সুনানে ইবনে মাজাহ > উম্মু ওয়ালাদ সম্পর্কে

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫১৫

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الشَّرِيدِ بْنِ سُوَيْدٍ، عَنْ أَبِيهِ الشَّرِيدِ بْنِ سُوَيْدٍ، قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرْضٌ لَيْسَ فِيهَا لأَحَدٍ قِسْمٌ وَلاَ شِرْكٌ إِلاَّ الْجِوَارُ ‏.‏ قَالَ ‏ ‏ الْجَارُ أَحَقُّ بِسَقَبِهِ ‏" ‏ ‏‏

ইবনু আব্বাস (রা:) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির ঔরসে তার বাঁদীর গর্ভে সন্তান হলে, সে বাঁদী তার (মালিকের) মৃত্যুর পর স্বয়ং দাসত্বমুক্ত হয়ে যাবে। [২৫১৫]


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫১৬

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَأَبِي، سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضي الله عنه ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَضَى بِالشُّفْعَةِ فِيمَا لَمْ يُقْسَمْ فَإِذَا وَقَعَتِ الْحُدُودُ فَلاَ شُفْعَةَ ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট (তাঁর পুত্র) ইবরাহীমের মা (মারিয়া কিবতিয়া) ’র কথা উত্থাপিত হলে তিনি বলেনঃ তাঁর সন্তান তাকে দাসত্বমুক্ত করেছে। [২৫১৬]


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫১৭

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَمَّادٍ الطِّهْرَانِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَأَبِي، سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عَاصِمٍ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ مُرْسَلٌ وَأَبُو سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ مُتَّصِلٌ ‏.‏

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে জীবিত থাকা অবস্থায় আমরা আমাদের যুদ্ধবন্দিনী ক্রীতদাসী ও উম্মু ওয়ালাদ বিক্রয় করতাম। আমরা এটিকে দুষণীয় মনে করতাম না। [২৫১৭]


সুনানে ইবনে মাজাহ > মুকাতাব (চুক্তিবদ্ধ দাস) সম্পর্কে।

সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫১৮

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْجَرَّاحِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الشَّرِيدِ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ الشَّرِيكُ أَحَقُّ بِسَقَبِهِ مَا كَانَ ‏" ‏ ‏‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিন শ্রেনীর লোকের প্রত্যেককে সাহায্য করা আল্লাহর কর্তব্য (যদিও কোন কাজ তার জন্য বাধ্যতামূলক নয়) : আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারী, মুকাতাব চুক্তিবদ্ধ দাস যে তার চুক্তিকৃত অর্থ পরিশোধ করতে সংকল্পবদ্ধ এবং যে বিবাহকারী পূত-পবিত্র থাকতে ইচ্ছুক। [২৫১৮]


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫১৯

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ إِنَّمَا جَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الشُّفْعَةَ فِي كُلِّ مَا لَمْ يُقْسَمْ فَإِذَا وَقَعَتِ الْحُدُودُ وَصُرِّفَتِ الطُّرُقُ فَلاَ شُفْعَةَ ‏‏ ‏.‏"

আবদুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে গোলাম এক শত উকিয়ার বিনিময়ে মুক্তিলাভ করতে চুক্তিবদ্ধ, দশ উকিয়া ব্যতিত বাকিটা পরিশোধ করতে পারলে সে আযাদ। [২৫১৯]


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫২০

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْبَيْلَمَانِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ الشُّفْعَةُ كَحَلِّ الْعِقَالِ ‏" ‏ ‏‏

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের (মহিলাদের) মালিকানায় কারো মুকতাব দাস থাকলে এবং তার নিকট চুক্তিকৃত অর্থের সম-পরিমান সম্পদ থাকলে তার থেকে তোমাদের পর্দা করা উচিত। [২৫২০]


সুনানে ইবনে মাজাহ ২৫২১

حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْبَيْلَمَانِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ لاَ شُفْعَةَ لِشَرِيكٍ عَلَى شَرِيكٍ إِذَا سَبَقَهُ بِالشِّرَاءِ وَلاَ لِصَغِيرٍ وَلاَ لِغَائِبٍ ‏" ‏ ‏‏

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বারীরা (রাঃ) তার নিকট এলেন, তিনি ছিলেন মুকাতাবা। তিনি তার মালিকের সাথে নয় উকিয়া পরিশোধে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন। আয়িশাহ (রাঃ) তাকে বলেন, তোমার মালিক চাইলে আমি এককালীন তাদেরকে তা পরিশোধ করে দিতে পারি এই শর্তে যে, ওয়ালার মালিক হবো আমি। রাবী বলেন, বারীরা তার মালিকের নিকট এসে একথা জানালে তারা এতে অসম্মতি জানায় এবং ওয়ালার মালিকানা তাদের থাকার শর্ত আরোপ করে। আয়িশাহ (রাঃ) বিষয়টি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বলেনঃ তুমি তাকে ক্রয় করো। রাবী বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের উদ্দেশে দাঁড়িয়ে খুতবা দিলেন। তিনি প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা ও গুনগান করেন, তারপর বলেনঃ লোকদের কী হলো যে, তারা এমন সব শর্ত আরোপ করে, যা আল্লাহর কিতাবে নাই। যেসব শর্ত আল্লাহর কিতাবে নাই তা বাতিল, যদিও তা সংখ্যায় একশত হয়। আল্লাহর কিতাবই যথার্থ এবং আল্লাহর শর্তই অধিক মজবুত। ওয়ালার মালিক হবে আযাদকারী। [২৫২১]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية