সুনানে ইবনে মাজাহ > কেউ কাউকে নিজের গোত্র থেকে খারিজ করলে

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬১২

حَدَّثَنَا جُبَارَةُ بْنُ الْمُغَلِّسِ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ تَمِيمٍ، عَنْ مَيْمُونِ بْنِ مِهْرَانَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ عَبْدًا، مِنْ رَقِيقِ الْخُمُسِ سَرَقَ مِنَ الْخُمُسِ فَرُفِعَ ذَلِكَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ يَقْطَعْهُ وَقَالَ ‏ ‏ مَالُ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ سَرَقَ بَعْضُهُ بَعْضًا ‏" ‏ ‏‏

আশআস বিন কায়স (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি কিনদাহ গোত্রের প্রতিনিধি দলের সাথে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলাম। তারা (কিনদা গোত্র) আমাকে তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মনে করতো। আমি বললাম ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনারা কি আমাদের অন্তর্ভূক্ত নন? তিনি বলেন আমরা বানূ নাযর বিন কিনানার বংশধর। আমরা আমাদের মাতার প্রতি অপবাদ আরোপ করি না এবং আমাদের পিতৃপুরুষ থেকেও পৃথক হই না। রাবী বলেন, (এরপর থেকে) আশআছ বিন কায়স (রাঃ) বলতেন, যে ব্যক্তি কুরায়শ গোত্রের কোন লোককে নাযর বিন কিনানা গোত্রভুক্ত নয় বলে দাবি করবে, আমি অবশ্যই তাকে কাযাফ-এর শাস্তি দিবো। [২৬১২]


সুনানে ইবনে মাজাহ > নপুংসকদের বিধান।

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬১৩

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ لاَ يُقْطَعُ الْخَائِنُ وَلاَ الْمُنْتَهِبُ وَلاَ الْمُخْتَلِسُ ‏" ‏ ‏‏

সাফওয়ান বিন উমায়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত থাকতেই তাঁর নিকট আমর বিন মুররা (রাঃ) এসে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আল্লাহ আমার কপালে দুর্ভাগ্য লিখে দিয়েছেন। আমি আমার হাতের এই দফ (ঢোল) বাজানো ছাড়া রিযিক প্রাপ্তির আর কোন পথ দেখি না। অতএব আপনি আমাকে নির্দোষ সংগীতের অনুমতি দিন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আমি তোমাকে অনুমতিও দিবো না এবং তোমাকে সন্মানিত করে তোমার চোখও শীতল করবো না। হে আল্লাহর দুশমন! তুমি মিথ্যা বলেছো। আল্লাহ তোমাকে পবিত্র ও হালাল রিযিক দান করেছেন। কিন্তু আল্লাহ তোমাকে যে হালাল রিযিক দিয়েছেন তার পরিবর্তে আল্লাহ তোমার জন্য যে রিযিক হারাম করেছেন তুমি তাই গ্রহণ করেছো। আমি যদি তোমাকে ইতোপূর্বে নিষেধ করে থাকতাম তবে অবশ্যই তোমাকে শাস্তি দিতাম। আমার এখান থেকে উঠে যাও এবং আল্লাহর নিকট তওবা করো। সাবধান! তোমাকে নিষেধ করার পরও যদি তুমি এ কাজ করো তবে আমি অবশ্যই তোমাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দিবো, তোমার মাথা মুণ্ডন করিয়ে বিকৃত করে দিবো, তোমার পরিবার থেকে তোমাকে নির্বাসিত করবো এবং তোমার সহায় সম্পত্তি লুণ্ঠন করা মদীনার যুবকদের জন্য হালাল করে দিবো। এ কথায় আমর উঠে দাঁড়ায় এবং নিজেকে এতোটা লাঞ্ছিত ও অপমানিত বোধ করে যা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। সে উঠে চলে গেলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এইসব লোক পাপাচারী। এদের কেউ তওবা না করে মারা গেলে আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন তাকে নপুংসক ও বিবস্ত্র অবস্থায় উত্থিত করবেন, যেরূপ সে দুনিয়াতে ছিল। সে একটুকরা কাপড় দিয়েও মানুষের সামনে লজ্জা নিবারণ করবে না এবং যখনই সে দাঁড়াবে সাথে সাথে আছাড় খেয়ে পড়ে যাবে। [২৬১৩]


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৬১৪

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَاصِمِ بْنِ جَعْفَرٍ الْمِصْرِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُفَضَّلُ بْنُ فَضَالَةَ، عَنْ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ ‏ لَيْسَ عَلَى الْمُخْتَلِسِ قَطْعٌ ‏" ‏ ‏‏

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার ঘরে প্রবেশ করলেন। তিনি এক নপুংসককে আবদুল্লাহ বিন আবূ উমাইয়্যার প্রতি বলতে শুনলেন, আল্লাহ যদি আগামীতে তায়েফ বিজয় দান করেন তবে আমি তোমাকে এমন এক নারীকে দেখাবো, যে চার ভাঁজে সামনে আসে এবং আট ভাঁজে পিছনে যায়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এদেরকে তোমাদের ঘর থেকে বের করে দাও। [২৬১৪]


ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية