কুরআন মাজীদ সযত্নে নিয়মিত পড়া ও তা ভুলে যাওয়া থেকে সতর্ক থাকার নির্দেশ - রিয়াদুস সলেহিন | হাদীস | কুরআন ও সুন্নাহ

রিয়াদুস সলেহিন > কুরআন মাজীদ সযত্নে নিয়মিত পড়া ও তা ভুলে যাওয়া থেকে সতর্ক থাকার নির্দেশ

রিয়াদুস সলেহিন ১০০৯

وعن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في‏:‏‏{‏ قل هو الله أحد‏}‏‏:‏‏‏ والذي نفسي بيده، إنها لتعدل ثلث القرآن‏"‏‏.‏ وفي رواية‏:‏ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لأصحابه‏:‏‏"‏ أيعجز أحدكم أن يقرأ بثلث القرآن في ليلة‏"‏ فشق ذلك عليهم، وقالوا‏:‏ أينا يطيق ذلك يارسول الله‏:‏ فقال ‏:‏‏"‏ ‏{‏قل هو الله أحد‏}‏ ثلث القرآن‏.‏‏"‏‏.‏ ‏(‏‏(‏ رواه البخاري‏)‏‏)‏‏.‏"

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “এই কুরআনের প্রতি যত্ন নাও (অর্থাৎ, নিয়মিত পড়তে থাক ও তার চর্চা রাখ ।) সেই মহান সত্তার কসম, যাঁর হাতে মুহাম্মদের জীবন আছে, উট যেমন তার রশি থেকে অতর্কিতে বের হয়ে যায়, তার চেয়ে অধিক অতর্কিতে কুরআন (স্মৃতি থেকে) বের হয়ে (বিস্মৃত হয়ে) যায় ।” (অর্থাৎ অতিশীঘ্র ভুলে যাবার সম্ভাবনা থাকে ।)


রিয়াদুস সলেহিন ১০১০

وعنه أن رجل سمع رجلاً يقرأ‏:‏‏{‏قل هو الله احد‏}‏ يرددها فلما أصبح جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فذكر ذلك له وكان الرجل يتقالها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏‏ ‏ والذي نفسي بيده، إنها لتعدل ثلث القرآن‏" ‏‏‏ ‏(‏‏(‏رواه البخاري ‏)‏‏)‏‏‏

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “কুরআন-ওয়ালা হল বাঁধা উট-ওয়ালার মত । সে যদি তা বাঁধার পর তার যথারীতি দেখাশোনা করে, তাহলে বাঁধাই থাকবে । নচেৎ ঢিল দিলেই উট পালিয়ে যাবে ।”


রিয়াদুস সলেহিন > সুললিত কণ্ঠে কুরআন পড়া মুস্তাহাব । মধুরকণ্ঠ কারীকে তা পড়ার আবেদন করা ও তা মনোযোগ সহকারে শোনা প্রসঙ্গে

রিয়াদুস সলেহিন ১০১১

وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في‏:‏‏{‏ قل هو الله أحد‏}‏ ‏ ‏إنها تعدل ثلث القرآن‏" ‏‏‏‏(‏‏(‏ رواه مسلم ‏)‏‏)‏‏‏

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, “মহান আল্লাহ এভাবে উৎকর্ণ হয়ে কোন কথা শোনেন না, যেভাবে সেই মধুরকণ্ঠী পয়গম্বরের প্রতি উৎকর্ণ হয়ে শোনেন, যিনি মধুর কণ্ঠে উচ্চ স্বরে কুরআন মাজীদ পড়তেন ।” (বুখারী, মুসলিম)


রিয়াদুস সলেহিন ১০১২

وعن أنس رضي الله عنه أن رجلا قال‏:‏ يارسول الله إني أحب هذه السورة ‏‏قل هو الله أحد‏"‏‏:‏‏"‏إن حبها أدخلك الجنة‏"‏ ‏(‏‏(‏رواه الترمذي وقال‏:‏ حديث حسن- رواه البخاري في صحيحه تعليقًا‏)‏‏)‏‏.‏"

একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেন, “তোমাকে দাউদের সুললিত কণ্ঠের মত মধুর কণ্ঠ দান করা হয়েছে ।” (বুখারী, মুসলিম)


রিয়াদুস সলেহিন ১০১৩

وعن عقبة بن عامر رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏‏ ‏ ألم ترَ آيات أنزلت هذه الليلة لم يرَ مثلهن قط ‏؟‏ قل أعوذ برب الفلق، وقل أعوذ برب الناس ‏" ‏‏‏‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏‏‏

তিনি বলেন, “আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এশার নামাযে সূরা ‘অততীন অযযাইতূন’ পড়তে শুনেছি । বস্তুতঃ আমি তাঁর চেয়ে মধুর কণ্ঠ আর কারো শুনিনি ।” (বুখারী, মুসলিম)


রিয়াদুস সলেহিন ১০১৪

وعن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال ‏:‏ كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتعوذ من الجان، وعين الإنسان، حتى نزلت المعوذتان، فلما نزلتا، أخذ بهما وترك ما سواهما ‏.‏ (‏‏(‏رواه الترمذي وقال ‏:‏حديث حسن ‏)‏‏)‏‏.‏

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি মিষ্ট স্বরে কুরআন পড়ে না, সে আমাদের মধ্যে নয় ।” (অর্থাৎ আমাদের ত্বরীকা ও নীতি-আদর্শ বহির্ভূত ।)


রিয়াদুস সলেহিন ১০১৫

وعن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏‏‏ من القرآن سورة ثلاثون آية شفعت لرجل حتى غفرت له ،وهي‏:‏ تبارك الذي بيده الملك ‏"‏‏.‏ ‏(‏‏(‏رواه أبو داود والترمذي وقال ‏:‏‏"‏ حديث حسن ، وفي رواية أبي داود‏:‏ ‏"‏تشفع ‏"‏‏)‏‏)‏‏.‏"

তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন, “(হে ইবনে মাসঊদ !) আমাকে কুরআন পড়ে শুনাও ।” আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রসূল ! আমি আপনাকে পড়ে শোনাব, অথচ আপনার উপরে তা অবতীর্ণ করা হয়েছে ?’ তিনি বললেন, “অপরের মুখ থেকে (কুরআন পড়া) শুনতে আমি ভালবাসি ।” সুতরাং তাঁর সামনে আমি সূরা নিসা পড়তে লাগলাম, পড়তে পড়তে যখন এই (৪১নং) আয়াতে পৌঁছলাম---যার অর্থ, “তখন তাদের কি অবস্থা হবে, যখন প্রত্যেক সম্প্রদায় থেকে একজন সাক্ষী উপস্থিত করব এবং তোমাকেও তাদের সাক্ষীরূপে উপস্থিত করব ?” তখন তিনি বললেন, “যথেষ্ট, এখন থাম ।” অতঃপর আমি তাঁর দিকে ফিরে দেখি, তাঁর নয়ন যুগল অশ্রু ঝরাচ্ছে ।


🔄 লোড হচ্ছে...
ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية