালহা (রাঃ)-র নিকট দিয়ে জেতে তাকে বলেন, তোমার কী হয়েছে? তুমি বিষণ্ণ কেন? তোমার চাচাতো ভাই এর খেলাফত কি তোমার অপছন্দ হয়েছে? তালহা (রাঃ) বলেন, না। বরং আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি : আমার এমন একটি বাক্য জানা আছে, যা কোনো ব্যক্তি মৃত্যুর সময় বললে সেটা তার আমলনামার জন্য নূর হবে এবং নিশ্চয়ই তার দেহ ও আত্মা মৃত্যুর সময় তাকে স্বস্তি দিবে। সেটি আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করিনি, এরই মধ্যে তিনি ইন্তিকাল করেন। উমার (রাঃ) বলেন, আমি সেটি জানি। তা হল সেই কলেমা যা তিনি তাঁর চাচার নিকট পেশ করেছিলেন। যদি তিনি জানতেন যে, সেই কলেমার চেয়েও অধিক নাজাত দানকারী কিছু আছে, তবে অবশ্যই সেটি তিনি সেটি তার চাচার নিকট পেশ করতেন। [৩১২৭]
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৭৯৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ الْقِنْطَارُ اثْنَا عَشَرَ أَلْفَ أُوقِيَّةٍ كُلُّ أُوقِيَّةٍ خَيْرٌ مِمَّا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ " . وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إِنَّ الرَّجُلَ لَتُرْفَعُ دَرَجَتُهُ فِي الْجَنَّةِ فَيَقُولُ أَنَّى هَذَا فَيُقَالُ بِاسْتِغْفَارِ وَلَدِكَ لَكَ " ."
মুআয বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে কোন ব্যক্তি সর্বান্তঃকরণে এ সাক্ষ্য দিয়ে মারা গেলো, “আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নাই এবং আমি আল্লাহর রাসূল”, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন। [৩১২৮]
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৭৯৭
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ بَحِيرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنِ الْمِقْدَامِ بْنِ مَعْدِيكَرِبَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ إِنَّ اللَّهَ يُوصِيكُمْ بِأُمَّهَاتِكُمْ - ثَلاَثًا - إِنَّ اللَّهَ يُوصِيكُمْ بِآبَائِكُمْ إِنَّ اللَّهَ يُوصِيكُمْ بِالأَقْرَبِ فَالأَقْرَبِ "
উম্মু হানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (বান্দার) কোন আমলই “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু” -কে অতিক্রম করতে পারে না এবং তা কোন গুনাহকেই মাফ না করিয়ে ছাড়ে না। [৩১২৯]
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৭৯৮
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي الْعَاتِكَةِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَنَّ رَجُلاً، قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا حَقُّ الْوَالِدَيْنِ عَلَى وَلَدِهِمَا قَالَ هُمَا جَنَّتُكَ وَنَارُكَ "
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দিনে একশত বার বলে, “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, তাঁর কোন শরীক নাই, রাজত্ব তাঁরই ও সমস্ত প্রশংসা তাঁর, তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান”, তার জন্য দশটি গোলাম আযাদ করার সমান সওয়াব লেখা হয়, একশত নেকী লেখা হয় এবং তার একশত গুনাহ বিলোপ করা হয়, তার এ শব্দগুলো সারা দিন রাত পর্যন্ত তার জন্য শয়তান থেকে প্রতিবন্ধক হয় এবং তাকে যা দান করা হয় তার চেয়ে উত্তম কিছু নিয়ে অপর কেউ হাজির হতে পারবে না। তবে যে ব্যক্তি এ বাক্য তার চেয়ে অধিক সংখ্যায় পরে তার কথা স্বতন্ত্র। [৩১৩০]
সুনানে ইবনে মাজাহ ৩৭৯৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، سَمِعَ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ الْوَالِدُ أَوْسَطُ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ فَأَضِعْ ذَلِكَ الْبَابَ أَوِ احْفَظْهُ "
আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ফজর সালাতের পর বলে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু বিয়াদিহিল খাইরু ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শায়ইন কাদীর” (আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নাই, তিনি একক, তার কোন শরীক নেই, সার্বভৌমত্ব তাঁর, সমস্ত প্রশংসা তাঁর, তাঁর হাতেই সমস্ত কল্যাণ নিহিত এবং তিনিই সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান , সে ঈসমাইলের (আঃ) বংশের একটি গোলাম আজাদ করার সমান সওয়াব পাবে। [৩১৩১]