প্রথম কাতারের ফযীলত, প্রথম কাতারসমূহ পূরণ করা, কাতার সোজা করা এবং ঘন হয়ে কাতার বাঁধার গুরুত্ব - রিয়াদুস সলেহিন | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

রিয়াদুস সলেহিন > প্রথম কাতারের ফযীলত, প্রথম কাতারসমূহ পূরণ করা, কাতার সোজা করা এবং ঘন হয়ে কাতার বাঁধার গুরুত্ব

রিয়াদুস সলেহিন ১০৮৯

وعن البراء بن عازب رضي الله عنهما، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتخلل من ناحية إلى ناحية، يمسح صدورنا ومناكبنا ويقول،‏:‏ ‏‏لا تختلفوا فتختلف قلوبكم‏"‏ وكان يقول‏:‏ ‏"‏إن الله وملائكته يصلون على الصفوف الأُول‏"‏ ‏(‏‏(‏رواه أبو داود بإسناد حسن‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট এসে বললেন, “ফিরিশ্‌তামন্ডলী যেরূপ তাদের প্রভুর নিকট সারিবদ্ধ হন, তোমরা কি সেরূপ সারিবদ্ধ হবে না ।” আমরা নিবেদন করলাম, ‘হে আল্লাহর রসূল ! ফিরিশ্‌তামন্ডলী তাদের প্রভুর নিকট কিরূপ সারিবদ্ধ হন ?’ তিনি বললেন, “প্রথম সারিগুলো পূর্ণ করেন এবং সারিতে ঘন হয়ে দাঁড়ান ।” (মুসলিম)


রিয়াদুস সলেহিন ১০৯০

وعن ابن عمر رضي الله عنهما، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏ ‏أقيموا الصفوف، وحاذوا المناكب، وسدوا الخلل، ولينوا بأيدي إخوانكم، ولا تذروا فرجات للشيطان، ومن وصل صفًا وصله الله، ومن قطع صفًا قطعه الله‏" ‏‏‏ ‏(‏‏(‏رواه أبو داود بإسناد صحيح‏)‏‏)‏‏‏

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “লোকেরা যদি জানত যে, আযান দেওয়া ও নামাযের প্রথম সারিতে দাঁড়াবার কি মাহাত্ম্য আছে, অতঃপর (তাতে অংশগ্রহণের জন্য) যদি লটারি ছাড়া অন্য কোন উপায় না পেত, তবে তারা অবশ্যই সে ক্ষেত্রে লটারির সাহায্য নিত।”


রিয়াদুস সলেহিন ১০৯১

وعن أنس، رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏ ‏رصوا صفوفكم، وقاربوا بينها وحاذوا الأعناق فوالذي نفسي بيده إني لأرى الشيطان يدخل من خلل الصف، كأنها الحذف‏" ‏ ‏(‏‏(‏حديث صحيح رواه أبو داود بإسناد على شرط مسلم‏)‏‏)‏‏‏

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “পুরুষদের কাতারের মধ্যে সর্বোত্তম কাতার হল প্রথম কাতার, আর নিকৃষ্টতম কাতার হল শেষ কাতার । আর মহিলাদের সর্বোত্তম কাতার হল পিছনের (শেষ) কাতার এবং নিকৃষ্টতম কাতার হল প্রথম কাতার ।”


রিয়াদুস সলেহিন ১০৯২

وعنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏ ‏أتموا الصف المقدم، ثم الذي يليه، فما كان من نقص فليكن في الصف المؤخر‏" ‏‏‏ ‏(‏‏(‏رواه أبو داود بإسناد حسن‏)‏‏)‏‏‏

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্বীয় সাহাবীদের মাঝে (প্রথম কাতার থেকে) পিছিয়ে যাওয়া লক্ষ্য করে তাঁদেরকে বললেন, “এগিয়ে এসো, অতঃপর আমার অনুসরণ কর । আর যারা তোমাদের পরে আছে, তারা তোমাদের অনুসরণ করুক । (মনে রাখবে) লোকে সর্বদা পিছিয়ে যেতে থাকে, শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তাদেরকে (তাঁর করুণাদানে) পিছনে করে দেন ।”


রিয়াদুস সলেহিন ১০৯৩

وعن عائشة رضي الله عنها، قالت‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم‏:‏ ‏ ‏إن الله وملائكته يصلون على ميامن الصفوف‏" ‏ ‏(‏‏(‏رواه أبو داود بإسناد على شرط مسلم، وفيه رجل مختلف في توثيقه‏‏ ‏)‏‏)‏‏‏

তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাযে (কাতার বাঁধার সময়) আমাদের কাঁধে হাত বুলিয়ে বলতেন, “তোমরা সোজা হয়ে দাঁড়াও, তোমরা (কাতার বাঁধার সময়ে) পরস্পরের বিরোধিতা করো না; নচেৎ তোমাদের অন্তরের মধ্যে বিরোধিতা সৃষ্টি হবে । তোমাদের মধ্যে যারা বুদ্ধিমান ও জ্ঞানী তারা যেন আমার নিকটবর্তী থাকে । তারপর যারা (জ্ঞান ও যোগ্যতায়) তাদের কাছাকাছি হবে (তারা দাঁড়াবে) । তারপর যারা (জ্ঞান ও যোগ্যতায়) তাদের কাছাকাছি হবে (তারা দাঁড়াবে) ।”


রিয়াদুস সলেহিন ১০৯৪

وعن البراء، رضي الله عنه قال‏:‏ ‏‏كنا إذا صلينا خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم ، أحببنا أن نكون عن يمينه، يقبل علينا بوجهه، فسمعته يقول‏:‏ ‏"‏رب قني عذابك يوم تبعث - أو تجمع- عبادك‏"‏‏.‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (নামাযে দাঁড়িয়ে) বললেন, “তোমরা কাতার সোজা কর । কেননা, কাতার সোজা করা নামাযের পরিপূর্ণতার অংশ বিশেষ ।” (বুখারী ও মুসলিম)


রিয়াদুস সলেহিন ১০৯৫

وعن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم‏:‏ ‏ ‏وسطوا الإمام، وسدوا الخلل‏" ‏ ‏(‏‏(‏رواه أبو داود‏)‏‏)‏‏‏

তিনি বলেন, একদা নামাযের তাকবীর (ইকামত) দেওয়া হল, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের দিকে মুখ ক’রে বললেন, “তোমরা কাতারসমূহ সোজা কর এবং মিলিতভাবে দাঁড়াও । কারণ, তোমাদেরকে আমার পিছন থেকেও দেখতে পাই ।” (এই শব্দে বুখারী এবং একই অর্থে মুসলিম বর্ণনা করেছেন ।


রিয়াদুস সলেহিন ১০৯৬

عن أم المؤمنين أم حبيبة رملة بنت أبي سفيان، رضي الله عنهما، قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول‏:‏ ما من عبد مسلم يصلي لله تعالى كل يوم ثنتي عشرة ركعة تطوعًا غير الفريضة، إلا بنى الله له بيتًا في الجنة أو‏:‏ إلا بني له بيت في الجنة‏‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, “তোমরা নিজেদের কাতার জরুর সোজা ক’রে নাও; নচেৎ আল্লাহ তোমাদের মুখমণ্ডলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি ক’রে দিবেন ।”


রিয়াদুস সলেহিন ১০৯৭

وعن ابن عمر رضي الله عنهما، قال‏:‏ صليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، ركعتين قبل الظهر وركعتين بعدها، وركعتين بعد الجمعة، وركعتين بعد المغرب، وركعتين بعد العشاء‏‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নামাযে কাতারের ভিতরে ঢুকে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত চলা ফেরা করতেন এবং আমাদের বুকে ও কাঁধে হাত দিতেন (অর্থাৎ হাত দিয়ে কাতার ঠিক করতেন) আর বলতেন, “তোমরা বিভেদ করো না (অর্থাৎ কাতার থেকে আগে পিছে হটো না ।) নচেৎ তোমাদের অন্তর রাজ্যেও বিভেদ সৃষ্টি হবে ।” তিনি আরও বলতেন, “নিঃসন্দেহে আল্লাহ প্রথম কাতারগুলির উপর রহমত বর্ষণ করেন এবং তাঁর ফিরিশ্‌তাবর্গ তাদের জন্য রহমত প্রার্থনা করেন ।”


রিয়াদুস সলেহিন ১০৯৮

وعن عبد الله بن مغفل، رضي الله عنه، قال‏:‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم‏:‏ ‏‏بين كل أذانين صلاة، بين كل أذانين صلاة، بين كل أذانين صلاة‏"‏ وقال في الثالثة‏:‏ ‏"‏لمن شاء‏"‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏"

আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা কাতারগুলি সোজা ক’রে নাও । পরস্পর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নাও । (কাতারের) ফাঁক বন্ধ ক’রে নাও । তোমাদের ভাইদের জন্য হাতের বাজু নরম ক’রে দাও । আর শয়তানের জন্য ফাঁক ছেড়ো না । (মনে রাখবে,) যে ব্যক্তি কাতার মিলাবে, আল্লাহ তার সাথে মিল রাখবেন, আর যে ব্যক্তি কাতার ছিন্ন করবে (মানে কাতারে ফাঁক রাখবে), আল্লাহও তার সাথে (সম্পর্ক) ছিন্ন করবেন ।”


রিয়াদুস সলেহিন ১০৯৯

عن عائشة رضي الله عنها، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان لا يدع أربعًا قبل الظهر، وركعتين قبل الغداة ‏(‏‏(‏رواه البخاري‏)‏‏)‏‏.‏

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “ঘন ক’রে কাতার বাঁধ এবং কাতারগুলিকে পরস্পরের কাছাকাছি রাখ । ঘাড়সমূহ একে অপরের বরাবর কর । সেই মহান সত্তার শপথ ! যার হাতে আমার প্রাণ আছে, কাতারের মধ্যেকার ফাঁকে শয়তানকে আমি প্রবেশ করতে দেখতে পাই, যেন তা কালো ছাগলের ছানা ।” (এ হাদীসটি বিশুদ্ধ, আবূ দাঊদ মুসলিমের শর্তানুযায়ী বর্ণনা করেছেন)


রিয়াদুস সলেহিন ১১০০

وعنها قالت‏:‏ لم يكن النبي، صلى الله عليه وسلم على شيء من النوافل أشد تعاهدًا منه على ركعتي الفجر‏‏‏.‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏"

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) (নামায প্রাক্কালে) বলেন, “তোমরা আগের কাতারটি পূর্ণ ক’রে নাও । তারপর ওর সংলগ্ন (কাতার পূর্ণ কর) । তারপর যে অসম্পূর্ণতা থাকে, তা শেষ কাতারে থাকুক ।” (আবূ দাঊদ, হাসান সূত্রে)


রিয়াদুস সলেহিন ১১০১

وعنها عن النبي صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏ ‏ركعتا الفجر خير من الدنيا وما فيها‏" ‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏‏ وفي رواية لهما لأحب إلي من الدنيا جميعًا‏‏

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ অবশ্যই কাতারগুলোর ডানদিকের উপর রহমত বর্ষণ করেন এবং আল্লাহর ফেরেশতারা তাদের জন্য দুআ করতে থাকেন । (আবূ দাঊদ)


রিয়াদুস সলেহিন ১১০২

وعن أبي عبد الله بلال بن رباح، رضي الله عنه مؤذن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم ليؤذنه بصلاة الغداة، فشغلت عائشة بلالا بأمر سألته عنه، حتى أصبح جدا فقام بلال فآذنه بالصلاة، وتابع أذانه، فلم يخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما خرج صلى بالناس، فأخبره أن عائشة شغلته بأمر سألته عنه حتى أصبح جدا، وأنه أبطأ عليه بالخروج، فقال -يعني النبي صلى الله عليه وسلم -‏:‏ ‏‏إني كنت ركعت ركعتي الفجر‏"‏ فقال‏:‏ يا رسول الله إنك أصبحت جدا‏؟‏ فقال‏:‏ ‏"‏لو أصبحت أكثر مما أصبحت، لركعتهما وأحسنتهما، وأجملتهما‏"‏‏.‏ ‏(‏‏(‏رواه أبو داود بإسناد حسن‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পিছনে যখন নামায পড়তাম তখন তাঁর ডান দিকে (দাঁড়ানো) পছন্দ করতাম । যাতে তিনি স্বীয় মুখমণ্ডল আমাদের দিকে ফিরান । বস্তুত: আমি (একদিন) তাঁকে বলতে শুনেছি, ‘রাব্বি ক্বিনী আযা-বাকা ইয়াওমা তাবআসু (অথবা তাজমাউ) ইবা-দাক ।’ হে আমার প্রভু ! তুমি আমাকে তোমার সেই দিনের আযাব থেকে বাঁচিয়ো, যেদিন তুমি স্বীয় বান্দাদেরকে কবর থেকে উঠাবে কিংবা হিসাবের জন্য জমা করবে ।


রিয়াদুস সলেহিন ১১০৩

عن عائشة رضي الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، كان يصلي ركعتين خفيفتين بين النداء والإقامة من صلاة الصبح‏‏‏.‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏ وفي رواية لهما‏:‏ يصلي ركعتي الفجر، إذا سمع الأذان فيخففهما حتى أقول هل قرأ فيهمابأم القرآن‏!‏‏.‏ وفي رواية لمسلم‏:‏ كان يصلى ركعتيي الفجر إذا سمع الأذان ويخففهما‏.‏ وفي رواية‏:‏ إذا طلع الفجر‏.‏"

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “তোমরা ইমামকে কাতারের ঠিক মাঝখানে কর । আর কাতারের ফাঁক বন্ধ করো ।”


রিয়াদুস সলেহিন > ফরয নামাযের সাথে সুন্নাতে ‘মুআক্কাদাহ’ পড়ার ফযীলত। আর সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ ও তার মাঝামাঝি রাকআত-সংখ্যার বিবরণ

রিয়াদুস সলেহিন ১১০৪

وعن حفصة رضي الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا أذن المؤذن للصبح، وبدا الصبح صلى ركعتين خفيفتين‏.‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏ وفي رواية لمسلم‏:‏ كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا طلع الفجر لا يصلى إلا ركعتين خفيفتين‏.‏

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, “যে কোনো মুসলিম ব্যক্তি আল্লাহর (সন্তুষ্টি অর্জনের) জন্য প্রত্যহ ফরয নামায ছাড়া বারো রাকআত সুন্নত নামায পড়ে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের মধ্যে একটি গৃহ নির্মাণ করেন অথবা তার জন্য জান্নাতে একটি গৃহ নির্মাণ করা হয় ।”


রিয়াদুস সলেহিন ১১০৫

وعن ابن عمر رضي الله عنهما قال‏:‏ كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي من الليل مثنى مثنى، ويوتر بركعة من آخر الليل، ويصلي الركعتين قبل صلاة الغداة، وكأن الأذان بأذنيه‏‏‏.‏ ‏(‏‏(‏متفق عليه‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে আমি দু’ রাকআত যোহরের (ফরযের) আগে, দু’ রাকআত তার পরে এবং দু’ রাকআত জুমআর পরে, দু’ রাকআত মাগরেব বাদ, আর দু’ রাকআত নামায এশার (ফরযের) পরে পড়েছি ।’


রিয়াদুস সলেহিন ১১০৬

وعن ابن عباس رضي الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، كان يقرأ في ركعتي الفجر في الأولى منهما‏:‏ ‏{‏قولوا آمنا بالله وما أنزل إلينا‏}‏ الآية التي في البقرة، وفي الآخرة منهما‏:‏ ‏{‏آمنا بالله واشهد بأنا مسلمون‏}.‏ وفي رواية‏:‏ في الآخرة التي في آل عمران‏:‏ ‏{‏تعالوا إلى كلمة سواء بيننا وبينكم‏}‏‏.‏ ‏(‏‏(‏رواهما مسلم‏)‏‏)‏‏.‏

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “প্রত্যেক দুই আযানের মাঝখানে নামায আছে । প্রত্যেক দুই আযানের মাঝখানে নামায আছে । প্রত্যেক দুই আযানের মাঝখানে নামায আছে ।” তৃতীয়বারে বললেন, “যে চায় তার জন্য ।”


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية