সুনানে ইবনে মাজাহ > রুগ্ন ব্যক্তির সলাত
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২২৩
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ طَهْمَانَ، عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، قَالَ كَانَ بِي النَّاصُورُ فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ الصَّلاَةِ فَقَالَ صَلِّ قَائِمًا فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَقَاعِدًا فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَعَلَى جَنْبٍ "
ইমরান বিন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ভগন্দর রোগে আক্রান্ত ছিলাম। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ অবস্থায় সলাত পড়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, তুমি দাঁড়ানো অবস্থায় সলাত পড়ো,তাতে সমর্থ না হলে বসে পড়ো, তাতেও সমর্থ না হলে কাত হয়ে শুয়ে সলাত পড়। [১২২৩]
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২২৪
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ بَيَانٍ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ الأَزْرَقُ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، عَنْ أَبِي حَرِيزٍ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ صَلَّى جَالِسًا عَلَى يَمِينِهِ وَهُوَ وَجِعٌ .
ওয়ায়িল বিন হুজুর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর ডান পায়ের উপর বসে সলাত আদায় করতে দেখেছি। [১২২৪] তাহকীক আলবানীঃ দঈফ জিদ্দান।
সুনানে ইবনে মাজাহ > বসা অবস্থায় নফল সলাত পড়া।
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২২৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ وَالَّذِي ذَهَبَ بِنَفْسِهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ مَا مَاتَ حَتَّى كَانَ أَكْثَرُ صَلاَتِهِ وَهُوَ جَالِسٌ وَكَانَ أَحَبُّ الأَعْمَالِ إِلَيْهِ الْعَمَلَ الصَّالِحَ الَّذِي يَدُومُ عَلَيْهِ الْعَبْدُ وَإِنْ كَانَ يَسِيرًا .
উম্মু সালামাহ (হিন্দ বিনতু আবূ উমায়্যাহ ইবনুল মুগীরাহ) (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সেই মহান সত্তার শপথ যিনি তাঁর জান নিয়েছেন, তিনি ( (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) মৃত্যুর কাছাকাছি সময়ে তাঁর অধিকাংশ (নফল) সলাত বসা অবস্থায় পড়তেন। তাঁর কাছে অধিক পছন্দনীয় আমল ছিল তাই যা বান্দা নিয়মিত করতে পারে তা পরিমাণে কম করে হলেও। [১২২৫]
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২২৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ أَبِي هِشَامٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقْرَأُ وَهُوَ قَاعِدٌ فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ قَامَ قَدْرَ مَا يَقْرَأُ إِنْسَانٌ أَرْبَعِينَ آيَةً .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নফল সলাতের কিরাআত বসা অবস্থায় পড়তেন। অতঃপর তিনি যখন রুকূ‘ করার ইচ্ছা করতেন তখন কোন লোকের চল্লিশ আয়াত পরিমাণ পড়ার মত সময় কিয়াম করতেন (দাঁড়িয়ে থাকতেন)। [১২২৬]
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২২৭
حَدَّثَنَا أَبُو مَرْوَانَ الْعُثْمَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ مَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يُصَلِّي فِي شَىْءٍ مِنْ صَلاَةِ اللَّيْلِ إِلاَّ قَائِمًا حَتَّى دَخَلَ فِي السِّنِّ فَجَعَلَ يُصَلِّي جَالِسًا حَتَّى إِذَا بَقِيَ عَلَيْهِ مِنْ قِرَاءَتِهِ أَرْبَعُونَ آيَةً أَوْ ثَلاَثُونَ آيَةً قَامَ فَقَرَأَهَا وَسَجَدَ .
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বয়স ভারী না হওয়া পর্যন্ত তিনি রাতের সালাত দাঁড়িয়েই পড়তেন। অতঃপর তিনি বসা অবস্থায় সালাত আদায় করতে থাকেন। শেষে যখন তাঁর চল্লিশ বা তিরিশ আয়াত পরিমাণ বাকি থাকতো তখন তিনি দাঁড়িয়ে যেতেন, অতঃপর তা পড়া শেষ করে সাজদাহয় যেতেন। [১২২৭]
সুনানে ইবনে মাজাহ ১২২৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَقِيقٍ الْعُقَيْلِيِّ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنْ صَلاَةِ، رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ بِاللَّيْلِ فَقَالَتْ كَانَ يُصَلِّي لَيْلاً طَوِيلاً قَائِمًا وَلَيْلاً طَوِيلاً قَاعِدًا فَإِذَا قَرَأَ قَائِمًا رَكَعَ قَائِمًا وَإِذَا قَرَأَ قَاعِدًا رَكَعَ قَاعِدًا .
আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(আবদুল্লাহ্) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রাতের সালাত সম্পর্কে আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, তিনি কখনও দীর্ঘ রাত ধরে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতো, আবার কখনও দীর্ঘ রাত ধরে বসে সালাত আদায় করতো। তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় কিরাআত পাঠ করলে রুকূ‘ ও দাঁড়ানো অবস্থায় করতেন এবং বসা অবস্থায় কিরাআত পড়লে রুকূ‘ও বসা অবস্থায় করতেন। [১২২৮]