সুনানে ইবনে মাজাহ > তালাকের উপঢৌকন (মুতআ)।
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৩৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ قَيْسٍ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَخَافُ أَنْ يُقْتَحَمَ عَلَىَّ . فَأَمَرَهَا أَنْ تَتَحَوَّلَ .
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জাওন কন্যা আমরাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট পেশ করা হলে সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে (আল্লাহর) আশ্রয় প্রার্থনা করে। তিনি বলেনঃ তুমি এক মহান সত্তার নিকটই আশ্রয় প্রার্থনা করেছো। অতঃপর তিনি তাকে তিন তালাক দিলেন এবং উসামাহ অথবা আনাস (রাঃ) কে নির্দেশ দিলে তদুনযায়ী তিনি তাকে (উপঢৌকনস্বরূপ) তিনখানা সাদা লম্বা কাপড় দেন। [২০৩৭] তাহকীক আলবানীঃ আবূ উসাইদ নির্দেশ দেওয়ার শব্দে সহীহ এবং উসামাহ ও আনাস উল্লেখের সাথে মুনকার।
সুনানে ইবনে মাজাহ > স্বামী তালাক অস্বীকার করলে।
সুনানে ইবনে মাজাহ ২০৩৮
حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ، حَدَّثَنَا رَوْحٌ، ح وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، جَمِيعًا عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ طُلِّقَتْ خَالَتِي فَأَرَادَتْ أَنْ تَجُدَّ نَخْلَهَا فَزَجَرَهَا رَجُلٌ أَنْ تَخْرُجَ إِلَيْهِ فَأَتَتِ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَقَالَ بَلَى فَجُدِّي نَخْلَكِ فَإِنَّكِ عَسَى أَنْ تَصَدَّقِي أَوْ تَفْعَلِي مَعْرُوفًا "
আবদুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, স্ত্রী তার স্বামী তাকে তালাক দিয়েছে বলে দাবি করলে এবং এর স্বপক্ষে একজন ন্যাপরায়ণ সাক্ষী উপস্থিত করলে তার স্বামীকে শপথ করানো হবে। সে শপথ করলে সাক্ষীর সাক্ষ্য বাতিল হয়ে যাবে। আর সে (স্বামী) শপথ করতে অস্বীকৃত হলে তার এ অস্বীকৃতি আরেকজন সাক্ষী স্থানীয় গণ্য হবে এবং তার তালাক কার্যকর হবে। [২০৩৮]