জামে' আত-তিরমিজি > নস্য (নাক দিয়ে ব্যবহার্য ঔষধ) ইত্যাদি প্রসঙ্গে

জামে' আত-তিরমিজি ২০৪৭

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عِيسَى الثَّقَفِيِّ، عَنْ يَزِيدَ، مَوْلَى الْمُنْبَعِثِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏‏ تَعَلَّمُوا مِنْ أَنْسَابِكُمْ مَا تَصِلُونَ بِهِ أَرْحَامَكُمْ فَإِنَّ صِلَةَ الرَّحِمِ مَحَبَّةٌ فِي الأَهْلِ مَثْرَاةٌ فِي الْمَالِ مَنْسَأَةٌ فِي الأَثَرِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَمَعْنَى قَوْلِهِ ‏"‏ مَنْسَأَةٌ فِي الأَثَرِ ‏"‏ ‏.‏ يَعْنِي زِيَادَةً فِي الْعُمُرِ ‏.‏"

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে সব ঔষধ তোমরা ব্যবহার কর তার মধ্যে উত্তম ঔষধ হচ্ছে নস্য, মুখ দিয়ে সেবন করার ঔষধ, রক্তমোক্ষণ ও জোলাপ (বিরেচক ঔষধ)। রাসূল্লাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হলে সাহাবীগণ তাঁকে মুখ দিয়ে ঔষধ সেবন করান। তারা অবসর হলে তিনি বলেনঃ এদের সবাইকে লাদু (মুখ দিয়ে সেব্য ঔষধ) সেবন করাও। রাবী বলেন, আব্বাস (রাঃ) ব্যতীত সবাইকে লাদু সেবন করানো হয়। যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী (৪৪৭৩)।


জামে' আত-তিরমিজি ২০৪৮

حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زِيَادِ بْنِ أَنْعُمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ مَا دَعْوَةٌ أَسْرَعَ إِجَابَةً مِنْ دَعْوَةِ غَائِبٍ لِغَائِبٍ ‏" ‏ ‏‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏‏ وَالإِفْرِيقِيُّ يُضَعَّفُ فِي الْحَدِيثِ وَهُوَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ زِيَادِ بْنِ أَنْعُمٍ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ هُوَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيُّ ‏‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যেসব ঔষধ ব্যবহার কর তার মধ্যে উত্তম ঔষধ হচ্ছে, লাদুদ, নস্য, রক্তমোক্ষণ ও জোলাপ। তোমরা যে সুরমা ব্যবহার কর তার মধ্যে উত্তম হচ্ছে ইসমিদ নামক সুরমা। কেননা এটা চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করে এবং চোখের পাতার পশম গজায়। রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একটি সুরমাদানী ছিল। তিনি ঘুমানোর পূর্বে তা থেকে উভয় চোখে তিনবার করে সুরমা লাগাতেন। যঈফ, “ইসমিদ সুরমা লাগানো” অংশটুকু সহীহ। ইবনু মাজাহ (৩৪৯৫, ৩৪৯৭, ৩৪৯৯), আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। এটি আব্বাস ইবনু মানসূর (রহঃ) বর্ণিত হাদীস।


জামে' আত-তিরমিজি > দাগ লাগানো (উত্তপ্ত লোহার মাধ্যমে শরীর দগ্ধ করা) নিষেধ

জামে' আত-তিরমিজি ২০৪৯

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ الْمُسْتَبَّانِ مَا قَالاَ فَعَلَى الْبَادِي مِنْهُمَا مَا لَمْ يَعْتَدِ الْمَظْلُومُ ‏" ‏ ‏‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ سَعْدٍ وَابْنِ مَسْعُودٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ ‏‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏‏

ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উত্তপ্ত লোহার মাধ্যমে শরীরে দাগ দিতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা যখন রোগাক্রান্ত হয়ে উত্তপ্ত লোহা দ্বারা দাগ লাগিয়েছি তখন ব্যর্থতা ও বিফলতা ব্যতীত আর কিছুই পাইনি। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৪৯০)।


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية