মসজিদ বিষয়ক হাদীসসমূহ - হাদিস সম্ভার | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

হাদিস সম্ভার > মসজিদ বিষয়ক হাদীসসমূহ

হাদিস সম্ভার ৫৮৪

وَعَنْ حَبِيبِ بْنِ مَسْلَمَةٍ ‏- رضى الله عنه ‏- قَالَ: { شَهِدْتُ رَسُولُ اَللَّهِ ‏- صلى الله عليه وسلم ‏-نَفَّلَ اَلرُّبْعَ فِي اَلْبَدْأَةِ, وَالثُّلُثَ فِي اَلرَّجْعَةِ } رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ اَلْجَارُودِ, وَابْنُ حِبَّانَ, وَالْحَاكِمُ 1‏ .‏

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর (সন্তুষ্টি লাভের) উদ্দেশ্যে একটি মসজিদ নির্মাণ করে দেয়, আল্লাহ তার জন্য বেহেস্তে একটি ঘর বানিয়ে দেন।” (বুখারী ৪৫০, মুসলিম ১২১৭, মিশকাত ৬৯৭নং)


হাদিস সম্ভার ৫৮৫

وَعَنْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِيَ اَللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: { كَانَ رَسُولُ اَللَّهِ ‏- صلى الله عليه وسلم ‏-يُنَفِّلُ بَعْضَ مَنْ يَبْعَثُ مِنْ اَلسَّرَايَا لِأَنْفُسِهِمْ خَاصَّةً, سِوَى قَسْمِ عَامَّةِ اَلْجَيْشِ } مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ 1‏ .‏

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “যে ব্যক্তি পানির কোন কূপ খনন করে এবং তা হতে মানব, দানব, পশু-পক্ষী (প্রভৃতি) পিপাসার্ত জীব পানি পান করে তবে সেই ব্যক্তিকে আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার প্রতিদান প্রদান করবেন। আর যে ব্যক্তি তিতির পাখীর (পোকামাকড় খোঁজার উদ্দেশ্যে) আঁচড়ানো স্থান (বা তার বাসা) পরিমাণ আয়তনের অথবা তদপেক্ষা ছোট আকারের মসজিদ নির্মাণ করবে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি গৃহ নিৰ্মাণ করবেন।” (ইবনে খুযাইমাহ ১২৯২, ইবনে মাজাহ ৭৩৮, সহীহ তারগীব ২৭১নং)


হাদিস সম্ভার ৫৮৬

وَعَنْهُ [ قَالَ ]: { كُنَّا نُصِيبُ فِي مَغَازِينَا اَلْعَسَلَ وَالْعِنَبَ , فَنَأْكُلُهُ وَلَا نَرْفَعُهُ } رَوَاهُ اَلْبُخَارِيُّ 1‏ .‏ وَلِأَبِي دَاوُدَ:  { فَلَمْ يُؤْخَذْ مِنْهُمْ اَلْخُمُسُ } .‏ وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ 2‏ .‏

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “মসজিদের ভিতর থুথু ফেলা পাপ। আর তার কাফ্‌ফারা (প্রায়শ্চিত্ত) হল তা মাটিতে পুঁতে দেওয়া।” (বুখারী ৪১৫, মুসলিম ১২৫৯নং প্রমুখ) অর্থাৎ মসজিদের মেঝে কাঁচা মাটি বা বালির হলে তা মাটি বা বালি ঢাকা দিতে হবে। আমাদের (শাফেয়ী) মাযহাবের আলেম আবুল মাহাসিন রুয়ানী তাঁর ‘আল-বাহ্‌র’ গ্রন্থে বলেন, বলা হয়েছে যে, দাফন করার অর্থ হল, তা মসজিদ থেকে দূর ক’রে দেওয়া। কিন্তু মসজিদের মেঝে যদি মোজাইক করা বা পাকা হয়, তাহলে তা জুতা বা অন্য কিছু দিয়ে রগড়ে দেওয়া---যেমন বহু জহেল ক’রে থাকে---দাফন করা নয়। বরং তাতে পাপ বৃদ্ধি করা এবং মসজিদকে বেশি নোংরা করা হয়। যে কেউ এমন ক’রে থাকে, তার উচিত হল, তা কাপড়, হাত অথবা অন্য কিছু দিয়ে মুছে দেওয়া অথবা পান দিয়ে ধুয়ে দেওয়া।


হাদিস সম্ভার ৫৮৭

وَعَنْ عَبْدِ اَللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى رَضِيَ اَللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: { أَصَبْنَا طَعَاماً يَوْمَ خَيْبَرَ, فَكَانَ اَلرَّجُلُ يَجِيءُ, فَيَأْخُذُ مِنْهُ مِقْدَارَ مَا يَكْفِيهِ, ثُمَّ يَنْصَرِفُ } أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ اَلْجَارُودِ, وَالْحَاكِمُ 1‏ .‏

একদা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিবলার দিকের দেওয়ালে পোঁটা, থুথু কিংবা শ্লেষ্মা দেখতে পেলেন। সুতরাং তিনি রগড়ে পরিস্কার ক’রে দিলেন। (বুখারী ৪০৭, মুসলিম ১২৫৫নং)


হাদিস সম্ভার ৫৮৮

وَعَنْ رُوَيْفِعِ بْنِ ثَابِتٍ ‏- رضى الله عنه ‏- قَالَ: قَالَ رَسُولُ اَللَّهِ ‏- صلى الله عليه وسلم ‏-{ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاَللَّهِ وَالْيَوْمِ اَلْآخِرِ فَلَا يَرْكَبُ دَابَّةً مِنْ فَيْءِ اَلْمُسْلِمِينَ, حَتَّى إِذَا أَعْجَفَهَا رَدَّهَا فِيهِ, وَلَا يَلْبَسُ ثَوْباً مِنْ فَيْءِ اَلْمُسْلِمِينَ حَتَّى إِذَا أَخْلَقَهُ رَدَّهُ فِيهِ" } أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالدَّارِمِيُّ, وَرِجَالُهُ لَا بَأْسَ بِهِمْ 1‏ ‏

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খেজুর কাঁদির ডাঁটা হাতে নিতে পছন্দ করতেন। একদা ঐ ডাঁটা হাতে তিনি মসজিদ প্রবেশ করলেন এবং মসজিদের কিবলায় (দেওয়ালে) কিছু শ্লেষ্মা লেগে আছে তা লক্ষ্য করলেন। তিনি ঐ (ডাঁটা দ্বারা) তা রগড়ে পরিস্কার করে দিলেন। অতঃপর রাগের সাথে লোকেদেরকে সম্বোধন করে বললেন, “তোমাদের মধ্যে কেউ কি একথা পছন্দ করে যে, কোন ব্যক্তি তাকে সামনে করে তার চেহারায় থুথু মারে?! তোমাদের মধ্যে যখন কেউ কেবলামুখে নামায পড়তে দাঁড়ায়, তখন তার মহান প্রতিপালক (আল্লাহ) তার সামনে থাকেন এবং তার ডানে থাকেন ফিরিশুা। সুতরাং সে যেন তার সামনের (কেবলার) দিকে অথবা ডান দিকে থুথু না ফেলে----।” (ইবনে খুযাইমাহ ৮৮০, সহীহ তারগীব ২৮২নং)


হাদিস সম্ভার ৫৮৯

وَعَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ اَلْجَرَّاحِ ‏- رضى الله عنه ‏- قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اَللَّهِ ‏- صلى الله عليه وسلم ‏-يَقُولُ: { يُجِيرُ عَلَى اَلْمُسْلِمِينَ بَعْضُهُمْ" } أَخْرَجَهُ ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ, وَأَحْمَدُ, وَفِي إِسْنَادِهِ ضَعْفٌ 1‏ ‏

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “কিবলার দিকে যে কফ্‌ ফেলে তার চেহারায় ঐ কফ্‌ থাকা অবস্থায় সে ব্যক্তিকে কিয়ামতের দিন পুনরুত্থিত করা হবে।” (বাযযার ৫৯০৪, ইবনে খুযাইমাহ ১৩১৩, ইবনে হিব্বান ১৬৩৮, সহীহ তারগীব ২৮৫) * বলা বাহুল্য নামায ছাড়া অন্যান্য অবস্থাতেও কেবলার দিকে থুথু বা কফ্‌ ফেলা বৈধ নয়।


হাদিস সম্ভার ৫৯০

وَلِلْطَيَالِسِيِّ: مِنْ حَدِيثِ عَمْرِوِ بْنِ الْعَاصِ: { يُجِيرُ عَلَى اَلْمُسْلِمِينَ أَدْنَاهُمْ" } 1‏ ‏

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “নিশ্চয় এ মসজিদসমূহ পেশাব ও নোংরা-আবর্জনার উপযুক্ত স্থান নয়। এসব তো মহান আল্লাহর যিক্‌র এবং কুরআন তেলাঅত করার জন্য।” অথবা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুরূপ কিছু বলেছেন। (মুসলিম ৬৮৭নং)


হাদিস সম্ভার > মসজিদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ ও হৈ-হল্লা করা, হারানো বস্তুর খোঁজ বা ঘোষণা করা, কেনা-বেচা করা, ভাড়া বা মজুরী বা ইজারা চুক্তি ইত্যাদি অনুরূপ কর্ম নিষেধ।

হাদিস সম্ভার ৫৯১

وَفِي اَلصَّحِيحَيْنِ" : عَنْ عَلِيٍّ [رَضِيَ اَللَّهُ عَنْهُ قَالَ]: { "ذِمَّةُ اَلْمُسْلِمِينَ وَاحِدَةٌ يَسْعَى ِبهَا أَدْنَاهُمْ" } 1‏ .‏"

তিনি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছেন, “যে ব্যক্তি কাউকে হারানো জিনিস সন্ধান (ঘোষণা) করতে শোনে, সে যেন বলে, “আল্লাহ যেন তোমাকে তা ফিরিয়ে না দেন।’ কারণ, মসজিদ এর জন্য বানানো হয়নি।” (মুসলিম ১২৮৮নং)


হাদিস সম্ভার ৫৯২

زَادَ اِبْنُ مَاجَه مِنْ وَجْهٍ آخَرَ: { يُجِيرُ عَلَيْهِمْ أَقْصَاهُمْ" } 1‏ ‏

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যখন তোমরা কাউকে মসজিদের মধ্যে কেনা-বেচা করতে দেখবে, তখন বলবে, ‘আল্লাহ তোমার ব্যবসায় যেন লাভ না দেন।’ আর যখন কাউকে হারানো জিনিস খুঁজতে দেখবে, তখন বলবে, আল্লাহ যেন তোমাকে তা ফিরিয়ে না দেন।” (তিরমিযী ১৩২১, নাসাঈর কুবরা ১০০০৪, ইবনে খুযাইমা ১৩০৫, হাকেম ২৩৩৯, সহীহ তারগীব ২৮৭নং)


হাদিস সম্ভার ৫৯৩

وَفِي اَلصَّحِيحَيْنِ" مِنْ حَدِيثٍ أَمِ هَانِئٍ: { قَدْ أَجَرْنَا مَنْ أَجَرْتِ" } 1‏ .‏"

একটি লোক মসজিদের মধ্যে (হারানো বস্তু সম্পর্কে) ঘোষণা পূর্বক বলল, ‘আমাকে আমার লাল উটের সন্ধান কে দিতে পারবে?’ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “তুমি যেন তা না পাও। মসজিদ সেই কাজের জন্য নির্মিত হয়েছে, যে কাজের জন্য নির্মিত হয়েছে।” (মুসলিম ১২৯০-১২৯১নং) (অর্থাৎ ইবাদতের জন্য, হারানো জিনিস খোঁজার জন্য নয়।)


হাদিস সম্ভার ৫৯৪

وَعَنْ عُمَرَ ‏- رضى الله عنه ‏- أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اَللَّهِ ‏- صلى الله عليه وسلم ‏-يَقُولُ: { لَأَخْرِجَنَّ اَلْيَهُودَ وَالنَّصَارَى مِنْ جَزِيرَةِ اَلْعَرَبِ, حَتَّى لَا أَدَعَ إِلَّا مُسْلِماً" } رَوَاهُ مُسْلِمٌ‏ 1‏ ‏

তিনি তাঁর (আম্‌রের) দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন মসজিদের মধ্যে কেনা-বেচা করতে, হারানো বস্তু সন্ধান করতে অথবা তাতে (অবৈধ) কবিতা আবৃত্তি করতে। (আবূ দাউদ ১০৮১, তিরমিযী ৩২২নং, হাসান)


হাদিস সম্ভার ৫৯৫

وَعَنْهُ قَالَ: { كَانَتْ أَمْوَالُ بَنِي اَلنَّضِيرِ مِمَّا أَفَاءَ اَللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ, مِمَّا لَمْ يُوجِفْ عَلَيْهِ اَلْمُسْلِمُونَ بِخَيْلٍ وَلَا رِكَابٍ, فَكَانَتْ لِلنَّبِيِّ ‏- صلى الله عليه وسلم ‏-خَاصَّةً, فَكَانَ يُنْفِقُ عَلَى أَهْلِهِ نَفَقَةَ سَنَةٍ, وَمَا بَقِيَ يَجْعَلُهُ فِي اَلْكُرَاعِ وَالسِّلَاحِ, عُدَّةً فِي سَبِيلِ اَللَّهِ } مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ.‏ 1‏ .‏"

তিনি বলেন, আমি মসজিদে (নববীতে) ছিলাম। এমন সময় একটি লোক আমাকে কাঁকর ছুঁড়ে মারল। আমি তার দিকে তাকাতেই দেখি, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)। তিনি বললেন, ‘যাও, ঐ দু’জনকে আমার নিকট নিয়ে এস।’ আমি তাদেরকে নিয়ে তাঁর কাছে এলাম। তিনি বললেন, ‘তোমরা কোথাকার?’ তারা বলল, ‘আমরা তায়েফের অধিবাসী।’ তিনি বললেন, ‘তোমরা যদি এই শহর (মদীনার) লোক হতে, তাহলে আমি তোমাদেরকে অবশ্যই কঠোর শাস্তি দিতাম। তোমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মসজিদে উচ্চৈঃস্বরে কথা বলছ!’ (বুখারী ৪৭০নং)


হাদিস সম্ভার ৫৯৬

وَعَنْ مُعَاذٍ ‏- رضى الله عنه ‏- قَالَ: { غَزَوْنَا مَعَ رَسُولِ اَللَّهِ ‏- صلى الله عليه وسلم ‏-خَيْبَرَ, فَأَصَبْنَا فِيهَا غَنَمًا , فَقَسَمَ فِينَا رَسُولُ اَللَّهِ ‏- صلى الله عليه وسلم ‏-طَائِفَةً, وَجَعَلَ بَقِيَّتَهَا فِي اَلْمَغْنَمِ } رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَرِجَالُهُ لَا بَأْسَ بِهِمْ 1‏ .‏"

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “আখেরী যামানায় এক শ্রেণীর লোক হবে যারা মসজিদে (সাংসারিক) কথা-বার্তা বলবে। এদেরকে নিয়ে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।” (ইবনে হিব্বান ৬৭৬১, সহীহ তারগীব ২৯৬নং)


হাদিস সম্ভার ৫৯৭

وَعَنْ أَبِي رَافِعٍ ‏- رضى الله عنه ‏- قَالَ: قَالَ رَسُولُ اَللَّهِ ‏- صلى الله عليه وسلم ‏-{ إِنِّي لَا أَخِيسُ بِالْعَهْدِ, وَلَا أَحْبِسُ اَلرُّسُلَ " } رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ 1‏ ‏

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “শেষ জামানায় এমন এক শ্রেণীর লোক হবে, যারা মসজিদে গোল হয়ে বসবে; যাদের ইমাম হবে দুনিয়া (তারা জাগতিক কথা আলোচনা করবে)। সুতরাং তোমরা তাদের সাথে বসবে না। কারণ তাদেরকে নিয়ে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।” (ত্বাবারানী ১০৩০০, সিলসিলাহ সহীহাহ ১১৬৩নং)


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية