মাহে রমযানে অধিকাধিক সৎকর্ম ও দান খয়রাত করা তথা এর শেষ দশকে আরো বেশী সৎকর্ম করা প্রসঙ্গে - রিয়াদুস সলেহিন | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

রিয়াদুস সলেহিন > মাহে রমযানে অধিকাধিক সৎকর্ম ও দান খয়রাত করা তথা এর শেষ দশকে আরো বেশী সৎকর্ম করা প্রসঙ্গে

রিয়াদুস সলেহিন ১২৩০

وعن ابن عمر رضي الله عنهما قال‏:‏ كان لرسول الله صلى الله عليه وسلم مؤذنان‏:‏ بلال وابن أم مكتوم‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ ‏ إن بلالا يؤذن بليل فكلوا واشربوا حتى يؤذن ابن أم مكتوم‏" ‏ قال ولم يكن بينهما إلا أن ينزل هذا ويرقى هذا، ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏

তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সমস্ত লোকের চেয়ে অধিক দানশীল ছিলেন। আর মাহে রমযানে যখন জিব্রাঈল তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন, তখন তিনি আরো বেশী বদান্যতা প্রদর্শন করতেন। জিব্রাঈল মাহে রমযানের প্রত্যেক রজনীতে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন এবং তাঁর কাছে কুরআন পুনরাবৃত্তি করতেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিব্রাঈলের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে অবশ্যই কল্যাণবহ মুক্ত বায়ু অপেক্ষা অধিক দানশীল ছিলেন।’


রিয়াদুস সলেহিন ১২৩১

وعن عمرو بن العاص رضي الله عنه أن رسول الله قال‏:‏ ‏‏فصل ما بين صيامنا وصيام أهل الكتاب أكلة السحر‏.‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, ‘(রমযানের) শেষ দশক প্রবেশ করলে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বয়ং রাতে জাগতেন এবং পরিবার-পরিজনদেরকেও জাগাতেন। আর (ইবাদতের জন্য) কোমর বেঁধে নিতেন।’


রিয়াদুস সলেহিন > অর্ধ শা’বানের পর রমযানের এক-দু’দিন আগে থেকে রোযা রাখা নিষেধ। তবে সেই ব্যক্তির জন্য অনুমতি রয়েছে যার রোযা পূর্বের রোযার সাথে মিলিত হয়ে অথবা সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোযা রাখতে অভ্যস্ত হয়ে ঐ দিনে পড়ে

রিয়াদুস সলেহিন ১২৩২

عن سهل بن سعد رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏ ‏لا يزال الناس بخير ما عجلوا الفطر‏" ‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের কেউ যেন রমযান মাসের এক বা দু’দিন আগে (শা’বানের শেষে) রোযা পালন শুরু না করে। অবশ্য সেই ব্যক্তি রোযা রাখতে পারে, যে ঐ দিনে রোযা রাখতে অভ্যস্ত।”


রিয়াদুস সলেহিন ১২৩৩

وعن أبي عطية قال‏:‏ دخلت أنا ومسروق على عائشة رضي الله عنها فقال لها مسروق‏:‏ رجلان من أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم كلاهما لا يألو عن الخير‏:‏ أحدهما يعجل المغرب والإفطار، والآخر يؤخر المغرب والإفطار‏؟‏ فقالت‏:‏ من يعجل المغرب والإفطار‏؟‏ قال‏:‏ عبد الله - يعني ابن مسعود- فقالت‏:‏ هكذا كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصنع‏‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা রমযানের পূর্বে রোযা রেখো না। তোমরা চাঁদ দেখে রোযা রাখ এবং চাঁদ দেখে রোযা ছাড়। আর যদি তার সামনে কোন মেঘ আড়াল করে, তবে (মাসের) ত্রিশ দিন পূর্ণ কর।”


রিয়াদুস সলেহিন ১২৩৪

وعن أبي هريرة رضي الله عنه قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الله عز وجل‏:‏ ‏ ‏أحب عبادي إلي أعجلهم فطرًا‏" ‏ ‏(‏‏(‏رواه الترمذي وقال حديث حسن‏)‏‏)‏‏‏

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যখন শা’বান মাসের অর্ধেক বাকী থাকবে, তখন তোমরা রোযা রাখবে না।”


রিয়াদুস সলেহিন ১২৩৫

وعن عمر بن الخطاب، رضي الله عنه قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم‏:‏ ‏ ‏إذا أقبل الليل من ههنا وأدبر النهار من ههنا، وغربت الشمس، فقد أفطر الصائم‏" ‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏

তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি সন্দেহের দিনে রোযা রাখল, সে অবশ্যই আবুল কাসেম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নাফরমানী করল।’


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية