কোন মুসলমানের দিকে অস্ত্র দ্বারা ইশারা করা হারাম, তা সত্যি সত্যি হোক অথবা ঠাট্টা ছলেই হোক। অনুরূপভাবে নগ্ন তরবারি দেওয়া-নেওয়া করা নিষিদ্ধ - রিয়াদুস সলেহিন | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

রিয়াদুস সলেহিন > কোন মুসলমানের দিকে অস্ত্র দ্বারা ইশারা করা হারাম, তা সত্যি সত্যি হোক অথবা ঠাট্টা ছলেই হোক। অনুরূপভাবে নগ্ন তরবারি দেওয়া-নেওয়া করা নিষিদ্ধ

রিয়াদুস সলেহিন ১৭৯২

عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ “أجتنبوا السبع الموبقات” قالوا‏:‏ يا رسول الله وما هن‏؟‏ قال‏:‏ ‏‏الشرك بالله، والسحر، وقتل النفس التى حرم الله إلا بالحق، وأكل الربا، وأكل مال اليتيم، والتولي يوم الزحف، وقذف المحصنات الغافلات” ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏"

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘তোমাদের কেউ যেন তার কোন ভাইয়ের প্রতি অস্ত্র উত্তোলন ক’রে ইশারা না করে। কেননা, সে জানে না হয়তো শয়তান তার হাতে ধাক্কা দিয়ে দেবে, ফলে (মুসলিম হত্যার অপরাধে) সে জাহান্নামের গর্তে নিপতিত হবে।’’


রিয়াদুস সলেহিন ১৭৯৩

عن ابن عمر رضي الله عنهما قال‏:‏ ‏ ‏نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يسافر بالقرآن إلى أرض العدو‏" ‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏‏

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নগ্ন তরবারি পরস্পর দেওয়া-নেওয়া করতে নিষেধ করেছেন। (কারণ, তাতে হাত-পা কেটে যাবার সম্ভাবনা থাকে)।


রিয়াদুস সলেহিন > আযানের পর বিনা ওযরে ফরয নামায না পড়ে মসজিদ থেকে চলে যাওয়া মকরূহ

রিয়াদুস সলেহিন ১৭৯৪

عن أم سلمة رضي الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏‏الذي يشرب في آنية الفضة إنما يجرجر في بطنه نار جهنم‏"‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏ وفي رواية لمسلم‏:‏ ‏"‏أن الذي يأكل أو يشرب في آنية الفضة والذهب‏"‏"

তিনি বলেন, আমরা (একবার) আবূ হুরাইরা (রাঃ)-এর সঙ্গে মসজিদে বসে ছিলাম। (এমন সময়) মুআয্-যিন আযান দিল। তখন একটি লোক মসজিদ থেকে চলে যেতে লাগল। আবূ হুরাইরা (রাঃ) তার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন, শেষ পর্যন্ত সে মসজিদ থেকে বের হয়ে গেল। অতঃপর আবূ হুরাইরা (রাঃ) বললেন, ‘এই লোকটি আবুল কাসেম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অবাধ্যাচরণ করল।’


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية