সুনানে ইবনে মাজাহ > পন্য সরবরাহ ও মজুতদারি।

সুনানে ইবনে মাজাহ ২১৫৩

حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُعَاذٍ الضَّرِيرُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، مَوْلَى آلِ الزُّبَيْرِ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ ‏ مَنْ قَالَ حِينَ يَدْخُلُ السُّوقَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ حَىٌّ لاَ يَمُوتُ بِيَدِهِ الْخَيْرُ كُلُّهُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ - كَتَبَ اللَّهُ لَهُ أَلْفَ أَلْفِ حَسَنَةٍ وَمَحَا عَنْهُ أَلْفَ أَلْفِ سَيِّئَةٍ وَبَنَى لَهُ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ ‏" ‏ ‏‏

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমদানী পন্য সরবরাহকারী ব্যবসায়ী রিযিক প্রাপ্ত হয় এবং মজুতদার অভিশপ্ত। [২১৫৩]


সুনানে ইবনে মাজাহ ২১৫৪

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ حَدِيدٍ، عَنْ صَخْرٍ الْغَامِدِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ ‏ اللَّهُمَّ بَارِكْ لأُمَّتِي فِي بُكُورِهَا ‏" ‏ ‏‏ قَالَ وَكَانَ إِذَا بَعَثَ سَرِيَّةً أَوْ جَيْشًا بَعَثَهُمْ فِي أَوَّلِ النَّهَارِ ‏‏ قَالَ وَكَانَ صَخْرٌ رَجُلاً تَاجِرًا فَكَانَ يَبْعَثُ تِجَارَتَهُ فِي أَوَّلِ النَّهَارِ فَأَثْرَى وَكَثُرَ مَالُهُ ‏‏

মা’মার বিন আবদুল্লাহ বিন নাদলা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পাপিষ্ঠ ব্যক্তি ছাড়া কেউ মজুতদারি করেনা। [২১৫৪]


সুনানে ইবনে মাজাহ ২১৫৫

حَدَّثَنَا أَبُو مَرْوَانَ، مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ الْعُثْمَانِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَيْمُونٍ الْمَدَنِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ ‏ اللَّهُمَّ بَارِكْ لأُمَّتِي فِي بُكُورِهَا يَوْمَ الْخَمِيسِ ‏" ‏ ‏‏

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি মুসলমানদের বিরুদ্ধে (বা সমাজে) খাদ্যদ্রব্য মজুতদারি করে আল্লাহ তাকে কুষ্ঠরোগ ও দারিদ্র্যতার কষাঘাতে শাস্তি দেন। [২১৫৫]


সুনানে ইবনে মাজাহ > ঝাড়ফুঁককারীর মজুরী।

সুনানে ইবনে মাজাহ ২১৫৬

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ حُمَيْدِ بْنِ كَاسِبٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الْجُدْعَانِيِّ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏ ‏ اللَّهُمَّ بَارِكْ لأُمَّتِي فِي بُكُورِهَا ‏" ‏ ‏‏

আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তিরিশজন অশ্বারোহীকে এক ক্ষুদ্র সামরিক অভিযানে পাঠান। আমরা এক সম্প্রদায়ের নিকট পৌঁছে যাত্রাবিরতি করলাম এবং আমাদের মেহমানদারী করার জন্য তাদের অনুরোধ করলাম, কিন্তু তারা অস্বীকার করলো। ঘটনাক্রমে তাদের নেতা (বিষাক্ত প্রাণীর) হুলবিদ্ধ হল।তারা আমাদের কাছে এসে বলল, তোমাদের মধ্যে এমন কি কেও আছে, যে বিছার কামড়ে ঝাড়ফুঁক করতে পারে? আমি বললাম, হাঁ, আমি পারি। তবে তোমরা আমাদেরকে এক পাল ছাগল-ভেড়া না দিলে আমি ঝাড়ফুঁক করব না।তারা বলল, আমরা তোমাদেরকে তিরিশটি বকরী দিব। আমরা তা গ্রহন করলাম এবং আমি তার উপর সাতবার ‘আলহামদু’ সূরা পাঠ করলাম। সে সুস্থ হয়ে উঠলো এবং আমরা ছাগলগুলো গ্রহন করলাম। পরে এ ব্যাপারে আমাদের মনে সন্দেহ সৃষ্টি হলে আমরা বললাম, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আমাদের না পৌঁছা পর্যন্ত তোমরা তাড়াহুড়ো করোনা। আমরা তাঁর নিকট উপস্থিত হবার পর আমি যা করেছি তা তাঁকে অবহিত করলাম। তিনি বলেনঃ তুমি কিভাবে জানলে যে এটা দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা যায়! তোমরা সেগুলো বণ্টন করে নাও এবং তোমাদের সাথে আমাকেও একটি ভাগ দাও। [২১৫৬] (উপরোক্ত হাদিসের ৩টি সানাদের ১টি বর্ণীত হয়েছে।অপর দুটি সানাদ হলঃ) ২/২১৫৬(১). <আবু কুরায়ব><হুশায়ম><আবু বিশর><ইবনু আবিল মুতাওয়াক্কীল><আবুল মুতাওয়াক্কিল><আবু সাঈদ (রাঃ)> ৩/২১৫৬(২). <মুহাম্মাদ বিন বাশশার><মুহাম্মাদ বিন জা’ফার><শু’বাহ><আবু বিশর><আবুল মুতাওয়াক্কিল><আবু সাঈদ (রাঃ)> সুত্রেও অনুরূপ বর্ণীত হয়েছে। আবু আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, সঠিক নাম হল আবুল মুতাওয়াকিকল (যিনি আবু সাঈদ রাঃ থেকে বর্ণনা করেছেন)। [২১৫৬] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية