দাস-দাসী, পশু, নিজ স্ত্রী অথবা ছেলেমেয়েকে শরয়ী কারণ ছাড়া আদব দেওয়ার জন্য যতটুকু জরুরী তার থেকে বেশি শাস্তি দেওয়া নিষেধ - রিয়াদুস সলেহিন | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

রিয়াদুস সলেহিন > দাস-দাসী, পশু, নিজ স্ত্রী অথবা ছেলেমেয়েকে শরয়ী কারণ ছাড়া আদব দেওয়ার জন্য যতটুকু জরুরী তার থেকে বেশি শাস্তি দেওয়া নিষেধ

রিয়াদুস সলেহিন ১৬০৮

عن أبي هريرة رضي الله عنه قال‏:‏ بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في بعث فقال‏:‏ ‏‏إن وجدتم فلانًا وفلانًا‏"‏ لرجلين من قريش سماهما ‏"‏فأحرقوهما بالنار‏"‏ ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم حين أردنا الخروج‏:‏ ‏"‏إني كنت أمرتكم أن تحرقوا فلانًا وفلانًا، وإن النار لا يعذب بها إلا الله، فإن وجدتموهما فاقتلوهما‏"‏ ‏(‏‏(‏رواه البخاري‏)‏‏)‏‏.‏"

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘‘এক মহিলাকে একটি বিড়ালের জন্য শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সে তাকে বেঁধে রেখেছিল এবং অবশেষে সে মারা গিয়েছিল, পরিণতিতে মহিলা তারই কারণে জাহান্নামে প্রবেশ করল। সে যখন তাকে বেঁধে রেখেছিল, তখন তাকে আহার ও পানি দিত না এবং তাকে ছেড়েও দিত না যে, সে কীট-পতঙ্গ ধরে খাবে।’’


রিয়াদুস সলেহিন ১৬০৯

وعن ابن مسعود رضي الله عنه قال‏:‏ كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر، فانطلق لحاجته، فرأينا حمرة معها فرخان، فأخذنا فرخيها، فجاءت الحمرة فجعلت تعرش فجاء النبي صلى الله عليه وسلم فقال‏:‏ ‏‏من فجع هذه بولدها‏؟‏ ردوا ولدها إليها‏"‏ ورأى قرية نمل قد حرقناها، فقال‏:‏ ‏"‏من حرق هذه‏؟‏‏"‏ قلنا‏:‏ نحن‏.‏ قال‏:‏ ‏"‏إنه لا ينبغي أن يعذِّب بالنار إلا رب النار‏"‏‏.‏ قوله‏:‏ ‏ ‏قرية نمل‏ ‏ معناه‏:‏ موضع النمل مع النمل.‏"

তিনি একবার কুরাইশ বংশের কতিপয় নবযুবকের নিকট দিয়ে অতিক্রম করার সময় লক্ষ্য করলেন যে, তারা একটি পাখীকে বেঁধে (হাতের নিশানা ঠিক করার মানসে তার উপর নির্দয়-ভাবে) তীর মারছে। তারা পাখীর মালিকের সাথে এই চুক্তি করেছিল যে, প্রতিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট তীর তার হয়ে যাবে। সুতরাং যখন তারা ইবনে উমার (রাঃ) -কে দেখতে পেল, তখন ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে গেল। ইবনে উমার (রাঃ) বললেন, ‘এ কাজ কে করেছে? যে এ কাজ করেছে তার উপর আল্লাহর অভিশাপ। নিঃসন্দেহে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেই ব্যক্তির উপর অভিশাপ করেছেন, যে কোন এমন জিনিসকে (তার তীর-খেলার) লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে, যার মধ্যে প্রাণ আছে।’


রিয়াদুস সলেহিন ১৬১০

وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏‏مطل الغني ظلم وإذا أُتبع أحدكم على مليء فليتبع‏"‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏.‏ معنى ‏"‏أتبع‏"‏‏:‏ أحيل‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জীব-জন্তুদের বেঁধে রেখে (তীর বা বন্দুকের নিশানা ঠিক করার ইচ্ছায়) হত্যা করতে নিষেধ করেছেন।’


রিয়াদুস সলেহিন ১৬১১

عن ابن عباس رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏‏الذي يعود في هبته كالكلب يرجع في قيئه‏"‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏ ‏(‏‏(‏وفي رواية‏:‏ ‏"‏مثل الذي يرجع في صدقته، كمثل الكلب يقيء، ثم يعود في قيئه فيأكله‏"‏‏.‏ وفي رواية‏:‏ ‏"‏العائد في هبته كالعائد في قيئه‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, ‘আমি লক্ষ্য করেছি যে, মুক্বার্রিনের সাত ছেলের মধ্যে আমি সপ্তম ছিলাম। আমাদের একটি মাত্র দাসী ছিল। তাকে আমাদের ছোট ভাই চড় মেরেছিল। তখন রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে তাকে মুক্ত ক‘রে দিতে আদেশ করলেন।’


রিয়াদুস সলেহিন ১৬১২

وعن عمر بن الخطاب رضي الله عنه قال‏:‏ حملت على فرس في سبيل الله فأضاعه الذي كان عنده، فأردت أن أشتريه، وظننت أنه يبيعه برخص، فسألت النبي صلى الله عليه وسلم فقال‏:‏ ‏‏لا تشتره ولا تعد في صدقتك وإن أعطاكه بدرهم، فإن العائد في صدقته كالعائد في قيئه‏"‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏ قوله‏:‏ ‏"‏حملت على فرس في سبيل الله‏"‏ معناه‏:‏ تصدقت به على بعض المجاهدين‏.‏"

তিনি বলেন, আমি একদা আমার একটি গোলামকে চাবুক মারছিলাম। ইত্যবসরে পিছন থেকে এই শব্দ শুনতে পেলাম ‘জেনে রেখো, হে আবূ মাসঊদ!’ কিন্তু ক্রোধান্বিত অবস্থায় শব্দটা বুঝতে পারলাম না। যখন সেই (শব্দকারী) আমার নিকটবর্তী হল, তখন সহসা দেখলাম যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) । তিনি বলছিলেন, ‘জেনে রেখো আবূ মাসঊদ! ওর উপর তোমার যতটা ক্ষমতা আছে, তোমার উপর আল্লাহ তা‘আলা আরও বেশি ক্ষমতাবান।’ তখন আমি বললাম, ‘এরপর থেকে আমি আর কখনো কোন গোলামকে মারধর করব না।’ এক বর্ণনায় আছে, তাঁর ভয়ে আমার হাত থেকে চাবুকটি পড়ে গেল। আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে ওকে স্বাধীন ক‘রে দিলাম।’ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘‘শোন! তুমি যদি তা না করতে, তাহলে জাহান্নামের আগুন তোমাকে অবশ্যই দগ্ধ অথবা স্পর্শ করত।’’


রিয়াদুস সলেহিন ১৬১৩

وعن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏‏اجتنبوا السبع الموبقات‏"‏ قالوا‏:‏ يا رسول الله وما هن‏؟‏ قال‏:‏ ‏"‏الشرك بالله، والسحر وقتل النفس التي حرم الله إلا بالحق، وأكل الربا، وأكل مال اليتيم، والتولي يوم الزحف، وقذف المحصنات المؤمنات الغافلات‏"‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏.‏ ‏"‏الموبقات‏"‏ المهلكات‏)‏‏)‏‏.‏"

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি নিজ গোলামকে এমন অপরাধের সাজা দেয়, যা সে করেনি অথবা তাকে চড় মারে, তাহলে তার প্রায়শ্চিত্ত হল, সে তাকে মুক্ত ক‘রে দেবে।’’


রিয়াদুস সলেহিন ১৬১৪

وعن ابن مسعود رضي الله عنه قال‏:‏ ‏ ‏ لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم آكل الربا وموكله‏" ‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏‏ ‏زاد الترمذي وغيره‏:‏ ‏ ‏ وشاهديه، وكاتبه

সিরিয়ায় এমন কিছু চাষী লোকের নিকট দিয়ে তাঁর যাত্রা হচ্ছিল, যাদেরকে রোদে দাঁড় করিয়ে তাদের মাথার উপর তেল ঢেলে দেওয়া হচ্ছিল। তিনি প্রশ্ন করলেন, ‘ব্যাপার কী?’ বলা হল, ‘ওদেরকে জমির কর (আদায় না দেওয়ার) জন্য সাজা দেওয়া হচ্ছে।’ অন্য বর্ণনায় আছে যে, ‘রাজস্ব (আদায় না করার) কারণে ওদেরকে বন্দী করা হয়েছে।’ হিশাম বললেন, ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, ‘‘আল্লাহ তা‘আলা সেসব লোকদেরকে কষ্ট দেবেন, যারা লোকদেরকে কষ্ট দেয়।’’ অতঃপর হিশাম আমীরের নিকট গিয়ে এ হাদীসটি শোনালেন। তিনি তাদের সম্পর্কে নির্দেশ জারি করলেন এবং তাদেরকে মুক্ত ক‘রে দিলেন।


রিয়াদুস সলেহিন ১৬১৫

وعن أبي هريرة رضي الله عنه قال‏:‏ سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول‏:‏ ‏ ‏ قال الله تعالى‏:‏ أنا أغنى الشركاء عن الشرك، من عمل عملا أشرك فيه معي غيري، تركته وشركه‏" ‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏‏

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এমন একটি গাধা দেখতে পেলেন, যার চেহারা দাগা হয়েছিল। তা দেখে তিনি অত্যধিক অসন্তোষ প্রকাশ করলেন। অতঃপর বললেন, ‘‘আল্লাহর কসম! আমি ওর চেহারা থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী অঙ্গে দাগব। (আগুনের ছ্যাঁকা দিয়ে চিহ্ন দেব।)’’ অতঃপর তিনি নিজ গাধা সম্পর্কে নির্দেশ করলেন এবং তার পাছায় দাগা হল। সুতরাং তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি (গাধার) পাছা দেগেছিলেন।


রিয়াদুস সলেহিন ১৬১৬

وعنه قال‏:‏ سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول‏:‏ ‏ ‏ إن أول الناس يقضى يوم القيامة عليه رجل اسُتشهد، فأتي به، فعرفه نعمته، فعرفها، قال‏:‏ فما عملت فيها‏؟‏ قال‏:‏ قاتلت فيك حتى اسُتشهدت، قال‏:‏ كذبت، ولكنك قاتلت لأن يقال‏:‏ جريء، فقد قيل، ثم أمر به، فسحب على وجهه حتى ألقي في النار‏.‏ ورجل تعلم العلم وعلمه، وقرأ القرآن، فأتي به، فعرفه نعمه فعرفها‏.‏ قال فما عملت فيها‏؟‏ قال تعلمت العلم وعلمته وقرأت فيك القرآن‏.‏ قال كذبت، ولكنك تعلمت ليقال‏:‏ عالم‏.‏ وقرأت القرآن ليقال‏:‏ هو قارئ، فقد قيل‏:‏ ثم أُمر به، فسُحب على وجهه حتى ألقي في النار، ورجل وسع الله عليه، وأعطاه من أصناف المال، فأتي به فعرفه نعمه، فعرفها‏.‏ قال‏:‏ فما عملت فيها ‏؟‏ قال‏:‏ ما تركت من سبيل تحب أن ينفق فيها إلا أنفقت فيها لك، قال‏:‏ كذبت، ولكنك فعلت ليقال‏:‏ جواد، فقد قيل، ثم أُمر به فسُحب على وجهه ثم ألقي في النار‏" ‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏‏ ‏جَريء‏ ‏ بفتح الجيم وكسر الراء وبالمد، أي‏:‏ شجاع حاذق

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট দিয়ে একটি গাধা অতিক্রম করল, যার চেহারা দাগা হয়েছিল। তখন তিনি বললেন, ‘‘যে এর চেহারা দেগেছে, তার প্রতি আল্লাহর অভিসম্পাত হোক।’’


রিয়াদুস সলেহিন > যে কোন প্রাণী এমনকি পিঁপড়েকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে শাস্তি দেওয়া নিষেধ

রিয়াদুস সলেহিন ১৬১৭

وعن ابن عمر رضي الله عنهما أن ناسًا قالوا له‏:‏ إنا ندخل على سلاطيننا فنقول لهم بخلاف ما نتكلم إذا خرجنا من عندهم‏؟‏ قال ابن عمر رضي الله عنهما‏:‏ كنا نعد هذا نفاقًا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏(‏‏(‏رواه البخاري‏)‏‏)‏‏.‏

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার আমাদেরকে একটি অভিযানে পাঠালেন এবং কুরাইশ বংশীয় দুই ব্যক্তির নাম নিয়ে আদেশ দিলেন যে, ‘তোমরা যদি অমুক ও অমুককে পাও, তাহলে তাদেরকে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিও।’ অতঃপর যখন যাত্রা শুরু করলাম, তখন তিনি বললেন, ‘‘আমি তোমাদেরকে অমুক অমুক লোককে আগুন দিয়ে জ্বালাতে বলেছিলাম। কিন্তু আগুন দিয়ে জ্বালানোর শাস্তি কেবল আল্লাহই দেন। বিধায় তোমরা যদি তাদেরকে পাও, তাহলে তাদেরকে হত্যা ক‘রে দিও।’’


রিয়াদুস সলেহিন ১৬১৮

وعن جُندب بن عبد الله بن سفيان رضي الله عنه قال‏:‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏‏من سمَّع سمَّع الله به، ومن يرائي الله يرائي به‏"‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم أيضًا من رواية ابن عباس رضي الله عنه‏)‏‏)‏‏.‏ ‏"‏سمَّع‏"‏ بتشديد الميم، ومعناه‏:‏ أظهر عمله للناس رياء ‏"‏ سمَّع الله به‏"‏ أي فضحه يوم القيامة، ومعنى‏:‏ ‏"‏ من راءى‏"‏ أي‏:‏ من أظهر للناس العمل الصالح ليعظم عندهم ‏"‏راءى الله به‏"‏ أي‏:‏ أظهر سريرته على رءوس الخلائق‏.‏"

তিনি বলেন, এক সফরে আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি পেশাব-পায়খানা করতে চলে গেলেন। অতঃপর আমরা একটি লাল রঙের (হুম্মারাহ) পাখী দেখলাম। পাখীটির সাথে তার দুটো বাচ্চা আছে। আমরা তার বাচ্চাগুলোকে ধরে নিলাম। পাখীটি এসে (আমাদের) আশে-পাশে ঘুরতে লাগল। এমতাবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফিরে এলেন এবং বললেন, ‘‘এই পাখীটিকে ওর বাচ্চাদের জন্য কে কষ্টে ফেলেছে? ওকে ওর বাচ্চা ফিরিয়ে দাও।’’ তারপর তিনি পিঁপড়ের একটি গর্ত দেখতে পেলেন, যেটাকে আমরা জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম। তা দেখে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘‘এ গর্তটি কে জ্বালাল?’’ আমরা জবাব দিলাম যে, ‘আমরা (জ্বালিয়েছি)।’ তিনি বললেন, ‘‘আগুনের মালিক (আল্লাহ) ছাড়া আগুন দিয়ে শাস্তি দেওয়া আর কারো জন্য সঙ্গত নয়।’’


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية