সুনানে ইবনে মাজাহ > মক্কা শরীফের বাড়িঘর ভাড়া দেয়া

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩১০৭

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَهَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ لَمْ يُرَخِّصِ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ لأَحَدٍ يَبِيتُ بِمَكَّةَ إِلاَّ لِلْعَبَّاسِ مِنْ أَجْلِ السِّقَايَةِ ‏.‏

আলকামা বিন নাদলাহ (মাকবূল) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) , আবূ বকর ও উমার (রাঃ) ইন্তিকাল করেন এবং ঐ সময় পর্যন্ত মক্কার বাড়িঘর ‘আস-সাওয়াইব’ নামে পরিচিত ছিল। কোন ব্যক্তির প্রয়োজন হলে সে তাতে (তিন ঘরে) বসবাস করতো এবং কারো (নিজের জন্য) প্রয়োজন না হলে সে তা অন্যকে বসবাসের জন্য খালি করে দিতো। [৩১০৭] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।


সুনানে ইবনে মাজাহ > মক্কার ফাদীলাত

সুনানে ইবনে মাজাহ ৩১০৮

حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، وَعَبْدَةُ، وَوَكِيعٌ، وَأَبُو مُعَاوِيَةَ ح وَحَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، وَأَبُو مُعَاوِيَةَ ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، كُلُّهُمْ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ إِنَّ نُزُولَ الأَبْطَحِ لَيْسَ بِسُنَّةٍ إِنَّمَا نَزَلَهُ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ لِيَكُونَ أَسْمَحَ لِخُرُوجِهِ ‏.‏

আবূ সালামাহ বিন আবদুর রহমান বিন আওফ থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ বিন আদী ইবনুল হামরা’ (রাঃ) তাকে বলেন, আমি দেখেছি যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উষ্ট্রীর পিঠে আরোহিত অবস্থায় আল-জাযওয়ারা নামক স্থানে বলেনঃ আল্লাহর শপথ! তুমি (মক্কা) আল্লাহর গোটা যমীনের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ এবং দুনিয়ার সমস্ত যমীনের মধ্যে তুমি আমার নিকট সর্বাধিক প্রিয়। আল্লাহর শপথ! তোমার থেকে আমাকে উচ্ছেদ না করা হলে আমি (তোমায় ত্যাগ করে) চলে যেতাম না। [৩১০৮]


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩১০৯

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، عَنْ عَمَّارِ بْنِ رُزَيْقٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتِ ادَّلَجَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ لَيْلَةَ النَّفْرِ مِنَ الْبَطْحَاءِ ادِّلاَجًا ‏.‏

সাফিয়্যা বিনতু শায়বাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি মক্বা বিজয়ের বছর মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে তাঁর ভাষণে বলতে শুনেছিঃ হে জনগণ! আল্লাহ তাআলা আসমান ও যমীন সৃষ্টির দিন থেকে মক্কাকে হারাম (সম্মানিত) করেছেন। অতএব তা কিয়ামত পর্যন্ত হারাম থাকবে। তার বৃক্ষরাজি কাটা যাবে না, এখানকার শিকারের পিছু ধাওয়া করা যাবে না, এখানে পড়ে থাকা কোন জিনিস তুলে নেয়া যাবে না, কেবল সেই ব্যক্তি তা তুলতে পারবে যে তার ঘোষণা দিবে। আব্বাস (রাঃ) বলেন, কিন্তু ইযখির ঘাস (বৈধ করা হোক)। কারণ তা ঘরবাড়ি তৈরিী ও কবরে রাখার জন্য (প্রয়োজন হয়)। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ইযখির ঘাস ব্যতীত। [৩১০৯] তাহকীক আলবানীঃ হাসান।


সুনানে ইবনে মাজাহ ৩১১০

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ يَنْزِلُونَ بِالأَبْطَحِ ‏.‏

আয়্যাশ বিন আবূ রবীআহ আল-মাখযূমী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এই উম্মাত যত দিন এই হারাম শরীফের যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন করবে, ততো দিন তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে। কিন্তু যখন তারা তা বিনষ্ট করবে, তখন ধ্বংস হবে। [৩১১০] তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية