নামাযে আসমান বা উপরের দিকে তাকানো নিষেধ - রিয়াদুস সলেহিন | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

রিয়াদুস সলেহিন > নামাযে আসমান বা উপরের দিকে তাকানো নিষেধ

রিয়াদুস সলেহিন ১৭৬৩

عن أبي هريرة وعائشة رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن الوصال‏.‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘লোকদের কী হয়েছে যে, তারা নামাযের মধ্যে আকাশের দিকে দৃষ্টি তুলছে?’’ এ ব্যাপারে তিনি কঠোর বক্তব্য রাখলেন; এমনকি তিনি বললেন, ‘‘তারা যেন অবশ্যই এ কাজ হতে বিরত থাকে; নচেৎ অবশ্যই তাদের দৃষ্টি-শক্তি কেড়ে নেওয়া হবে।’’


রিয়াদুস সলেহিন > বিনা ওযরে নামাযে এদিক-ওদিক তাকানো মকরূহ

রিয়াদুস সলেহিন ১৭৬৪

وعن ابن عمر رضي الله عنهما قال‏:‏ نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الوصال‏.‏ قالوا ‏:‏إنك تواصل‏؟‏ قال‏:‏ ‏ ‏إني لست مثلكم، إني أُطعم وأُسقى‏" ‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏‏ ، وهذا لفظ البخاري‏‏

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে নামাযের মধ্যে এদিক-ওদিক তাকানোর ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, ‘‘এটা এক ধরণের অপহরণ, যার মাধ্যমে শয়তান নামাযের অংশ বিশেষ অপহরণ করে।’’


রিয়াদুস সলেহিন ১৭৬৫

عن أبي هريرة رضي الله عنه قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏‏ ‏ لأن يجلس أحدكم على جمرة، فتحرق ثيابه، فتخلص على جلده خير له من أن يجلس على قبر‏" ‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏

তিনি বলেন, আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: সালাতরত অবস্থায় এদিক-সেদিক তাকিও না। কেননা নামাযের ভিতর এদিক-সেদিক দৃষ্টিপাত একটি বিপর্যয়। যদি ডানে-বামে তাকানো ছাড়া কোন উপায় না থাকে তবে তা নফল সালাতে কর, কিন্তু ফরয সালাতে তা করা যাবে না।


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية