রিয়াদুস সলেহিন > মৃতের পক্ষ থেকে সাদকাহ এবং তার জন্য দুআ করা
রিয়াদুস সলেহিন ৯৫৫
عن كعب بن مالك، رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلمى الله عليه وسلم الله عليه وسلم خرج في غزوة تبوك يوم الخميس، وكان يحب أن يخرج يوم الخميس ((متفق عليه)). وفي رواية في “الصحيحين” لقلما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يخرج إلا في يوم الخميس."
এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলল, ‘আমার মা হঠাৎ মারা গেছে। আমার ধারণা যে, সে কথা বলার সুযোগ পেলে সাদকাহ করত । সুতরাং আমি যদি তার পক্ষ থেকে সাদকাহ করি, তাহলে কি সে নেকী পাবে ?’ তিনি বললেন, ‘‘হ্যাঁ ।’’ (বুখারী ও মুসলিম)
রিয়াদুস সলেহিন ৯৫৬
وعن صخر بن وداعة الغامدي الصحابي رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: “اللهم بارك لأمتي في بكورها وكان إذا بعث سرية أو جيشاً بعثهم من أول النهار. وكان صخر تاجراً فكان يبعث تجارته أول النهار، فأثري وكثر ماله” ((رواه أبو داود والترمذي وقال: حديث حسن))."
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘‘যখন কোন মানুষ মারা যায়, তখন তার কর্ম বন্ধ হয়ে যায় । কিন্তু তিনটি জিনিস নয়; (১) সাদকা জারিয়াহ, (২) যে বিদ্যা দ্বারা উপকার পাওয়া যায় অথবা (৩) সৎ সন্তান যে তার জন্য দুআ করে ।’’ (মুসলিম)
রিয়াদুস সলেহিন > মৃত ব্যক্তির জন্য মানুষের প্রশংসার মাহাত্ম্য
রিয়াদুস সলেহিন ৯৫৭
عن ابن عمر رضي الله عنهما قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : لو أن الناس يعلمون من الوحدة ما أعلم ما سار راكب بليل وحده” ((رواه البخاري))."
কিছু লোক একটা জানাযা নিয়ে পার হয়ে গেল । লোকেরা তার প্রশংসা করতে লাগল । নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘‘অবধারিত হয়ে গেল ।’’ অতঃপর দ্বিতীয় আর একটি জানাযা নিয়ে পার হলে লোকেরা তার দুর্নাম করতে লাগল । নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘‘অবধারিত হয়ে গেল ।’’ উমার ইবন খাত্ত্বাব (রাঃ) বললেন, ‘কী অবধারিত হয়ে গেল ?’ তিনি বললেন, ‘‘তোমরা যে এর প্রশংসা করলে তার জন্য জান্নাত, আর ওর দুর্নাম করলে তার জন্য জাহান্নাম অবধারিত হয়ে গেল । তোমরা হলে পৃথিবীতে আল্লাহর সাক্ষী ।’’ (বুখারী ও মুসলিম)
রিয়াদুস সলেহিন ৯৫৮
وعن عمر بن شعيب عن أبيه عن جده رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : “الراكب شيطان والراكبان شيطانان والثلاثة ركب ((رواه أبو داود والترمذي والنسائي بأسانيد صحيحة، وقال الترمذي: حديث حسن))"
আমি মদীনায় এসে উমার ইবনে খাত্ত্বাব (রাঃ)-এর নিকট বসলাম । অতঃপর তাঁদের পাশ দিয়ে একটি জানাযা পার হলে তার প্রশংসা করা হল । উমার (রাঃ) বললেন, ‘ওয়াজেব (অনিবার্য) হয়ে গেল ।’ অতঃপর আর একটা জানাযা পার হলে তারও প্রশংসা করা হলে উমার (রাঃ) বললেন, ‘ওয়াজেব হয়ে গেল ।’ অতঃপর তৃতীয় একটা জানাযা পার হলে তার নিন্দা করা হলে উমার (রাঃ) বললেন, ‘ওয়াজেব হয়ে গেল ।’ আবুল আসওয়াদ বলেন, আমি বললাম, ‘কী ওয়াজেব হয়ে গেল ? হে আমীরুল মু’মিনীন !’ তিনি বললেন, ‘আমি বললাম, যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছিলেন, ‘‘যে মুসলিমের নেক হওয়ার ব্যাপারে চারজন লোক সাক্ষ্য দেবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন ।’’ আমরা বললাম, ‘আর তিনজন ?’ তিনি বললেন, ‘‘তিনজন হলেও ।’’ আমরা বললাম, ‘আর দু’জন ?’ তিনি বললেন, ‘‘দু’জন হলেও ।’’ অতঃপর আমরা এক জনের (সাক্ষ্য) সম্পর্কে আর জিজ্ঞাসা করলাম না । (বুখারী)