শেষ রাতে দু’আ করার প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং সে সময় কবূল হওয়া। - আল লু'লু ওয়াল মারজান | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

আল লু'লু ওয়াল মারজান > শেষ রাতে দু’আ করার প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং সে সময় কবূল হওয়া।

আল লু'লু ওয়াল মারজান ৪৩৪

حديث أبي هريرة رضي الله عنه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: ينزل ربنا تبارك وتعالى كل ليلة إلى السماء الدنيا، حين يبقى ثلث الليل الآخر، يقول من يدعوني فأستجيب له، من يسألني فأعطيه، من يستغفرني فأغفر له

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহামহিম আল্লাহ্ তা’আলা প্রতি রাতে রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকা কালে পৃথিবীর নিকটবর্তী আসমানে অবতরণ করে ঘোষণা করতে থাকেনঃ কে আছে এমন, যে আমাকে ডাকবে? আমি ডাকে সাড়া দিব। কে আছে এমন যে, আমার নিকট চাইবে? আমি তাকে তা দিব। কে আছে এমন আমার নিকট ক্ষমা চাইবে? আমি তাকে ক্ষমা করব। (বুখারী পর্ব ১৯ : /১৪ হাঃ ১১৪৫, মুসলিম ৬/২৩, হাঃ ৭৫৮)


আল লু'লু ওয়াল মারজান > রমাযানের রাতের ক্বিয়ামের বা ‘ইবাদাতের প্রতি উৎসাহ প্রদান আর তা হচ্ছে (কিয়ামু রমাযান) তারাবীহ।

আল লু'লু ওয়াল মারজান ৪৩৫

حديث أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه

তিনি বলেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেনঃ যে ব্যক্তি রমাযানের রাতে ঈমানসহ পুণ্যের আশায় রাত জেগে ‘ইবাদাত করে, তার পূর্বের গুনাহ্ ক্ষমা করে দেয়া হয়। (বুখারী পর্ব ২৭ : /২৭ হাঃ ৩৭, মুসলিম ৬/২৫, হাঃ ৭৬০)


আল লু'লু ওয়াল মারজান ৪৩৬

حديث عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج ذات ليلة من جوف الليل فصلى في المسجد، فصلى رجال بصلاته، فأصبح الناس فتحدثوا، فاجتمع أكثر منهم فصلوا معه، فأصبح الناس فتحدثوا، فكثر أهل المسجد من الليلة الثالثة، فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلوا بصلاته، فلما كانت الليلة الرابعة عجز المسجد عن أهله حتى خرج لصلاة الصبح؛ فلما قضى الفجر أقبل على الناس فتشهد ثم قال: أما بعد؛ فإنه لم يخف علي مكانكم، لكني خشيت أن تفرض عليكم فتعجزوا عنها

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন একরাতের মধ্যভাগে বের হলেন এবং মাসজিদে গিয়ে সলাত আদায় করলেন। তাঁর সঙ্গে সাহাবীগণও সলাত আদায় করলেন, সকালে তাঁরা এ নিয়ে আলোচনা করলেন। ফলে (দ্বিতীয় রাতে) এর চেয়ে অধিক সংখ্যক সহাবী একত্রিত হলেন এবং তাঁর সঙ্গে সলাত আদায় করলেন। পরের দিন সকালেও তাঁরা এ সম্পর্কে আলোচনা করলেন। ফলে তৃতীয় রাতে মাসজিদে লোকসংখ্যা অত্যধিক বৃদ্ধি পেল। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বের হলেন এবং সহাবীগণ তাঁর সঙ্গে সলাত আদায় করলেন। চতুর্থ রাতে মাসজিদে মুসুল্লীগণের স্থান সংকুলান হচ্ছিল না। অবশেষে তিনি ফাজরের সলাতের জন্য বের হলেন এবং ফাজরের সলাত শেষ করে লোকদের দিকে ফিরলেন। অতঃপর আল্লাহ্‌র হামদ ও সানা বর্ণনা করেন। অতঃপর বললেনঃ আম্‌মা বা’দ (তারপর বক্তব্য এই যে) এখানে তোমাদের উপস্থিতি আমার নিকট গোপন ছিল না, কিন্তু আমার আশংকা ছিল, তা তোমাদের জন্য ফার্‌য করে দেয়া হয় আর তোমরা তা আদায় করতে অপারগ হয়ে পড়। (বুখারী পর্ব ১১ : /২৯ হাঃ ৯২৪, মুসলিম ৬/২৫, হাঃ ৭৬১)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية