জামে' আত-তিরমিজি > কাফ্‌ফারা আদায়ের পূর্বে যিহারকারী সহবাস করলে

জামে' আত-তিরমিজি ১১৯৮

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، وَابْنَ، عَبَّاسٍ وَأَبَا سَلَمَةَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ تَذَاكَرُوا الْمُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا الْحَامِلَ تَضَعُ عِنْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ تَعْتَدُّ آخِرَ الأَجَلَيْنِ ‏.‏ وَقَالَ أَبُو سَلَمَةَ بَلْ تَحِلُّ حِينَ تَضَعُ ‏.‏ وَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ أَنَا مَعَ ابْنِ أَخِي يَعْنِي أَبَا سَلَمَةَ فَأَرْسَلُوا إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ قَدْ وَضَعَتْ سُبَيْعَةُ الأَسْلَمِيَّةُ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِيَسِيرٍ فَاسْتَفْتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَهَا أَنْ تَتَزَوَّجَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ.‏

সালামা ইবনু সাখর আল-বায়াযী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যিহার করার পর কাফফারা আদায়ের পূর্বে স্ত্রীর সাথে সঙ্গমকারী ব্যক্তি প্রসঙ্গে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এমতাবস্থায় তার একটি মাত্র কাফ্‌ফারাই হবে। সহীহ্‌, প্রাগুক্ত


জামে' আত-তিরমিজি ১১৯৯

حَدَّثَنَا الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِيسَى، أَنْبَأَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ بِهَذِهِ الأَحَادِيثِ الثَّلاَثَةِ، قَالَ قَالَتْ زَيْنَبُ دَخَلْتُ عَلَى أُمِّ حَبِيبَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حِينَ تُوُفِّيَ أَبُوهَا أَبُو سُفْيَانَ بْنُ حَرْبٍ فَدَعَتْ بِطِيبٍ فِيهِ صُفْرَةُ خَلُوقٍ أَوْ غَيْرُهُ فَدَهَنَتْ بِهِ جَارِيَةً ثُمَّ مَسَّتْ بِعَارِضَيْهَا ثُمَّ قَالَتْ وَاللَّهِ مَا لِي بِالطِّيبِ مِنْ حَاجَةٍ غَيْرَ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ ‏ لاَ يَحِلُّ لاِمْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ أَنْ تُحِدَّ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ إِلاَّ عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا ‏" ‏ ‏‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক যিহারের পর তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করে। তারপর সে লোক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার স্ত্রীর সাথে আমি যিহার করেছি এবং কাফফারা আদায়ের পূর্বে সহবাস করে ফেলেছি। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা'আলা তোমায় রাহাম করুন! তোমাকে কোন্‌ জিনিস এ কাজে লিপ্ত হতে উদ্বুদ্ধ করল? সে বলল, আমি চাঁদের আলোতে তার পায়ের অলংকার দেখতে পেয়েছিলাম। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা তোমাকে যা হুকুম করেছেন তা পালনের পূর্বে আর তার ধারে-কাছেও যেও না। সহীহ্‌, ইবনু মাজাহ- (২০৬৫)


জামে' আত-তিরমিজি > যিহারের কাফফারা

জামে' আত-তিরমিজি ১২০০

قَالَتْ زَيْنَبُ فَدَخَلْتُ عَلَى زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ حِينَ تُوُفِّيَ أَخُوهَا فَدَعَتْ بِطِيبٍ فَمَسَّتْ مِنْهُ ثُمَّ قَالَتْ وَاللَّهِ مَا لِي فِي الطِّيبِ مِنْ حَاجَةٍ غَيْرَ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ ‏ لاَ يَحِلُّ لاِمْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ أَنْ تُحِدَّ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلاَثِ لَيَالٍ إِلاَّ عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا ‏" ‏ ‏‏

আবূ সালামা ও মুহাম্মদ ইবনু আবদুর রাহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বায়াযা গোত্রের সালমান ইবনু সাখর আনসারী তার স্ত্রীকে রামাযান মাসের জন্য তার মায়ের পিঠের সাথে তুলনা করল (যিহার করল)। এই মাসের অর্ধেক গত হওয়ার পর এক রাতে সে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করল। তারপর সে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে বিষয়টি তাঁকে জানালো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ একটি গোলাম আযাদ কর। সে বলল, এটা করার সামর্থ্য আমার নেই। তিনি বললেনঃ একাধারে দুই মাস রোযা রাখ। সে বলল, আমার সামর্থ্য নেই এটা করার। তিনি বললেনঃ যাটজন মিসকীনকে খাওয়াও। সে বলল, এটা করারও আমার সামর্থ্য নেই। তখন ফারওয়া ইবনু আমর (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে এই খেজুরের ঝুড়িটা দাও যাতে ষাটজন মিসকীনকে সে খাওয়াতে পারে। আরাক এমন বড় ঝুড়িকে বলা হয় যাহাতে ১৫ অথবা ১৬ সা'খেজুর ধরে। সহীহ্‌, ইবনু মাজাহ- (২০৬২)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية