জুমুআর সুন্নত - রিয়াদুস সলেহিন | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

রিয়াদুস সলেহিন > জুমুআর সুন্নত

রিয়াদুস সলেহিন ১১৩৩

وعن ابن عمر رضي الله عنهما، عن النبي صلى الله عليه وسلم‏:‏ ‏ ‏ اجعلوا آخر صلاتكم بالليل وترًا‏" ‏‏‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏

আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যখন কোন ব্যক্তি জুমাআর নামায আদায় করবে, তখন সে যেন তারপর চার রাকআত (সুন্নত) পড়ে ।”


রিয়াদুস সলেহিন ১১৩৪

وعن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏ ‏أوتروا قبل أن تصبحوا‏" ‏‏‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏‏

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমাআর পর (মসজিদ থেকে) ফিরে না আসা পর্যন্ত কোন সুন্নত নামায পড়তেন না । সুতরাং নিজ বাড়িতে (এসে) দু’ রাকআত নামায পড়তেন । (মুসলিম)


রিয়াদুস সলেহিন > নফল (ও সুন্নত নামায) ঘরে পড়া উত্তম । তা সুন্নতে মুআক্কাদাহ হোক কিংবা অন্য কিছু । সুন্নত বা নফলের জন্য, যে স্থানে ফরয নামায পড়া হয়েছে সে স্থান পরিবর্তন করা বা ফরয ও তার মধ্যে কোনো কথা দ্বারা ব্যবধান সৃষ্টি করার নির্দেশ

রিয়াদুস সলেহিন ১১৩৫

وعن عائشة رضي الله عنها أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يصلي بالليل، وهي معترضة بين يديه، فإذا بقي الوتر، أيقظها فأوترت‏.‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏ وفي رواية له‏:‏ فإذا بقي الوتر قال‏:‏ ‏ ‏قومي فأوتري يا عائشة‏"

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “হে লোক সকল ! তোমরা নিজ নিজ বাড়িতে নামায পড় । কারণ, ফরয নামায ব্যতীত পুরুষের উত্তম নামায হল, যা সে নিজ বাড়িতে পড়ে থাকে ।”


রিয়াদুস সলেহিন ১১৩৬

وعن ابن عمر رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏ ‏بادروا الصبح بالوتر‏" ‏ ‏(‏‏(‏رواه أبو داود والترمذي‏)‏‏)‏‏‏ وقال‏:‏ حديث حسن صحيح‏‏

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা নিজেদের কিছু নামায তোমাদের বাড়িতে পড় এবং সে (ঘর-বাড়ি)গুলিকে কবরে পরিণত করো না ।”


রিয়াদুস সলেহিন ১১৩৭

وعن جابر رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ ‏من خاف أن لا يقوم الليل فليوتر أوله، ومن طمع أن يقوم آخره، فليوتر آخر الليل، فإن صلاة آخر الليل مشهودة، وذلك أفضل‏" ‏‏‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏‏

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি স্বীয় (ফরয) নামায মসজিদে আদায় ক’রে নেবে, সে যেন তার কিছু নামায নিজ বাড়ির জন্যও নির্ধারিত করে । কেননা, তার নিজ ঘরে আদায়কৃত (সুন্নত) নামাযে আল্লাহ তার জন্য কল্যাণ ও বরকত প্রদান করেন ।”


রিয়াদুস সলেহিন ১১৩৮

عن أبي هريرة رضي الله عنه قال‏:‏ أوصاني خليلي صلى الله عليه وسلم بصيام ثلاثة أيام من كل شهر، وركعتي الضحى، وأن أوتر قبل أن أرقد‏‏ ‏.‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏ والإيتار قبل النوم إنما يستحب لمن لا يثق باستيقاظ آخر الليل، فإن وثق فآخر الليل أفضل‏.‏"

নাফে‘ ইবনে জুবাইর তাঁকে নামেরের ভাগ্নে সায়েবের নিকট এমন একটি বিষয়ে প্রশ্ন করার উদ্দেশ্যে পাঠালেন, যা মুয়াবিয়া (রাঃ) তাঁকে নামাযের ব্যাপারে করতে দেখেছিলেন । তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, আমি তাঁর (মুয়াবিয়া)র সাথে মাকসূরায় (মসজিদের মধ্যে বাদশাদের জন্য তৈরি বিশেষ নিরাপদ স্থান) জুমআর নামায পড়েছি । সুতরাং যখন ইমাম সালাম ফিরালেন, তখন আমি যেখানে ফরয নামায পড়ছিলাম, সেখানেই উঠে দাঁড়িয়ে গেলাম এবং (সুন্নত) নামায পড়লাম । তারপর যখন মুয়াবিয়া (রাঃ) বাড়ি প্রবেশ করলেন, তখন আমাকে ডেকে পাঠালেন এবং বললেন, “তুমি যা করলে তা আগামীতে আর কখনো করো না । যখন তুমি জুমআর (ফরয) নামায পড়বে, তখন তার সাথে মিলিয়ে অন্য নামায পড়ো না; যতক্ষণ না তুমি কারো সাথে কথা বল অথবা সেখান থেকে অন্যত্র সরে যাও । কেননা, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই আদেশ আমাদেরকে করেছেন যে, আমরা যেন এক নামাযকে অন্য নামাযের সাথে না মিলাই, যতক্ষণ না কোনো লোকের সাথে কথা বলে নেই, কিংবা সেখান হতে অন্যত্র সরে যাই ।”


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية