জামে' আত-তিরমিজি > বুদ্ধি ও স্মৃতি নষ্ট হওয়া লোকের তালাক

জামে' আত-তিরমিজি ১১৯১

أَنْبَأَنَا بِذَلِكَ بُنْدَارٌ أَنْبَأَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ أَنْبَأَنَا أَيُّوبُ عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ عَمَّنْ حَدَّثَهُ عَنْ ثَوْبَانَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ ‏ أَيُّمَا امْرَأَةٍ سَأَلَتْ زَوْجَهَا طَلاَقًا مِنْ غَيْرِ بَأْسٍ فَحَرَامٌ عَلَيْهَا رَائِحَةُ الْجَنَّةِ ‏" ‏ ‏‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏‏ وَيُرْوَى هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ عَنْ ثَوْبَانَ ‏‏ وَرَوَاهُ بَعْضُهُمْ عَنْ أَيُّوبَ بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَمْ يَرْفَعْهُ ‏‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তালাক মাত্রই বলবৎ হয়, কিন্তু বুদ্ধি ও স্মৃতি নষ্ট হওয়া ব্যক্তির তালাক বলবৎ হয় না। খুবই দুর্বল। সহীহ কথা হল হাদীসটি মাওকূফ, ইরওয়া(২০৪২)


জামে' আত-তিরমিজি > তালাকের সংখ্যা

জামে' আত-তিরমিজি ১১৯২

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي زِيَادٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَخِي ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَمِّهِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ إِنَّ الْمَرْأَةَ كَالضِّلَعِ إِنْ ذَهَبْتَ تُقِيمُهَا كَسَرْتَهَا وَإِنْ تَرَكْتَهَا اسْتَمْتَعْتَ بِهَا عَلَى عِوَجٍ ‏" ‏ ‏‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي ذَرٍّ وَسَمُرَةَ وَعَائِشَةَ ‏‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏‏

আইশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, লোকেরা (জাহিলী যুগে) যেমন ইচ্ছা নিজ স্ত্রীকে তালাক দিত। এমনকি সে শতবার বা ততোধিক তালাক দেবার পরও তাকে ইদ্দাতের মধ্যে ফেরত নিলে সে পুরা দস্তর তার বিবি বিবেচিত হত। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌছল যে, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে বলল, আল্লাহ্ তা'আলার শপথ! আমি তোমাকে এমন তালাকও দিব না যে, তুমি আমার নিকট হতে আলাদা হয়ে যাবে এবং তোমাকে কখনো (স্থান) সহায়তাও দিব না। তার স্ত্রী বলল, এ কেমন কথা? সে বলল, আমি তোমাকে তালাক দিব এবং ইদ্দাত শেষ হওয়ার আগে ফিরিয়ে নিব। তোমার সাথে বারবার এমনই করতে থাকব। স্ত্রীলোকটি আইশা (রাঃ)-এর নিকটে এসে তাকে এ ঘটনা জানালো। আইশা (রাঃ) নীরব রইলেন। এর মাঝে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাযির হলেন। তিনি তাঁকে ব্যাপারটি অবগত করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুপ থাকলেন। এসময় কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হলঃ “তালাক দুইবার। তারপর হয় তাকে যথারীতি ফিরিয়ে নিবে, অন্যথায় সঠিক পন্থায় মুক্ত করে দিবে”-(সূরাঃ বাকারা- ২২৯)। আইশা (রাঃ) বলেন, এরপর থেকে যে লোক আগে তালাক দিয়েছে আর যে লোক দেয়নি উভয়ই ভবিষ্যতের জন্য নতুনভাবে তালাকের অধিকার লাভ করলো। যঈফ, ইরওয়া (৭/১৬২)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية