অনুচ্ছেদঃ রোদের দিকে মুখ করে বসবে না। - আদাবুল মুফরাদ | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ রোদের দিকে মুখ করে বসবে না।

আদাবুল মুফরাদ ১১৮৬

حدثنا مسدد قال: حدثنا يحيى قال: حدثنا إسماعيل بن أبي خالد قال: حدثني قيس، عن أبيه، أنه جاء ورسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب، فقام في الشمس، فأمره فتحول إلى الظل

তিনি যখন এসে উপস্থিত হন তখন রসূলুল্লাহ (সাঃ) ভাষণ দিচ্ছিলেন। তিনি রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে গেলেন। নবী (সাঃ) তাকে নির্দেশ দিলে তিনি ছায়ায় চলে আসেন। (আহমাদ, হাকিম, ইবনে খুজাইমাহ, ইবনে হিব্বান,তায়ালিসী)


আদাবুল মুফরাদ > অনুচ্ছেদঃ পোশাক পরিধানের নিষিদ্ধ নিয়ম (ইহতিবা)।

আদাবুল মুফরাদ ১১৮৭

حدثنا عبد الله بن صالح قال: حدثني الليث قال: حدثني يونس، عن ابن شهاب قال: أخبرني عامر بن سعد، أن أبا سعيد الخدري قال: نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن لبستين وبيعتين: نهى عن الملامسة، والمنابذة في البيع - الملامسة: أن يمس الرجل ثوبه، والمنابذة: ينبذ الآخر إليه ثوبه - ويكون ذلك بيعهم عن غير نظر. واللبستين اشتمال الصماء - والصماء: أن يجعل طرف ثوبه على إحدى عاتقيه، فيبدو أحد شقيه ليس عليه شيء - واللبسة الأخرى احتباؤه بثوبه وهو جالس، ليس على فرجه منه شيء

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) দুই ধরনের পোশাক পরিধানের নিয়ম এবং দুই ধরনের ক্রয়-বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। তিনি ক্রয়-বিক্রয়ে মুলামাসা ও মুনাবাযা নিষিদ্ধ করেছেন। মুলামাসা হলো, কোন ব্যক্তির অপর ব্যক্তির কাপড় স্পর্শ করা। আর মুনাবাযা হলো, কোন ব্যক্তির কাপড় অপর ব্যক্তির দিকে ছুঁড়ে মারা। (পণ্য নিরীক্ষণ করে না দেখলেও) এতে উভয়ের জন্য ক্রয়-বিক্রয় বাধ্যতামূলক হয়ে যেতো। আর দুই ধরনের পোশাক পরার নিয়মের ক্ষেত্রে তিনি ইশতিমালুস সাম্মা নিষিদ্ধ করেছেন। সাম্মা এই যে, নিজের পরিধেয় বস্ত্র নিজের এক কাঁধে এমনভাবে তুলে দেয়া, যাতে অন্য কাঁধ অনাবৃত থেকে যায়। পোশাক পরিধানের নিষিদ্ধ অপর নিয়ম এই যে, এক পরত কাপড় নিজের গোটা দেহে পেঁচিয়ে কারো এমনভাবে বসা, যাতে তার লজ্জাস্থানে কোন কাপড়ই থাকে না। (বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية