বেগানা নারীর সঙ্গে নির্জনে একত্রবাস করার নিষেধাজ্ঞা - রিয়াদুস সলেহিন | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

রিয়াদুস সলেহিন > বেগানা নারীর সঙ্গে নির্জনে একত্রবাস করার নিষেধাজ্ঞা

রিয়াদুস সলেহিন ১৬৩৬

عن جابر رضي الله عنه قال‏:‏ أتي بأبي قحافة والد أبي بكر الصديق رضي الله عنهما يوم فتح مكة ورأسه ولحيته كالثغامة بياضًا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ ‏غيروا هذا واجتنبوا السواد‏" ‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏‏

একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘তোমরা (বেগানা) নারীদের নিকট (একাকী) যাওয়া থেকে বিরত থাক।’’ (এ কথা শুনে) জনৈক আনসারী নিবেদন করল, ‘স্বামীর আত্মীয় সম্পর্কে আপনার অভিমত কী?’ তিনি বললেন, ‘‘স্বামীর আত্মীয় তো মুত্যুসম (বিপজ্জনক)।’’


রিয়াদুস সলেহিন ১৬৩৭

عن ابن عمر رضي الله عنهما قال‏:‏ نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن القزع‏.‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘মাহরামের উপস্থিতি ছাড়া কোন পুরুষ যেন কোনো মহিলার সাথে নির্জন-বাস না করে।’’


রিয়াদুস সলেহিন ১৬৩৮

وعنه قال‏:‏ رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم صبيًا قد حلق بعض شعر رأسه وترك بعضه فنهاهم عن ذلك وقال‏:‏ ‏ ‏احلقوه كله، أو اتركوه كله‏" ‏‏‏ رواه أبو داود بإسناد صحيح على شرط البخاري ومسلم‏‏

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘স্বগৃহে অবস্থানকারী লোকদের পক্ষে মুজাহিদদের স্ত্রীদের মর্যাদা তাদের নিজেদের মায়ের মর্যাদার মত। স্বগৃহে অবস্থানকারী লোকদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোন মুজাহিদ ব্যক্তির পরিবারের প্রতিনিধিত্ব (দেখা-শুনা) করে, অতঃপর তাদের ব্যাপারে সে তার খেয়ানত ক’রে বসে, তবে কিয়ামতের দিন তাকে মুজাহিদের সম্মুখে দাঁড় করানো হবে এবং সে তার নেকীসমূহ থেকে সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত ইচ্ছামত নেকী নিয়ে নেবে।’’ অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের প্রতি মুখ ফিরিয়ে বললেন, ‘‘তোমাদের ধারণা কী? (সে কি তখন তার কাছ থেকে নেকী নিতে ছাড়বে?]’’


রিয়াদুস সলেহিন > বেশ-ভূষায়, চাল-চলন ইত্যাদিতে নারী-পুরুষের পরস্পরের অনুকরণ হারাম

রিয়াদুস সলেহিন ১৬৩৯

وعن عبد الله بن جعفر رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وسلم أمهل آل جعفر رضي الله عنه ثلاثًا، ثم أتاهم فقال‏:‏ ‏‏لا تبكوا على أخي بعد اليوم‏"‏‏.‏ ثم قال‏:‏ ‏"‏ادعوا لي بني أخي‏"‏ فجيء بنا كأننا أفرخ فقال‏:‏ ‏"‏ادعوا لي الحلاق‏"‏ فأمره، فحلق رءوسنا‏"‏‏.‏ رواه أبو داود بإسناد صحيح على شرط البخاري ومسلم‏.‏"

তিনি বলেন, ‘আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারীর বেশ ধারণকারী পুরুষদেরকে এবং পুরুষের বেশ ধারণকারী মহিলাদেরকে অভিশাপ করেছেন।’ অন্য বর্ণনায় আছে, ‘আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহিলাদের সাদৃশ্য অবলম্বনকারী পুরুষদেরকে এবং পুরুষদের সাদৃশ্য অবলম্বনকারী মহিলাদেরকে অভিশাপ করেছেন।’


রিয়াদুস সলেহিন ১৬৪০

وعن علي قال‏:‏ نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تحلق المرأة رأسها‏.‏ ‏(‏‏(‏رواه النسائي‏)‏‏)‏‏.‏

তিনি বলেন, ‘আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই পুরুষকে অভিসম্পাত করেছেন, যে মহিলার পোশাক পরে এবং সেই মহিলাকে অভিসম্পাত করেছেন যে পুরুষের পোশাক পরিধান করে।’


রিয়াদুস সলেহিন ১৬৪১

وعن أسماء رضي الله عنها أن امرأة سألت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت‏:‏ يا رسول الله إن ابنتي أصابتها الحصبة، فتمرق شعرها، وإني زوجتها، أفأصلُ فيه‏؟‏ فقال‏:‏ ‏‏لعن الله الواصلة والموصولة‏"‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏ وفي رواية‏:‏ ‏"‏الواصلة، والمستوصلة‏"‏‏.‏"

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘দুই প্রকার জাহান্নামী লোক আমি (এখন পর্যন্ত) প্রত্যক্ষ করিনি (অর্থাৎ পরে তাদের আবির্ভাব ঘটবে) : (১) এমন এক সম্প্রদায় যাদের কাছে গরুর লেজের মত চাবুক থাকবে, যা দিয়ে তারা জনগণকে প্রহার করবে। (২) এমন এক শ্রেণীর মহিলা, যারা (এমন নগ্ন) পোশাক পরবে যে, (বাস্তবে) উলঙ্গ থাকবে, (পর পুরুষকে) নিজেদের প্রতি আকর্ষণ করবে ও নিজেরাও (পর পুরুষের প্রতি) আকৃষ্ট হবে। তাদের মাথা হবে উটের হেলে যাওয়া কুঁজের মত। এ ধরনের মহিলারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না এবং তার সুগন্ধও পাবে না। অথচ জান্নাতের সুগন্ধ এত এত দূরত্বের পথ থেকে পাওয়া যাবে।’’


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية