সুনানে ইবনে মাজাহ > ই‘তিকাফ সম্পর্কে।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭৬৯

حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ أَبِي حُصَيْنٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَعْتَكِفُ كُلَّ عَامٍ عَشْرَةَ أَيَّامٍ فَلَمَّا كَانَ الْعَامُ الَّذِي قُبِضَ فِيهِ اعْتَكَفَ عِشْرِينَ يَوْمًا وَكَانَ يُعْرَضُ عَلَيْهِ الْقُرْآنُ فِي كُلِّ عَامٍ مَرَّةً فَلَمَّا كَانَ الْعَامُ الَّذِي قُبِضَ فِيهِ عُرِضَ عَلَيْهِ مَرَّتَيْنِ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি বছর দশ দিন ই‘তিকাফ করতেন। তবে তিনি ইনতিকালের বছর বিশ দিন ই‘তিকাফ করেন। প্রতি বছর (রমজান মাসে) তাঁর কাছে একবার কুরআন পাশ করা হতো। তবে তাঁর ইনতিকালের বছর তাঁর কাছে তা দু’বার পেশ করা হয়। [১৭৬৯]


সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭৭০

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ يَعْتَكِفُ الْعَشْرَ الأَوَاخِرَ مِنْ رَمَضَانَ فَسَافَرَ عَامًا فَلَمَّا كَانَ مِنَ الْعَامِ الْمُقْبِلِ اعْتَكَفَ عِشْرِينَ يَوْمًا ‏.‏

উবাই বিন কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাদানের শেষ দশ দিন ই‘তিকাফ করতেন। তবে তিনি কোন এক বছর এ সময় সফরে অতিবাহিত করেন। এরপর পরবর্তী বছর তিনি বিশ দিন ই‘তিকাফ করেন। [১৭৭০]


সুনানে ইবনে মাজাহ > যে ব্যক্তি ই’তিকাফে বসলো এবং ই’তিকাফের কাযা সম্পর্কে।

সুনানে ইবনে মাজাহ ১৭৭১

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَعْتَكِفَ صَلَّى الصُّبْحَ ثُمَّ دَخَلَ الْمَكَانَ الَّذِي يُرِيدُ أَنْ يَعْتَكِفَ فِيهِ فَأَرَادَ أَنْ يَعْتَكِفَ الْعَشْرَ الأَوَاخِرَ مِنْ رَمَضَانَ فَأَمَرَ فَضُرِبَ لَهُ خِبَاءٌ فَأَمَرَتْ عَائِشَةُ بِخِبَاءٍ فَضُرِبَ لَهَا وَأَمَرَتْ حَفْصَةُ بِخِبَاءٍ فَضُرِبَ لَهَا فَلَمَّا رَأَتْ زَيْنَبُ خِبَاءَهُمَا أَمَرَتْ بِخِبَاءٍ فَضُرِبَ لَهَا فَلَمَّا رَأَى ذَلِكَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏ ‏ آلْبِرَّ تُرِدْنَ ‏" ‏ ‏‏ فَلَمْ يَعْتَكِفْ فِي رَمَضَانَ وَاعْتَكَفَ عَشْرًا مِنْ شَوَّالٍ ‏‏

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ই‘তিকাফ করার ইচ্ছা করলে ফজরের সলাত পড়ার পর ই’তিকাফের উদ্দেশ্যে নির্ধারিত স্থানে প্রবেশ করতেন। তিনি রমাদানের শেষ দশদিন ই‘তিকাফ করার ইচ্ছা করলেন এবং তাঁর জন্য একটি বেষ্টনী তৈরি করার নির্দেশ দিলেন। আয়িশা (রাঃ)-ও তাঁর জন্য একটি বেষ্টনী তৈরির নির্দেশ দেন। অতএব তার জন্যও বেষ্টনী তৈরি করা হলো। হাফসা (রাঃ)-ও একটি বেষ্টনী তৈরির নির্দেশ দিলে তাঁর জন্যও তা তৈরি করা হলো। যয়নাব (রাঃ) তাদের দু’জনের বেষ্টনী দেখে আরেকটি বেষ্টনী তৈরির নির্দেশ দেন এবং তাঁর জন্যও তা তৈরি করা হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ অবস্থা প্রত্যক্ষ করে বলেন, তোমরা কি পুণ্য লাভের উদ্দেশ্যে এমনটি করছো! এরপর তিনি আর রমজান মাসে ই‘তিকাফ করলেন না, পরে শাওয়াল মাসের দশ দিন ই‘তিকাফ করেন। [১৭৭১]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية