সুনানে ইবনে মাজাহ > যোগ্যতর ব্যক্তি ইমাম হবে।

সুনানে ইবনে মাজাহ ৯৭৯

حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ هِلاَلٍ الصَّوَّافُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ، قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنَا وَصَاحِبٌ لِي فَلَمَّا أَرَدْنَا الاِنْصِرَافَ قَالَ لَنَا ‏ ‏ إِذَا حَضَرَتِ الصَّلاَةُ فَأَذِّنَا وَأَقِيمَا وَلْيَؤُمَّكُمَا أَكْبَرُكُمَا ‏" ‏ ‏‏

মালিক ইবনুল হুওয়ায়রিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ও আমার এক সংগী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আসলাম। যখন আমরা ফিরে যেতে মনস্থ করলাম, তখন তিনি আমাদের বললেন, সলাতের ওয়াক্ত উপস্থিত হলে তোমরা আযান দিবে, অতঃপর ইকামাত দিবে এবং তোমাদের দুজনের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ জন তোমাদের ইমামতি করবে। [৯৭৯]


সুনানে ইবনে মাজাহ ৯৮০

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ رَجَاءٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَوْسَ بْنَ ضَمْعَجٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا مَسْعُودٍ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ ‏ يَؤُمُّ الْقَوْمَ أَقْرَؤُهُمْ لِكِتَابِ اللَّهِ فَإِنْ كَانَتْ قِرَاءَتُهُمْ سَوَاءً فَلْيَؤُمَّهُمْ أَقْدَمُهُمْ هِجْرَةً فَإِنْ كَانَتِ الْهِجْرَةُ سَوَاءً فَلْيَؤُمَّهُمْ أَكْبَرُهُمْ سِنًّا وَلاَ يُؤَمَّ الرَّجُلُ فِي أَهْلِهِ وَلاَ فِي سُلْطَانِهِ وَلاَ يُجْلَسْ عَلَى تَكْرِمَتِهِ فِي بَيْتِهِ إِلاَّ بِإِذْنٍ أَوْ بِإِذْنِهِ ‏" ‏ ‏‏

আবু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি কুরআন অধিক জানে সে লোকদের ইমামতি করবে। তারা যদি কুরআনে সমকক্ষ হয়, তবে তাদের মধ্যে হিজরতে অগ্রগামী ব্যক্তি তাদের ইমামতি করবে। যদি হিজরাতেও তারা সমান হয়, তবে তাদের মধ্যকার বয়োজ্যেষ্ঠ্ ব্যক্তি তাদের ইমামতি করবে। কোন ব্যক্তি যেন অপর ব্যক্তির বাড়িতে বা তার প্রভাবাধীন এলাকায় তার সম্মতি ছাড়া ইমামতি না করে এবং তার বাড়িতে তার জন্য নির্দিষ্ট আসনে তার সম্মতি ছাড়া না বসে। [৯৮০]


সুনানে ইবনে মাজাহ > ইমামের যা কর্তব্য।

সুনানে ইবনে মাজাহ ৯৮১

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ سُلَيْمَانَ، أَخُو فُلَيْحٍ حَدَّثَنَا أَبُو حَازِمٍ، قَالَ كَانَ سَهْلُ بْنُ سَعْدٍ السَّاعِدِيُّ يُقَدِّمُ فِتْيَانَ قَوْمِهِ يُصَلُّونَ بِهِمْ فَقِيلَ لَهُ تَفْعَلُ وَلَكَ مِنَ الْقِدَمِ مَا لَكَ قَالَ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ ‏ ‏ الإِمَامُ ضَامِنٌ فَإِنْ أَحْسَنَ فَلَهُ وَلَهُمْ وَإِنْ أَسَاءَ - يَعْنِي - فَعَلَيْهِ وَلاَ عَلَيْهِمْ ‏" ‏ ‏‏

সাহল বিন সা’দ আস-সাঈদি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তার গোত্রের যুবকদেরকে (ইমামতির জন্য) এগিয়ে দিতেন। তারা তাদের ইমামতিতে সালাত আদায় করতো। তাকে বলা হল, আপনি এরুপ করছেন, অথচ আপনি (ইসলাম গ্রহনে) প্রবীন। আপনার তা করার কারন কি? তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ ইমাম হলেন, যিম্মাদার। তিনি উত্তম করলে (সুচারুরুপে সালাত আদায় করলে) তার জন্য উত্তম, মুক্তাদীদের জন্যও উত্তম (পুরুষ্কার)। তিনি খারাপ করলে তার দায় তার উপর বর্তাবে, মোক্তাদীদের উপর নয়। [৯৮১]


সুনানে ইবনে মাজাহ ৯৮২

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ أُمِّ غُرَابٍ، عَنِ امْرَأَةٍ، يُقَالُ لَهَا عَقِيلَةُ عَنْ سَلاَمَةَ بِنْتِ الْحُرِّ، أُخْتِ خَرَشَةَ قَالَتْ سَمِعْتُ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ ‏ ‏ يَأْتِي عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ يَقُومُونَ سَاعَةً لاَ يَجِدُونَ إِمَامًا يُصَلِّي بِهِمْ ‏" ‏ ‏‏

খারাশাহ (রাঃ) এর বোন সালামাহ বিনতুল হুর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ লোকের উপর এমন এক সময় আসবে, যখন তারা ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকেও তাদের (সলাতে) ইমামতি করার যোগ্য লোক খুজে পাবে না। [৯৮২]


সুনানে ইবনে মাজাহ ৯৮৩

حَدَّثَنَا مُحْرِزُ بْنُ سَلَمَةَ الْعَدَنِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَةَ، عَنْ أَبِي عَلِيٍّ الْهَمْدَانِيِّ، أَنَّهُ خَرَجَ فِي سَفِينَةٍ فِيهَا عُقْبَةُ بْنُ عَامِرٍ الْجُهَنِيُّ فَحَانَتْ صَلاَةٌ مِنَ الصَّلَوَاتِ فَأَمَرْنَاهُ أَنْ يَؤُمَّنَا وَقُلْنَا لَهُ إِنَّكَ أَحَقُّنَا بِذَلِكَ أَنْتَ صَاحِبُ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَأَبَى فَقَالَ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ ‏ ‏ مَنْ أَمَّ النَّاسَ فَأَصَابَ فَالصَّلاَةُ لَهُ وَلَهُمْ وَمَنِ انْتَقَصَ مِنْ ذَلِكَ شَيْئًا فَعَلَيْهِ وَلاَ عَلَيْهِمْ ‏" ‏ ‏‏

উকবাহ বিন আমির আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(আবু আলী) , নৌ ভ্রমনে বের হন, তাতে উকবাহ বিন আমির আল জুহানীও ছিলেন। কোন এক সলাতের ওয়াক্ত উপস্থিত হলে আমরা তাকে আমাদের ইমামতি করতে অনুরোধ করলাম এবং তাকে বললাম, নিশ্চয় আমাদের মধ্যে আপনিই এর যোগ্য। আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবী। কিন্তু তিনি (ইমামতি করতে) অস্বীকার করেন এবং বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ কোন ব্যক্তি লোকদের ইমামতি করলো এবং সঠিকভাবে সালাত পড়লো, তাতে তার ও মোক্তাদীদের সালাত হয়ে গেল। কিন্তু যে ব্যক্তি তাতে কোন ত্রুটি করলো, তার দায় তার উপর বর্তাবে, তাদের উপর নয়। [৯৮৩]


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية