নিজ পিতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলে দাবী করা বা নিজ মনিব ছাড়া অন্যকে মনিব বলে দাবী করা হারাম - রিয়াদুস সলেহিন | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

রিয়াদুস সলেহিন > নিজ পিতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলে দাবী করা বা নিজ মনিব ছাড়া অন্যকে মনিব বলে দাবী করা হারাম

রিয়াদুস সলেহিন ১৮১১

وعنه رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏ ‏يتبع الدجال من يهود أصبهان سبعون ألفا عليهم الطيالسة‏" ‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏‏

তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি নিজ পিতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলে দাবী করে, অথচ সে জানে যে, সে তার পিতা নয়, তার জন্য জান্নাত হারাম।’’


রিয়াদুস সলেহিন ১৮১২

وعن أم شريك رضي الله عنها أنها سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول‏:‏ لينفرن الناس من الدجال في الجبال‏‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏"

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন; ‘‘তোমরা তোমাদের পিতাকে অস্বীকার করো না। কারণ, নিজ পিতা অস্বীকার করা হল কুফরী।’’


রিয়াদুস সলেহিন ১৮১৩

وعن عمران بن حصين رضي الله عنهما قال‏:‏ سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول‏:‏ ‏ ‏ما بين خلق آدم إلى قيام الساعة أمر أكبر من الدجال‏" ‏‏‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏‏

তিনি বলেন, আমি আলী (রাঃ)-কে মিম্বরের উপর খুতবা দিতে দেখেছি এবং তাকে এ কথা বলতে শুনেছি যে, ‘আল্লাহর কসম! আল্লাহর কিতাব ব্যতীত আমাদের কাছে আর কোন কিতাব নেই যা আমরা পাঠ করতে পারি। তবে এ লিপিখানা আছে।’ এরপর তা তিনি খুলে দিলেন। দেখা গেল তাতে (রক্তপণে প্রদেয়) উটের বয়স ও বিভিন্ন যখমের দণ্ডবিধি লিপিবদ্ধ আছে। তাতে আরও লিপিবদ্ধ আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আইর থেকে সওর পর্যন্ত মদীনার হারাম-সীমা। এখানে যে ব্যক্তি (ধর্মীয় বিষয়ে) অভিনব কিছু (বিদআত) রচনা করবে বা বিদআতীকে আশ্রয় দেবে, তার উপর আল্লাহ, ফিরিশ্-তা দল এবং সকল মানুষের অভিশাপ। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার কোন ফরয ও নফল ইবাদত কবুল করবেন না। সমস্ত মুসলিমদের প্রতিশ্রুতি ও নিরাপত্তা-দানের মর্যাদা এক। তাদের কোন নিম্নশ্রেণীর মুসলিম (কাউকে আশ্রয় প্রদানের) কাজ করতে পারে। সুতরাং যে ব্যক্তি মুসলিমের ঐ কাজকে বানচাল করে, তার উপর আল্লাহ, ফিরিশ্-তা ও সকল মানুষের লানত। কিয়ামতের দিনে আল্লাহ তার কোন ফরয ও নফল ইবাদত কবুল করবেন না। আর যে ব্যক্তি প্রকৃত বাপ ছাড়া অন্যকে বাপ বলে দাবী করে বা প্রকৃত মনিব ছাড়া অন্য মনিবের সাথে সম্বন্ধ জুড়ে, তার উপর আল্লাহ, ফিরিশ্-তা ও সমস্ত মানুষের অভিশাপ। কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার কোন ফরয ও নফল ইবাদত গ্রহণ করবেন না।’’


রিয়াদুস সলেহিন ১৮১৪

وعن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ “يخرج الدجال فيتوجه قبله رجل من المؤمنين فيتلقاه المسالح‏:‏ مسالح الدجال، فيقولون له‏:‏ إلى أين تعمد‏؟‏ فيقول‏:‏ أعمد إلى هذا الذي خرج فيقولون له أوَ ما تؤمن بربنا‏؟‏ فيقول‏:‏ ما بربنا خفاء‏!‏ فيقولون‏:‏ اقتلوه، فيقول بعضهم لبعض‏:‏ أليس قد نهاكم ربكم أن تقتلوا أحداً دونه، فينطلقون به إلى الدجال، فإذا رآه المؤمن قال‏:‏ يا أيها الناس إن هذا الدجال الذي ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم ؛ فيأمر الدجال به فيشبّح؛ فيقول‏:‏ خذوه وشجوه، فيوسع ظهره وبطنه ضرباً، فيقول‏:‏ أوَ ما تؤمن بي‏؟‏ فيقول‏:‏ أنت المسيح الكذاب‏!‏ فيؤمر به ، فيؤشر بالمنشار من مفرقه حتى يفرق بين رجليه، ثم يمشي الدجال بين القطعتين ، ثم يقول له‏:‏ قم ، فيستوي قائماً، ثم يقول له‏:‏ أتؤمن بي‏؟‏ فيقول‏:‏ ما ازددت فيك إلا بصيرة، ثم يقول‏:‏ يا أيها الناس إنه لا يفعل بعدي بأحد من الناس، فيأخذه الدجال ليذبحه، فيجعل الله ما بين رقبته إلى ترقوته نحاساً، فلا يستطيع إليه سبيلا، فيأخذ بيديه ورجليه فيقذف به، فيحسب الناس أنما قذفه إلى النار، وإنما ألقي في الجنة‏‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏هذا أعظم الناس شهادة عند رب العالمين‏"‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏ وروى البخاري بعضه بمعناه “المساحل” ‏:‏هم الخفراء والطلائع‏.‏"

তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন যে, ‘‘যে কোন ব্যক্তি জ্ঞাতসারে অন্যকে নিজের বাপ বলে দাবী করে, সে কুফরী করে। যে ব্যক্তি এমন কিছু দাবী করে, যা তার নয়, সে আমাদের দলভুক্ত নয়। আর সে যেন নিজস্ব বাসস্থান জাহান্নামে বানিয়ে নেয়। আর যে ব্যক্তি কাউকে ‘কাফের’ বলে ডাকে বা ‘আল্লাহর দুশমন’ বলে, অথচ বাস্তবে যদি সে তা না হয়, তাহলে তার (বক্তার) উপর তা বর্তায়।’’


রিয়াদুস সলেহিন > আল্লাহ আযযা অজাল্ল ও তাঁর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক নিষিদ্ধ কর্মে লিপ্ত হওয়া থেকে সতর্কীকরণ

রিয়াদুস সলেহিন ১৮১৫

وعن المغيرة بن شعبة رضي الله عنه قال‏:‏ ما سأل أحد رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الدجال أكثر مما سألته؛ وإنه قال لي‏:‏ ‏‏مايضرك‏؟‏ ‏"‏قلت‏:‏ إنهم يقولون‏:‏ إن معه جبل خبز ونهر ماء‏!‏ قال‏:‏ ‏"‏هو أهون على الله من ذلك‏"‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏"

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘নিশ্চয় মহান আল্লাহর ঈর্ষা আছে এবং আল্লাহর ঈর্ষা জাগে, যখন মানুষ আল্লাহ কর্তৃক হারামকৃত কোন কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ে।’’


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية